West bengal Important Links

আনন্দবাজার পত্রিকা http://www.anandabazar.com/ *********এই সময় http://eisamay.indiatimes.com/ *********বর্তমানhttp://www.bartamanpatrika.com/ ********* সংবাদ প্রতিদিনhttp://www.sangbadpratidin.in/ ********* আজকালhttp://www.aajkaal.net/ ********* এবেলাhttp://www.ebela.in/
********* কর্ম সংস্থানhttp://www.karmosangsthan.com/ ********* কর্মক্ষেত্রhttp://www.ekarmakshetra.com/ ********* ফ্রেশারসওয়ার্ল্ডhttp://www.freshersworld.com/ *********টোয়েটি নাইনটিনhttp://www.twenty19.com/ ********* ভ্রমণhttp://www.bhraman.com/ ********* উইকিপিডিয়াতে বাংলাhttp://en.wikipedia.org/wiki/Bengali_language

Friday, August 14, 2020

স্বাধীনতা দিবস

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সেই ৭৪ বছর আগের মাহেন্দ্রক্ষণ ফিরে এলো, সেই মহাসন্ধিক্ষণ।  শৌর্য বীর্যের প্রতীক তারা, যারা আমায় মুক্ত মাটি দিয়েছে। শত হাজার মা বোন মানব পৌরুষের হাত ধরে এ দেশ পরাধীনতার কলংক থেকে মুক্তি পেয়েছে।


এ সেই মুক্তির দেশ। যেখানে

কবি প্রার্থণা কবিতায় লিখেছেন, 


    চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির,

    জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর

   .....

    ভারতেরে সেই স্বর্গে করো জাগরিত॥


কত ত্যাগ, তিতিক্ষা, রক্ত, মুক্ত মাটির গন্ধ নিয়ে সেই শুক্রবার, ১৩৫৪ এর ৩০ শে শ্রাবণ। তাই আজ বড় খুশীর দিন। আরেকবার শপথ নেবার দিন।


দেশ তথা দেশের মানুষ কে ভালো রাখা, সকল কে সুরক্ষিত রাখার দিন। তার সঙ্গে মানুষকে বিশেষ ভাবে আগে অর্থনৈতিক, সামাজিক সচেতন করার দিন।

তাই চাই সঠিক স্বাধীন তথ্য।

সাথে করোনার পথ্য। আমরা মন্দির মসজিদ, গুরুদ্বোয়ারা, চার্চ দেখেছি। সেখানের পরিচ্ছন্নতা সমাজেও ছড়িয়ে পড়া দরকার। ওখানে মানুষ তাড়াহুড়ো করে না। চেঁচিয়ে কথা বলে না। মনে হয় যেন আগাপাশতলা পরিচ্ছন্নতাই পুজোর সমান। দোয়ার সমান। আমেন। 


সাথে এ দেশ বিবিধের দেশ। বৃহত্তম গনতন্ত্রের দেশ। কত রাজ্য, বিচিত্র চরিত্রে প্রত্যেকে একে অপরের অনন্য। তারই মর্যাদা এ স্বাধীনতায় প্রকৃত বন্দেমাতরম।


সাথে এ বছর কাজের ক্ষেত্রে যে চুড়ান্ত অপ্রতুলতা তা আর লোকানোর বিষয় নয়। কে কোথায় কি ভাবে স্বাধীনতায় বেঁচে থাকার গল্প লিখছে, কি চূড়ান্ত ভাবে লড়াই করে চলেছে, সেগুলোও মনে রাখার দিন।  গত ৬/৭ মাস ধরে তিল তিল করে যা ঘটে গেল, সেখানে দু ফোঁটা চোখের জল ফেলার দিন বললেও অত্যুক্তি হবে না।

আর মানুষের অবদান তা খাদ্য বস্ত্র রক্ত দান হোক দিকবিদিক বিপদের মধ্যেও প্রাণসংশয় করে পৌঁছে যারা গেল, তাদেরো ভুলিনি, ভুলছি না, ভুলতে আমি পারবো না। এবছর টাই তো ভুলবো না।

ভোলা উচিত না ডাক্তার, নার্স, সহস্র বেসরকারি সংগঠন তথা নেতা নেত্রী দের দিনরাত্রি এক করে  পাশে থাকার দিন গুলো। সেই ঝড় জল, ফিরে আসা শ্রমিক দের লড়াই আরো কত যে কি কি আছে।


আবার এটাও ঠিক যে এতোটা সিরিয়াস ভাবে কখনোই ভেবে দেখার সুযোগ হত না, যদি না লক ডাউন হত। যে তীব্রতর ভাবে ছুটে হাঁপিয়ে গাড়ি, মানুষ চলছিল, সেখানে রাশ টানা গ্যাছে। উল্কার গতিতে সবকিছুকে পেতে চাওয়ার তাড়নায়, লক্ষে পৌছানোর আগেই যে সহজ প্রাকিতিক সম্পদ কে কত তাড়াতাড়ি যে ধ্বংস করার খেলায় মেতে উঠেছি, সেগুলোও ভাবিয়ে তুলেছে।

সাথে সাথে

খনিজ সম্পদ, বনজ সম্পদ, জল, বাতাস রক্ষার উদ্দেশ্যে সোলার প্যানেল গড়া অতীব মহৎ উদ্দেশ্য, তারই সাথে এতগুলো কয়লাখনি একযোগে কয়লা তুলবে তাও অভাবনীয়। 


তার সাথে ভেবে দেখা জরূরী এন আর সি, এন পি আরের মত সংবেদনশীল বিষয়আশয়। বৃহৎ ও বিশাল জনসংখ্যার দেশে সামান্য ভূলের কারণে অনেক বড় প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়। কেউ যেন  কোথাও তার বাপ ঠাকুরদার কথা মনে করে এমন কোনো স্বাধীনতা দিবসের দিনে চোখের জল না ফেলে। 


শুনেছি 'জীবে প্রেম করে যেইজন সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।' ধর্ম বলতে এর চেয়ে আর কি.. তবে

এবার সময় এসেছে অর্থনীতি, কাজের ক্ষেত্রেও কেও সামান্য বুঝে নেবার,  কিসে আমার ভালো, জগতের ভালো তা আরো পরিষ্কার হোক, পরিচ্ছন্ন হোক, সেটাই আমাদের মিলবার শর্ত হোক। ব্যক্তি স্বাধীনতার সাথে সামাজিক স্বাধীনতার অর্থ খোঁজা আজ বেশি অর্থবোধক।


সেই কবে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বনির্ভরশীল হয়েছি, তথাপি, অপুষ্টি আর ৫০ শতাংশ মানুষের কপালে দু বেলার আহার নিয়ে প্রশ্ন, স্বাধীনতার কপালে ভাঁজ ফেলতে যথেষ্ট। খাবার যদিওবা জোটে, তাও সন্মানের কিনা সেটাও ভেবে দেখার দিন। তাই বন্টন ব্যবস্থায় আমাদের সাফল্য পেতে প্রশাষনিক চেন আরো মজবুত ও স্বচ্ছ হওয়া দরকার। আসলে প্রত্যেকের সামান্য কিছু অবদানেই দেশ এগিয়ে যাবে।


আবার অনেক রোগ, দূর্ভোগ, বন্যা, ক্ষরা, ঝড়ের মধ্যেও আমি বেঁচে আছি।  কেমন আছি? এতে কষ্ট পায় যারা, তাদের কি পাশে আছি? স্বাধীনতার স্বাদ নইলে যে পানসে, যদি না ভাবি কত টা আছি? যে আজো কষ্ট পায়, সে কি আমার কথা মনে রেখেছে? এ স্বাধীনতা তাদের কেই বিনীত চিত্তে উৎসর্গ।

তারই সাথে আজকে দেশের সৈনিক, চাষি ভাই, সকল প্রশাষনিক কর্তা ও রাজনৈতিক নেতা নেত্রী সহ সকল স্বরনীয় ও বরণীয় কাজের মানুষ কে আমার নতমস্তকে প্রণাম। 


আমরা জনসংখ্যায় দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। এর নিয়ন্ত্রণও আশু প্রয়োজন। ১৯১৯ সালের পর আমেরিকা নিজের দেশের জনসংখ্যা  নিয়ে ভেবে ছিল। আমাদেরও পুনরায় তা বিবেচনার দিন। 


এটাও ভেবে দেখার দিন ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় ডিজিটাল শিক্ষায় কেউ যেন বিভাজনের শিকার না হয়। আর মানুষ ভালো পরিবেশ পেলে, অনেক সম্ভাবনা তৈরি হয়। আমাদের ভেবে দেখা কর্তব্য আমাদের দেশ সত্যি আজো সে অর্থে যোগাযোগের মাধ্যম, তথা ডাক্তারের অত্যাধুনিক যন্ত্র উৎপাদনে পরাধীন। এই যে ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপের মুহুর্মুহু ব্যাবহার, ডেটার আদান প্রদানে নির্ভরশীলতা তা থেকেও মুক্ত হওয়া প্রয়োজন। 

এনক্রিপ্টেড ব্যাপারটাই তো সিক্রেট কিছু যা আজো ক্লিয়ার নয়। 


আমি দেখেছি টেলিভিশানে কত শত চ্যানেল। সব চেয়ে বেশি ধার্মিক আর মনোরঞ্জনের চ্যানেল। শত শত। সব বেসরকারি। আর একটা চ্যানেল চালাতে কোটি কোটি টাকার খরচ। এ নিয়েও ভাবনার অবকাশ রয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মাথা তুলে দাঁড়াতে এগুলোও বাধা নয়তো। হতেও পারে। জানি না।

ভাবনার অবকাশ আছে মিডিয়া নিয়ে, খবর নিয়ে কোনটা চলছে, কেন চলছে, কে চালাচ্ছে, সামগ্রিক ভাবে দেশের মানুষের উপকার হচ্ছে নাকি অন্য কিছু। ভাবতেই হবে, যেগুলো সামান্য কিছু লিখে দেওয়া গেল দেশের জন্য এগুলো জরূরী কিনা? 

 আসলে উদ্দেশ্যগত দিক ধনাত্মক হলে, মিডিয়া কেও মুক্তির স্বাদ দিতে হবে।


আশা করি ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখবেন। 

সাথে

সকল শুভানুধ্যায়ী কে স্বাধীনতার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রনাম। 🇮🇳

Thursday, May 7, 2020

ওই এলো ঝড়। উড়ে যায় গাছের চাদর। সুন্দর মিষ্টি ঠান্ডা হাওয়া। আহা। বৈশাখ মাস না ভোগ বিলাস না পরবাস। নেই রবীন্দ্রনাথ বা কালীদাস। নেই রুটি চাঁদ, নোনতা জল আছে। জীবন কে পাহারা দিচ্ছে ক্ষিদে। জীবিকা কে সরকার।
কোন টা দরকার।  দরকারি লক ডাউনে ভিখিরির দেখা নাই। ছন্দহীন কাজ, ক'টা টাকার দেখা কই? হলে পরে, ঘরে ঘরে কালিদাস সারাটা মাস জুড়ে কুঁড়ে ঘরে জুত হয়ে মেঘদূত পড়তই।
।মন টা আজ মোটেই ভালো নেই, তাই শেয়ার করলাম।

এতো ঘন্টা, প্রদীপ, পুষ্প বৃষ্টি। এরপর প্রসাদ তো থাকবেই।
সঙ্গে সান্তনা। রবী ঠাকুর বুদ্ধ বেঁচে থাকলে, দিকে দিকে কি দরিদ্র ভোজন হতে পারতো না? বা তার আগে ব্রম্ভ প্রার্থনা।

ভাইজাগে করুন মৃত্যু। বেসাহারা লোকের বাড়ি ফেরা বা ফিরছে না। যারা সরকারি কাজ করে না, তাদের কাজ করারও অধিকার আসছে না। মাইনে ত দুরাশা।

এদিকে ডিজিটালি সারকাসম চলছে। হাস্যস্পদ দুচাল্লাইনে লোক হাসানোর হরিবোল খেলা। বা ভুলে থাকার অবহেলা। এছাড়া কি বা করার আছে? 

যেন কিছুই হয় নি। কিছুই হারানোর ছিল না। লাইফ টাই স্ক্রোলিং বুলিং কপি পেস্ট ওঠা নামা করতে করতে কখন যে সত্যি মনের ভাব প্রকাশে ব্যর্থ হয়ে গেছি, ধরতে পারবেন না।

শুনেছি সত্যি টা সহজে কেউ বলে না। প্রকাশ করে না। কি দিয়ে মাসের পর মাস চলছে। ভাত রুটির কথা আজ থাক। বলতে হবে না, আপনার চাল ডালের কথা।  গ্যাসের কথা। সমস্যার কথা। ওগুলো মোটেই কাজের জিনিশ না। 

তাচ্চে আসুন না ভাবি, 
জীবনে কোনো দিন এত ভীড়, হাসি মুখ মন গম্ভীর, মদ বা র‍্যাশনের দোকানে দেখেছি? নিষ্প্রাণ চোখে কানে হেডফোন, জোয়ার ভাঁটা হীন বাবা মা ভাই বোন। দাদা কাকা জ্যাঠা সবাই লাইনে। কেউ মদের দোকানে। কেউ র‍্যাশন দোকানে। এখানে সেখানে যেখানে চূড়ান্ত নাটক নিত্য দিনের সঙ্গী। মন বলবেই পালিয়ে টা যাবি কোনখানে?

এ বলে আমায় দেখ। ও বলে দেখে শেখ। শেখার দেখার আর কিছুই নেই ভাই। 
 পুরোটাই ছোট ছোট গল্প। গল্প দিয়ে মালা। আর সেটাই পরে চৈতন্য।

Tuesday, April 28, 2020

--- গ্রহেই যখন আগ্রহ, বিগ্রহ তবে কিসে? ---

১. কলমচি যখন বাবুর্চি, মিলেমিশে মনের খোলা ছাতে,
দু'হাত পেতে রান্না করে, হাসি কান্না মেখে পেট ভরে। ওরে মন। তাই না হয় হোত।
আলতো হাওয়ায় মুর্চ্ছিত। হাসছো তো। আচ্ছা, তুমি বলেই কি হাসছো না? বলো না লজিক ম্যাজিক করে,
এ গ্রহে আগ্রহ যাদের, তারা কি পূজিত হতে পারতো না?
বিন্দু হতে সিন্ধু তো, ইন্দ্রীয়াতীত হয়ত না।
দেয়ালা করে দিচ্ছ ক্ষত, নাকি লিখে রাখছো সান্তনা!
২. এত যত্রতত্র শীব, আসি আসি করে,
শব্দ গুলো কে মাঠে ছেড়ে দেয়।  কি করে অহরাত্র বাজায় বাঁশি। বল না?
কখুনো বা হাতের মুঠোয় ফোন টোন বা জলের মতই গল্প।
পালক নরম মন গলে টলে, সময় যে বড়ই অল্প।
আলাপে, গোলাপে, সন্ধে নেমেছিল। আতর গন্ধে রাত বেরাত কবে থেমেছিল?
সন্তান আসে, ফুটতেই ছিল সময়ের আঁচে। কিছু মন্দিরে কিছু দরগায়। শুনেছি শীব এভাবেও বাঁচে।

আর বিজ্ঞান দিয়ে যদি একটা আস্ত সুর্য গড়ে তোলা যেত? নিদেন পক্ষে একটা গ্রহ। তাহলে হয়তো বা ক্ষমা, বিচার, প্রার্থনা চাওয়া যেত।
মায়াবনের সিদ্ধার্থ বলেছেন, হবে সব হবে। তিষ্ঠ।


Saturday, April 4, 2020


আরেকবার প্রমাণিত হোক, জাগতিক ও পার্থিব লাভক্ষতির উর্ধ্বে ভারতবর্ষ আদি অকৃত্রিম চিরন্তন সনাতন।
এখন বৈজ্ঞানিক পথ্য বা অন্যান্য কিছু বিবেচ্য নয়, আমাদের তো এই পথ চলাতেই আনন্দ হয়।
দেশপ্রধান বলেছেন, তবে আগামীকাল অভূক্ত থেকেই দীপ জ্বাললে ভাল হত। এমন পালন হলেই খুব ভাল হয়।
কারণ আর কিছুই না
শীতলা পুজো, বাসন্তী পুজো,  রামনবমী ইত্যাদি পালন না করার জন্য বিশাল বৃহৎ অংশ মর্মাহত। তাই বিশ্বাস, ধার্মিক বিশ্বাস হিসেবে, এটা অবশ্যই রামবাণ হিসেবে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর।
আর যাদের ভেন্টিলেটর লাগবে, তাদের বলুন গে যান, ভেন্টিলেশনেই ছিলাম ও আছি। উদ্ধার হবার প্রসেসিং এ আছি। শুধু ন্যাচারোপ্যাথি প্রক্রিয়া টা আরেক টু চলা দরকার।
এ মাসে ইসরোর স্যাটেলাইট পাঠানোর কথা ছিল না? নতুন বছরের বাংলা ক্যালেন্ডার ও তো দরকার? কোথায় পাই বলুন তো?
এ বারের পঞ্জিকায় কি ছাপা আছে, ২০২১ সেও শিক্ষা ব্যবস্থায় চাপ পড়বে। বা কারা যেন নতুন করে আন্দোলনে নামবেন। চৈত্র সেল?
"এ বার মা আসছেন ঘোটকে বা ঘোড়ায় চেপে। দশমীর দিন তিনি ফিরেও যাচ্ছেন ঘোড়ায় চেপে। অর্থাৎ এই বছরে দেবীর আগমন ও গমন ঘোটকে। পণ্ডিতরা বলছেন, ঘোড়ায় আগমন ও গমন মোটেই শুভ নয়। ঘোড়া ছটফটে প্রাণী। সে যখন যায়, সব কিছু ছত্রভঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই দেবীর ঘোটকে আগমন ও গমনে প্রমাদ গুনছেন শাস্ত্রজ্ঞরা। এতে ফসল নষ্ট হওয়ার এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন বন্যা ও খরা হতে পারে। দেখা দিতে পারে মহামারী ও রাজনৈতিক অস্থিরতা।"যাই হোক,ভারতীয় চিনা প্রোডাক্ট ইন্সটলেশন হাব গুলোর সুরক্ষার দায়িত্বই বা কে নেবে? কার চাকরি থাকবে? কার কত টাকা শেয়ারে ডুবলো? কত ডুবলো? কোত্থেকে এত মূলধন জোগান হবে? লাইফেরই যা হাল, টাকা তো মায়া হয়ে যাবে। ডি এ, বোনাস আকাশে কুসুমিত হবে। আর ভাবা যাচ্ছে না?চাল ডাল দিয়ে কোটি কোটি দুস্থ কে সাহায্যদান দেখে যদি অর্ডিন্যান্স পাস হয়, কোটি কোটি ক্রোরপতি নেতা দের যদি ব্যাক্তিগত সম্পত্তি কেড়ে নেওয়া হয়? বা ভরসা না রাখতে পেরে যদি মিলিটারি শাষন শুরু হয়? বাপরে, থাক বাবা। তাচ্চে সুদূর অতীতেই বন্যা ও অপুষ্টি জনিত মৃত্যু v/s এই অতিমারির একটা টেবিল তৈরি করি।না কিস্যু হচ্ছে না।কিন্তু আজকে যে আবার কাশ্মীরে হামলা। দুদিন আগেই মাওবাদী ১৭ মিলিটারি মৃত্যু। কাবুলে আরেক।আমি কোন পথে যে চলি 🎶🎶একটি সুখের কথা, এ বছর মা দূর্গা যাবেন গজে।।

Wednesday, April 1, 2020


কোকিল তোর এ্যপিল থাক
পলাশ ফুলে, বসন্ত রাঙা,
খালবিল পাতা জঙ্গল থাক
পাহাড় নদী বাঁচিয়ে জানা।।
😊
হয়েছি কি, করোনার কথা ভাবতে ভাবতে 
আনমনে বেশ গুনগুন করছি।
 🎶
''বলতে পারো, কত'টা রাত আরো।
শেষ কবে যেন বলেছিলে,
ঘড়িতে তখন বারো। 
ওই যে সকাল। দুপুর গড়ালো।
এলো বিকাল। সন্ধ্যা ফুরালো।
বলতে পারো?
বরং প্রার্থনা কর,
আপনা মাঝে শক্তি ধরো।''

বেশ গম্ভীর ভাবে মনের রসে জ্বাল দিচ্ছি।
হঠাৎ, এক আপদের সাথে দেখা। 
পুরোটা বলছি, সত্যি। এতটুক ভয়ের ব্যাপার ই নেই।
তা যেই না লোক টা বললো, 'বারে। এতো বন্ধুবৎসল ভাইরাস। স্থান দেব না? সে তো ভালোবাসতেই এয়েচে। মনন নাই বা হল, শরীরে তো এলো।' 
মনে মনে বললাম, পিপিলিকার পাখা গজালো।
ও বলেই চললো।
'ভালোবাসবো না কেন? মেরেছে কলসি ড্যাস ড্যাস। দিবে আর নিবে, ড্যাশ ড্যাশ । অতিথি দৈব ভবঃ।'  ব্যাস ব্যাস।
এত টাই ঠিক ছিল। তার পরপরই দিল সে, হ্যাচ করে এইয়া বড় হ্যাচ্চো। 
বললাম, এ এ তুমি কি কচ্চো! এ আমার কি কল্লে? আমার তো যাবার সময়ই হয় নি! উতলা হয়ে, ঘেমে নেয়ে যখন সম্বিত ফিরলো।
ওমা, ওরে, এ যে দেখি খোলা ছাদে, ভদ্দুপুরে গামছা পরে অামি তৈলাক্ত। তাও লজ্জ্বা পাইনি। 
খেয়াল করতে দেখি উপরে এক ভক্ত। বলা ভুল। শক্ত নিমের ডালে, দুলছে এক কাঠবিড়ালি। আমার দিকে আড় চেয়ে, কেন জানি হাসি হাসি মনে হল। এমন হাসি এরাও হাসে। বিশ্বাস করিনি, জানো। তারপর, এমন কিটির মিটির কল্লো, যে রাগে রিরির চে কান টাই কটকট  করে উঠলো। বললাম তবেরে। তারপর থেকে নাওয়া খাওয়া ভুলে, সেই যে কাঠবিড়ালি ধত্তে উঠেছি।

Saturday, March 28, 2020

এই সেই রোববার। চকচকে দিন তার।
ছুটি ছুটি হয়েও ছোটা বারন।  করোনাক্রান্ত ঘোর জ্বর তার কারন।
যে প্রেমে পাগল, প্রেমের কথা বলে শুনেই বাঁচে। 
ছুটির দিনে প্রেম তাকে বেশি করে পায়।
আপনি খেতে পাগল। সেও
তাই। যে দেহ তত্ত্বে, ইহ লোকে, নাম গানে বা কারণবারিতে, সবেতে এক জিনিশ। 
যে ঝগড়া করতে পাগল, সে ঝগড়া না করে,  থাকবে কি করে?
এখন রব উঠেছে করোনা পাগলের। কয়েক মিনিট পরেই, করোনার কথা না বলে থাকাও যাচ্ছে না।
যাই হোক এখন, 
শুধুই পাখ পাখালির ডাক, গরুর হাম্বা রব আর মাঝে সাঝে সাইকেলে দু চাকার শব্দ। কারখানার সাইরেনের শব্দ নেই।  খোলা চোখে দেখে, মনেই হয় না বায়রে এসব ফাঁকি। কত প্রহর যে বাকি। 

মাছ, মাংসের দোকান খুলে গ্যাছে। ভীড় নেই বললেই চলে। ইতি উতি ভ্যানে সবজি। কচুরি পরোটা ও আছে। আছে ডিম সেদ্ধ।  মুড়ি চিনির জল ও আছে।
আজ দুপুরে শুক্ত খেতে ইচ্ছে করছে।
 ৮৫ নম্বর বাস চলে গেল। পেট্রোল পাম্প খোলা। কাগজওলার ব্যাস্ততা সবচে বেশী। ওষুধের দোকান এখুনো খোলে নি। 
বিদ্যুৎ ভোল্টেজ আপ ডাউন করছে। 
দুষ্টু কিছু ঘু ঘু ছাদের কাছে চিল্লামিল্লি করছে। ওই যে পাড়া গাঁয়ের টিয়া টায় টায় কত্তে কত্তে বেরিয়ে গেল। 

আমাকেও ত কিছু একটা করতে হবে। 
তাই দিন গুনছি। কেউ আশায় বুক বাঁধছি।
কত ফ্যামিলি একসঙ্গে সময় কাটায় নি, খেতে বসে নি, গান শোনে নি, গল্প করে নি। আজ সেটাই করছি। 
কেউ বা চা খাচ্ছে, কেউ দুধ কেউ বা চিন্তা গুলো ধোঁয়ায় রিং বানিয়ে উড়িয়েও দিচ্ছে।
পোড়া কপালের কথা থাক। কেউ আবাল বালখিল্যপনায় খিড়কি থেকে দুয়ার দৌড়ে, ব্যাম সারছে। তার সাথে সাথে এটাও থাক।
যে, 
দেশ টা'কে খাওয়াবে কে?
'ওরা কাজ করে' টা হয়ে গ্যাছে আজ, ওরা মাইলের পর মাইল হাঁটছে। দেশে ফসল তোলার লোক নেই।
সাউথের হারবেস্ট ফেস্টিভ্যালে,  আলু পটল উচ্ছে বেগুন।
আগুন রোদে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। 
কারণ, দেশ হাঁটছে। পিঠে তার, সামান্য শুকনো চিড়ে। আধ বোতল গরম জল আর এক টুকরো শক্ত গুড়। সংক্রমন যে কোথায়, বোঝা দায়। 

ধার্মিক, মনোরঞ্জন নরম জল মনের প্রিয় দেশের মানসিক বুস্টিং প্রয়োজন। ভুলে থাকা প্রয়োজন। তাই দু বেলা রামায়ন আসছে। 
আমরা এন্টারটেইনমেন্ট চেয়েছিলাম। তাই পাচ্ছি। এখন উত্তর পূর্ব পশ্চিমের কোটি কোটি ভারতবাসী দু বেলা রামায়ন দেখবে।
আসলে যেটা দেখার ছিল, সেটাই। 
 দিন সকলের নিরাপদে সুস্থ ভালো কাটুক। 

Wednesday, March 25, 2020


ঢিল দিলে যা হয়, বর্তমান কে মনের রসে জারিত করে। 
করোনার সংক্রমন টা, মন কে যেন আক্রমন সংক্রামিত না করে? কারণ টা এ মন কে পরে বলছি। 

'সংক্রামিত রোগীর জন্য নহে।' কোথায় লেখা থাকে?  তাই বলছিলাম আরকি, PANDEMIC এর মধ্যেই প্যানিক লুকিয়ে আছে। সেটাই ভয়ের। 
অলক্ষে হাসছে কে? হু? 
-- সারা পৃথিবীতে মানুষের কত রকমের রোগ এখুনো পর্যন্ত দেখা গিয়েছে?
-- এর মধ্যে সংক্রামিত রোগের সংখ্যা কত? 
-- কোন রোগে সব চে বেশি মানুষ মারা গিয়েছে? যায়?
-- তাও নিয়ন্ত্রণে আসে নি? 
কোন তথ্য ই পরিষ্কার নয়। পরিচ্ছন্ন নয়।
পোলিও টিকেও নিতে হয়
তাহলে Pandemic কোনটা? Panic নাকি, PAN-DEM-IC. 
কখুনো কখুনো মনে হচ্ছে, IQ, EQ সব ICU তে চলে গ্যাছে।
যাই হোক, 
তথ্য পরিসংখ্যান বলছে, 

১. এ দেশেই সাড়ে ছয় লক্ষের উপর গ্রাম। স্বাস্থ্য কর্মী? 
২. পৃথিবীতে ৯৫% মানুশ কোনো কোনো ভাবে অসুস্থ। 
৩. খবরের সাপ্লাই লোকাল ন্যাশ্নাল বাদ দিলে দাঁড়ায় নিয়ন্ত্রক মূলত আমেরিকা, চায়না, রাশিয়া এরা। (খাদ্য, জিনিশের, মেশিনের তালিকা মাথায় আসছে ত?)
৪. রকমারি অসুখে প্রায় বা মাত্র দশ হাজার অসুখ শুধুই জিন গঠিত। 
৫. ২০১৬ তে সাড়ে পাঁচ কোটি মৃতের মধ্যে আড়াই এর বেশি হৃদজনিত কারণে মৃত। এত হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট হয়েও সহজ লভ্য হয়ে ওঠেনি।
ওই যে প্রথমেই বললাম, সংক্রমন যেন মনে সংক্রামিত না হয়। 
৬. আমেরিকা স্বাস্থ্যের জন্য দুই ট্রিলিয়ন বরাদ্দ করেছে। আমাদের দেশ?  তাও... চেষ্টা চলছে। 
৭. সারা দেশের লোকাল SSI প্রায় বন্ধ। কারখানায় তালা পড়ছে। 
৮. পৃথিবীতে ২৫ লক্ষ্যের মত চাকরি হারাবে।

যাই হোক, 
এমতাবস্থায়, তাই ভেবে দেখার অনুরোধ করি, ট্রান্সপোর্টেও নানা রকমফের দেখা দিতে চলেছে, অতএব, 
আমদানি রপ্তানির সাপ্লাই চেনের নতুন চুক্তি গুলো কারা নিয়ন্ত্রণ করবে? 

যাই হোক বড্ড ভারী হয়ে যাচ্ছে।

ধন্যবাদ এটাই যে,
এ দেশের নাতিশীতোষ্ণ উষ্ণতা একটা ফ্যাক্টর।
বিচিত্র দেশ, বিবিধের দেশ।
তারপর, দিনে মশা, রাতে মাছি। তবু বেঁচে আছি, এটাই অবশেষ।
দোকানে মুড়ি নাই বা পাওয়া গেল, পেটে ভিজে গামছা বেঁধে, গানের রেওয়াজ কি আমি দেখিনি?
আর খুঁজে দেখলে সব মানুষেই যেমন দোষ পাওয়া যায়, তেমনি রোগ ও পাওয়া যাবে।
আর এত শত শত কোটি ছোট বড় রোগ ভোগ নিয়েই তো দেশের হাড়ি তে রান্না টা ঠিক ই হচ্ছে।
কত লোকে প্রান্তে প্রান্তে পাঠিয়েও দিচ্ছে। 

তাই, মনে হচ্ছে যেন, এদ্দিনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আমাদেরও নেহাত কম নয় নি।

মাসের পর মাস, বছরের আঁচড়, সে নানা রফা।
নতুন বৃষ্টি জলে, ভিজে কাক হয়ে তাঁর সাথে দেখা। 
আইসক্রিম থেকে আলু কাবলি,
ফুচকা থেকে আলুচোখা।
খাবারে মাছি, ময়লা হাতে মাখা, 
তাও ত চেটে পুটে খাই। 
উলুস কত্তে কত্তে বিকশিত দন্তে
বগল বাজাই। 

যাই হোক, 
উন্নত দেশের স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা আমাদের নেই জানি। কিন্তু সহ্য করার এক নিদারুন ফ্যাক্টর, ক্ষমা করার অদ্ভুত শক্তি যে ভাবে দিনে দিনে দেশে জারিত হয়েছে। সেটা যদি এখন কাজে না লাগে, তাহলে বৃথা হয়ে যাবে এই ফালতু অহেতুক মড়া কান্না।

 দেখতে পারছি, বুঝতে পারছি, দেশের বেশির ভাগ লোক এটা কে এনজয়ই করছে। কেনই বা করবে না।ঘরে থাকার মজাই আলাদা। বোঝাই যাচ্ছে। 

নিদারুন কষ্টের মধ্যে কিন্তু গ্রামের সংখ্যা, কারখানা, SSI, সাপ্লাই এগুলোই শুধু যাচ্ছে না।

আন্তরজাল থেকে পাওয়া কিছু ছবি। 









Tuesday, March 24, 2020


দোপেয়ে গুলো কি উৎরে গেল। 😀
আসলে, দোপেরা কিছুতে শান দিচ্ছে, জানতে পারলে ওদের যে কি হবে?
আমার মনে হয়, প্রকৃতি এ সবি ফিল করতে পারে। বা নিজেকে আবার তৈরি করছে। ভাবছে।
ভাবতেই পারে। দুটো দিন হয়ে গেল, সারমেয় গুলোও ত ত্যামন চ্যাচাচ্ছে না। আমাদের সঙ্গে থেকে যে ফিল, হয়ত তাই অসঙ্গতি, বা কোথাও একটা গন্ডগোল নিশ্চই কিছু হয়েছে। তাই ভাবছে।
মানে এভাবেই,

Monday, March 23, 2020

করোনা,
নমস্কার নেবেন। ক্যামন আছেন?
তবে, কোথা থেকে কি কান্ড, বলুন। বেশ চলছিল।
টপ করে উড়ে এসে জুড়ে বসলেন।
১ মাস ৩ হপ্তাহ ৩ দিন হয়ে গেল, আপনি অতিথি রূপে এদেশে ঠাঁই নিয়েছেন। মাঝে কত শত হাজার বার যে আপনি এ দেশ ও দেশ করে, হোলি, দোল,পার্টি, বিয়ে, সেমিনার, মিটিং  মায় এনগেজমেন্ট  টাও চুটিয়ে সেরে নিলেন।

কাউকে জানতে দিলেন না। এ ভারি অন্যায়।
এখন, মাঝেই মাঝেই এ রাজ্য ও রাজ্য থেকে উঁকি মারবেন, আর আমরা চমকে দমকে উঠবো। এটাই তো? এটাই চেয়ে ছিলেন তো?

তবে মনে রাখবেন,
জ্যান্ত মানুষের অফুরন্ত শেষ পর্যন্ত সাহসে, ভালবেসে, আর টিকে থাকার অপার উৎসাহের কপালে, জিতে যাওয়ার টিপ দিতেই হবে।

মনে রাখছি বেঁচে যাওয়া আর সুরক্ষিত থাকা টা এক ব্যাপার নয়। কোটি কোটির দেশে কিন্তু কোটি রাই দেশ। আবার একটা মানুষ ও দেশ। মহাদেশ। নিজের নিরাপত্তা তাকেও ঘাড়ে নিয়ে বয়ে বেড়াতে হয়। যাই হোক।

জানি তো ভাইরাসের মৃত্যু নেই। ভাইরাস আসবে যাবে। যেমন আপনি। তাও মানুষ রয়েই যাবে।

আপনি, রবীন্দ্রনাথের শেষ দেহ নিয়ে মিছিল দেখেছেন? মহাত্মা গান্ধীর?  আরো কত শত শত বিজ্ঞানী, বিপ্লবী, দার্শনিক, খেলোয়াড়, কাছের ভালবাসার বন্ধুর শেষ যাত্রায় পথে হেঁটে, আমাদের যদি মনে না হয়ে থাকে, যে, দিয়ে যাওয়ার সময় টা আমাদের ও পেরোয় নি, তাহলে তো ঠিক দিকেই এগিয়ে চলেছি।
উৎপাদন বন্ধ। কালো ধোঁয়া কমলো। নদী গাছ পাহাড় গুলো একটু রিলিফ ও তো পেলো। পৃথিবীর তাপমাত্রা তেও প্রভাব আসবে, আশা করা যায়। যায় না? এতেও ভালো থাকা টা বেড়ে যায় না?
টাকা টাকা করে যাদের বুকে পাঁজরে ব্যাথা, নিশ্চিন্তের ব্যাংক ব্যালেন্সের কথা ভেবে, যাদের গালে খই, তাদের কথাও ভেবে দেখার মত। শুধু তাদের মত করে না ভাবলেও হয়।
এই তো আজ থেকে আন্ত রাজ্য উড়ান ও বন্ধ হল।

যাই হোক, এ মুহূর্তে কাশ্মীর, পাকিস্তান, CAA, NPR, NRC, ধর্ষণ, অর্থনীতি, ধর্ম ইত্যাদি নানা জরূরী ইস্যু একটু ব্যাকস্টেজে আছে। সময় আস্লেই পুনরায় প্রস্ফুটিত হবে।

আবার এটাও যে,  ৫০-৬০ দিন ধরে মিডিয়া, কাগজ, বৈদ্যুতিন মাধ্যমের যাবতীয় দিনের পর দিন, কত শত শত মিডিয়া, জরূরী লেখা, সতর্কতা, রিপোর্ট যেন জল হয়ে ভেসে গেল।
বুঝতে পারছি, সমীক্ষাও বলছে, যতক্ষণ না মানব সমাজ আপনাকে (প্রেমিক/প্রেমিকা) প্রতিষেধক দিচ্ছে, আপনি অতৃপ্ত আত্মার মত আমাদের ভয় দেখাবেন।
যেন নিষ্কৃতি নাই।। অবনিও বেমক্কা খিল তুলিয়াছেন।
কি জ্বালা। যাই হোক, দায়িত্ববান নাগরিক দেরই যখন চুড়ান্ত দায়িত্ব নিতে হবে। মানে হাম লোগ হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়।
তাও কিন্তু কেউ জলদি গরম চাইছেন, আলু পিয়াজ, হোম, প্রার্থনা, লাঠির বাড়ি, দোকান বাজারে ভীড়, সে শ্যামনগর হোক বা মানিকতলা,  রাস্তায় বেরোলেই ওষুধের বন্দোবস্ত। বলো কার জন্য?
ভালো কথার এক কথা,
এরই মাঝে বাসন, খোল করতাল বাজিয়ে করোনা উৎসব পালন করেছি। এতে পরম উৎসাহ দেখা দিয়েছে। আমরা দেখতে পারছি, ডাক্তার, বদ্যি, নেতা নেত্রী সবাই কিরকম খুশী।
প্রমাণ হল, 'তোমার পতাকা যারে দাও, তারে বহিবারে দিও শক্তি।'
তাই যুক্তির খুশী কে ধরে রাখতে, এখন সামাণ্য অর্থেরও প্রয়োজন। মানবিকতারও প্রয়োজন। ডাক্তার দের সম্পূর্ণ সুরক্ষার কিট প্রয়োজন। ওষুধের জন্য কাচা মাল প্রয়োজন। চাওয়ার যেন শেষ নেই।
সব শেষে, নিজের সুরক্ষা এখন যখন নিজেকেই নেওয়া প্রয়োজন। এটাও আপনি বিলক্ষণ বোঝাতে  পেরেছেন যখন। তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Sunday, March 22, 2020

এটা কে বলবে। যে, এটাই
জ্যান্ত মানুষের অফুরন্ত শেষ পর্যন্ত সাহসে, ভালবেসে, 
আর টিকে থাকার অপার উৎসাহের কপালে, জিতে যাওয়ার টিপ দিতেই হবে। 

মনে রাখছি বেঁচে যাওয়া আর সুরক্ষিত থাকা টা এক ব্যাপার নয়। কোটি কোটির দেশে কিন্তু কোটি রাই দেশ। আবার একটা মানুষ ও দেশ। মহাদেশ। নিজের নিরাপত্তা তাকেও ঘাড়ে নিয়ে বয়ে বেড়াতে হয়। যাই হোক।

জানি তো ভাইরাসের মৃত্যু নেই। ভাইরাস আসবে যাবে।
মানুষ তাই রয়েই যাবে। 

রবীন্দ্রনাথের মৃতদেহ নিয়ে মিছিল দেখেছেন? মহাত্মা গান্ধীর?  আরো কত শত শত বিজ্ঞানী, বিপ্লবী, দার্শনিক, খেলোয়াড়, কাছের ভালবাসার বন্ধুর শেষ যাত্রায় পথে হেঁটে আমাদের যদি মনে না হয়ে থাকে, যে, দিয়ে যাওয়ার সময় টা আমাদের ও পেরোয় নি, তাহলে তো ঠিক দিকেই এগিয়ে চলেছি। 

উৎপাদন বন্ধ। কালো ধোঁয়া কমলো। নদী গাছ পাহাড় গুলো একটু রিলিফ ও তো পেলো। পৃথিবীর তাপমাত্রা তেও প্রভাব আসবে, আশা করা যায়। যায় না?

টাকা টাকা করে যাদের বুকে পাঁজরে ব্যাথা, নিশ্চিন্তের ব্যাংক ব্যালেন্সের কথা ভেবে, যাদের গালে খই, তাদের কথাও ভেবে দেখার মত। শুধু তাদের মত করে না ভাব্লেও হয়।

যাই হোক, এ মুহূর্তে কাশ্মীর, পাকিস্তান, CAA, NPR, NRC, ধর্ষণ, অর্থনীতি, ধর্ম ইত্যাদি নানা জরূরী ইস্যু একটু ব্যাকস্টেজে আছে। সময় আস্লেই পুনরায় প্রস্ফুটিত হবে। 

Friday, March 20, 2020

দুনিয়ার মানুষ এক হও।
সৌজন্যেঃ করোনা ভাইরাস।

প্রাণ ভরে বাঁচুন। আনন্দ করুন। তবে নিরাপদে থাকা, সচেতন থাকাই এ রোগের অশুধ।
ব্যাস এটাই।
 কিছু কাজের কথা বলে মজার প্রাসঙ্গিকতায় যাবো। (কেন যাব, কাকে বলছি, নিজেকে হয়ত?)

এ সময়ে, 
১. দয়া করে শিক্ষিত কর্মচারিদের সবেতন  ছুটি তে পাঠাবেন না। তাদের দিয়ে গাঁয়ে গঞ্জে প্রচার করালে ভালো হত। পরিচ্ছন্নতা, ঘরোয়া টোটকা, অহেতুক খাদ্য জিনিশ মজুত নজর, বাড়িতেই মাস্ক (N95 না হলেও চলবে) বা শরীর পরিচ্ছন্ন রাখার দাওয়াই তারাও ভাল দিতে পারতেন। 

Cleanliness is Godliness.

২. পঞ্চায়েত পৌরসভার স্বাস্থ্য কর্মী দের লোকাল স্বাস্থ্য (শুধুই স্বাস্থ্য) অভিযানে পাঠালে, পরিসংখ্যান টা কিছু টা পরিষ্কার হত। স্বাস্থ্যখাতে আগামী দিনে বাজেট যখন বাড়াতেই হবে।

৩. স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মানে হাসপাতালে অন্য জায়গায় এমনিতেই ডাক্তার বদ্যি সেবা দিতে হিমসিম খায়।

কত রোগী, অসুখী,  কত শত ব্যাপার।

তাই অহেতুক আতংকে ভীড় না বাড়ানোই বাঞ্ছনীয়। বেশির ভাগ লোকেই বোঝে। তাও কিছু লোকে বলবে পরিষেবা পাচ্ছে না, হয়তো সত্যি কিছু লোকে পাবে না। সেটাও জানা কথা। তাই পরিদর্শক বাড়ানো ও কঠোর আনুষঙ্গিক ব্যাবস্থাপনা কেও ফেলে রাখা উচিত নয়। 

এবার মজার প্রাসঙ্গিকতায় আসি।


১. অদূর ভবিষ্যতে, করোনা নিয়ে গোমুত্র, গোচনা, বাবা রামদেবের তাৎক্ষনিক টোটকা, বা মধ্যপ্রদেশে বিজেপি (শুধু বিজেপি বলছি কেন, কেন্দ্রে বলেই টার্গেট, আরতো কিছু দেখচি না, তাই, অন্য বাকি থাকলেও সেই এক কেস) প্রেমিদের আনন্দের ভীড় বা মন্ত্র, তন্ত্র, বা বাসনের ঠং ঠং শব্দ গুলো  শিক্ষার অষ্টম মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক সিলেবাসে লেখা থাকবে না। সময়ের গর্ভে হারিয়ে যাবে।

২. করোনা মানে সুর্যের রশ্মির যে ছটা, সেটাও +  ইটালি তে যে এ রোগ চিন কেও ছাড়িয়েছে, তথ্য বলছে, সেখানেই কিন্তু CORONA ল্যাটিন শব্দ, মানে CROWN, আসলে CORONA শব্দ টাই প্রাচীন, অদ্ভুত সব লেবেল, রোম, দ্য গ্রেট আলেকজান্ডার এবং এর থেকে CORONA+TION। মানে মুকুটাভিষিক্তকরণ। তাৎপর্যপূর কিনা জানি না। ইতিহাস কিন্তু এটাই বলছে।


'দুনিয়ার মানুষ এক হও।'
করোনা ভাইরাসের সাথে বসন্ত বাতাসে এ বার্তা টাও কিন্তু অলক্ষ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বাস করুন বা নাই করুন। মানব সভ্যতার উপর আক্রমণ এতদিন খুচখাচ হয়েই চলছিল। 

যুদ্ধ, ট্রাজেডি তা নিয়ে কমেডি, সুযোগের সদব্যবহার ও হয়েছে। তাও, জাপান হিরোসিমা ভোলে নি। আর করোনা নিয়েও গবেষনা চালিয়ে যাচ্ছে। ভাবা যায়। সেটা অন্য কথা।

তবে করোনা পৃথিবীর সমস্ত মানবস্তর কে ছুঁয়ে যে ফিল টা দিচ্ছে, নাট্যজগত থেকে এ সামগ্রিক ইহজগত আতংকিত, রোমাঞ্চিত এবং আশংকিত।

মানে দুনিয়ার যত জরূরি ইস্যু ছিল, কুপোকাত করে দিয়ে একাই মাঠ কাঁপাচ্ছে করোনা। প্রদীপ বাবুও সরে গেলেন। কি সুন্দর গলা আর কত ইতিহাস, থাক বাবা ম, বলতে গিয়ে জয়ন্ত ভট্যচার্জের কথা,চ্যানেলের কথা, সুমন জেলে আছে সেটাও চলে আসছে। ভুলে যেতে চাইছি।

মনে  ভক্তিরসে সম্মৃদ্ধ যারা, তাদের ছাড়া কাউকে বলতে শুনছি না, ভাই এমন টা কোরোনা। আমাদের ত্যাগ কর। ত্যাগেই মুক্তি। তুমিও ইশ্ব্ররের দান। হে ভগবান। 

1. এরই মাঝে CII মানে বনিক গোষ্ঠি বলছে প্রান্তিক মানুষ দের যাদের ব্যাংক একাউন্ট তৈরি হয়েছে। তাদের একাউন্টে হাজার পাচেক+ কেন্দ্র যেন  জমা করে দেয়। মানে এতে প্রধাণ্মন্ত্রীর সেই যে, কথাটা, কিছুটা যদি...

2. কিন্তু ভাল দিন আসবেই, এসে গেছে ভেবেই এগুনো ভাল। এতে বেকারত্ব, অর্থনীতি, হিন্দু মুসলিম, দিল্লি মৃত্যু, কাশ্মীর, ব্যাংক বিলগ্নিকরন, (এলাহাবাদ ব্যাংক লাইনে আছে) রেলওয়ে সবি ঠিক হবে। 

এত গাড়ো অন্ধকার হবার আগেই যখন, আলোর রোষনাই দেখছি, তখন ভয় কিসের? ভয় অনেক আসে, ভয়টাকে নির্বিষ করার উপায় যখন লড়াই চলছে, সেই বিশ্বাসেই চলে ঘটে চলমান, আবহকাল,
এটাই অনেকের  বিশ্বাস হয় না। 

যাক, আর কোনো ভয় নেই। (বলা ভুল তবু)

এখানে অন্ধকারে কমবয়সী গুপচুপ প্রেমালাপ টা থামলো। এর মানে আমাদের গলির মোড়ে লাইট দেওয়া হয়েছে। এতে বুড়ো বাচ্চা রাতে সামলে চলতে পারবে। এবড়ো খেবড়ো পথ, ওটা গা সওয়া হয়ে গ্যাছে। কিছু মনে করি না। যাই হোক। 

Friday, March 6, 2020

সময় সবার কাছে সমান নয়। কারো কাছে ভগবান, কারো কাছে অপেক্ষা। সময় কে কিন্তু চলতেই হয়।
আমিই শুধু বোকার মত। তাই তো? 
ভেবে দেখা টা প্রযোজ্য নয়। কিন্তু এটাই যদি সত্যি হয়! ভেবে দেখা টা দরকার?
সময় যখন স্থায়ী নয়, কি করে ফিরছি আর কি বা করে যাচ্ছি, কেন করছি, এ সেই মা বাপ সমাজ টাকে কে মিথ্যে ভূলিয়ে। দরকার মানে দরকারি কি বা করে কেন কি রকম হয়ে উঠছি, ভেবে দেখা একান্ত দরকার। না হলে যে মনুষ্য জন্মই। থাক বাবা। 

এদ্দিন বাদে কিন্তু 2g নেট কাশ্মীরে চালু হয়েছে বলে, সরকারি দাবী। বা মিডিয়া কে হাস্যস্পদ করে পুন্যপ্রসুন বাজপেয়ী বলছেন, মিস্টার এন্ড মিসেস মিডিয়া। ভাবা যায়। তিনি অনেক প্রতিষ্ঠিত নাম করা প্রতিষ্ঠানের নাম বলছেন, যারা দেনার দায়ে জর্জরিত। মানে হাজার হাজার কোটি কোটির খেলা। আর যাদের নিয়ে অনেক অনেক পরে আলোচনা হবে। কেন হবে? এ নিয়েই তার ক্ষেদ। যাই হোক। 
চলতে থাকবে আরো অনেক অনেক কোওপারেটর দ্বারা ব্যাংকের ব্যানারে গল্প।

বা বিশ্বাস। আর, 
,এটা কি, ধর্ম প্রচারের কারখানা? কি মনে হয়, সবি
কম বেশি বোঝা যায়, 


Thursday, March 5, 2020


আমি যেখানে অনেক দিন ধরে বাস করি, সেখানে মতই গড়ে উঠি। এতে আর নতুনত্ব কোথায়! কিন্তু পাঞ্জাব বিহার বা বাংলাদেশ থেকে আসার পরও সেই পুরনো ভাল অভ্যেস কে যখন লালন করি, সেটাই ফকিরি, লা ইলাহি।

যাই হোক,
দেখলাম, ইটালির গন্ড গ্রাম থেকে উঠে আসা হয়ে ওঠা আজকের আমেরিকান নাগরিক, যেযুবক, ফুটপাতে বসে শুকনো নেশায় হারাতে বসেছে। বা খুঁজে পেতে চাইছে শিশু বয়সে হারিয়ে যাওয়া মা কে। ফ্রান্সিস ডি কপোলা তাকেই গড ফাদারের কোনো এক চরিত্রের জন্য নির্বাচন করলেন।  আর নির্মাণ হল, ওটাই সব।
পরে তো দেখলাম, জানলাম, শুনলাম, সেই ই নাকি আল পাচিনো। অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা দের মধ্যে একজন। পরে বুঝলাম, এর ত সত্যি কথা বলতে বুক কেঁপে ওঠে না। এই কি সেই শ্রেষ্ঠতর, যাকে এ দেশে খুঁজে পাওয়া ভার। তবে ব্র্যান্ডোর কথা থাক। সেটা অন্য সে এক লেবেল।
দেশ টা আরেকটু আধুনিক হলে, আপনার সেই আলোচনায় অংশীদার হব, কথা দিলাম। 

যাই হোক
জানি জানি ভাবছি। আর না জানা টা যে পিছু নিচ্ছে। তাকেও ত জানতে চেষ্টা করতে হয় তাই ই ত সকলে করছি। তখন জানি না বা জানি টা কিন্তু একটু একটু করে দূরে সরে যাচ্ছে। তাই জানি বলাটা ঠিক মনে হচ্ছে না। 
যাই হোক, ধরবো ধরবো ভাবছি বা দেখবো দেখবো করছি, হোক তবে এটাই, কিন্তু জানা টাই যে, সেই নাগালে আসছে না। 

যাই হোক,
এ মুহূর্তে একটা সিনেমাও দেখতে চাইছি। যা হবে এদেশীয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর। কিন্তু হতে হবে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন। নাহঃ সেই লেবেলের টাও হল নাকো, বা পাচ্ছি না বা পেলাম না। 

যাই হোক,
এবারে আমি নারী পুরুষের শরীরের কোনখানে সর্বোচ্চ শক্তি লুকিয়ে থাকে, সেটাও খুঁজে পেতে চাইছি? না না, মানসিক নয়, খাঁটি শারিরিক! 
আসলে যেখানে সার্বিক সর্বোচ্চ আনন্দ, সেখানেই শক্তি স্বাচ্ছন্দ বোধ করবে, এ নিয়ে নির্বাক হওয়াটা  যে এ দেশেই এখুনো সম্ভব। এটাও স্বস্তি দিচ্ছে না। 

যাই হোক, 
আমাদের কাছে দিন রাত্রির ব্যাবধান ঘুঁচে গিয়েছে।   বা আমরাই সেই পরম মনুষ্য জাতি। যাকে সম্পদ বলতেও কুন্ঠিত নই। কারণ দেশের জাতির প্রতি পরম মনুষ্য লেবেল বিশ্বাস। 
তবু  এ জাতি কিন্তু সাপের মত সময় নিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে না। বা ব্যাঙের মত ডাকে না।  ময়ুরের মত দিনক্ষণ দেখেও নাচে না।
তবু রাত বিরেতেও পালটে গেছি। ডিজিটাল পাগলু ধাঁচের সেই নাঁচ বা নাচি, ক্ষনস্থায়ী কিন্তু, থামলে পরেও বাঁচি, 
আর  ইচ্ছে হলেই কিন্তু কিন্তু কিছু কিছু টিছু করে, অনেক জিনিশ টাই করে টরে ফেলে দিয়ে বেরিয়েও যাই। আর শিশুরা কেন, আমাদের মধ্যেও যেন, কেউ কেউ স্বপ্নেও হেসে ফেলি। ভাবা যায়! আর এ ভাবেই কিন্তু কিছু মনুষ্য জাতির মড়া কান্নাও রুখে দেওয়াও যে যায়, সেটা কেন ভেবে দেখি না। 

যাই হোক,
দেখতে দেখতে কতক টা পথ পেরিয়ে এসেছি। চলা টা বাকি না দেখে, বা কটা কাঁটা ফুটেছিল সেটা না ভেবেও যখন বেঁচে আছি, তখন বুঝতে হবে, দেওয়াটা ফুরিয়ে আসেনি। বা এটাই যদি দায় বলে ভাবি, সেটা অন্যায়, সুখের খোঁজে এত ছুটে সুখ এত বছরেও যখন ধরা দ্যায় নি, তখন, ইচ্ছে মন কে প্রশয় দিয়ে চলাটাতেই দায়বদ্ধ হতে ক্ষতি কোথায়? বুঝি বা বুঝি না, 
যাই হোক।  

Wednesday, March 4, 2020


ভাগ্গিস, সংবিধান টা কি লেবেলের আর কি শ্রমের বানানো হয়েছিল। (কিন্তু কেন, কে বা কারা এর পেছনে ছিল?)
যদিওবা আজো চেঁচামেচির সুযোগ পাচ্ছি।
যদি শুধু হিন্দু দের জন্য এ সংবিধাণ হত, তালে কি এই মিশ্র হিন্দু সরকারের এত লাফড়া হত, হত কি? হত না।
যদি বলি,  লাফড়া বলতে কি, সেটা আমি বুঝি না। ব্রাম্ভণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুদ্রতে আমি ভেদাভেদ করি না, তালে কি, ভেদাভেদ টা শুরু করা দরকার?

Monday, March 2, 2020

উপস্থিতিঃ
দুটো টুকরো কাগজে একই কথা লিখেছিলাম। একটা কে জ্বালিয়ে আরেক টা কে গোর দেওয়ার পর অনেক দিন কেটে গ্যাছে।
বুক ভরে শ্বাস, পেট পুরে ভাত খেয়েছি।
এখন মনে পড়ছে, কাগজ দুটোয় 'প্রাণ' লিখেছিলাম। কেন এটা করেছিলাম, জানি না।
বা
যে ফুল ফোটার শব্দ হয় না। সেটাও তো মন কে খুশী, দোলা না দিয়ে যায় না। তাহলে,
আর হৃদয় ভাঙার ও ত শব্দ নেই। তখন! অতীত কে একটি বারের জন্য হলেও বুকে আগলাতে মন চায় না? কেন এটা হয়?
যে, গাছের ডালেও কলম জুড়ে যায়। আর ফাঁসির  আদেশে কলম ভেঙে যায়।
বা অন্ধকার যত গভীর মাত্রা পায়, কিছু বসন্তের কোকিল ডেকেই ওঠে। চিল্লামিল্লি জুড়ে দ্যায়। আর কিছু তারাও খসে পড়ে। পড়বেই। 

Sunday, March 1, 2020

সরকারের আত্মা বলে কিছু হয়? বোধ হয়, হয় না। পুরোটাই দায়। তাই না?
দরকার, কিন্তু মানুষের সরকার। এটাও ভাবা দরকার। কিন্তু ভাবতে গেলে, ভেবে যে, অগা বগা জগা খিচুড়ি কেন পেকে যায়? পাকতে গিয়ে হঠাৎ করে সরকার কেন পড়ে যায়? 
মানুষ গুলো অমানুষই ছিল।
পরকিয়া, মরমিয়া,  সহজিয়া বা বোহেমিয়া এসব গুলোও হতে হয়। সহজিয়াই বা  মানুষ কি হতে পারে? হতে হয় দেখাতে হয়  বা সেই হয়ে যাওয়াটার জাত টা কে ক'জন ধরতে পারে মানে ধরে। বা সেই বিশুদ্ধ হাওয়া টাকেই বা কি করে ধরতে পারা যায়? বা ধরা যাচ্ছে না বলেই কি, বলছি আর কি! ধরবো ধরবো করছি, এটাও বা তাও ত বটেই ত।






Saturday, February 29, 2020

আহা কি নরম তুলতুলে কথা ছবি, ফুটছে যখন, তখন, ফুটুক।  খোলা মন শরীর তো।
 সেদ্ধ হচ্ছে। হোক। হোক না। হয়ে যাক। স্যাটাক।
এগুলো কে ফেলে দাও হাড়িতে, গরম জলেতে,
এদের কেই ত ছিঁড়ে ছু্ঁড়ে দিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া যায়। তেল লবণ লংকা যোগে, আসলে ছেঁড়া টাও অভ্যাসে আনা যায়।।
 মানুষ না মন ত, এবার বন মানুষ হয়ে দেখতে চায়।
হায় রে সময়,
কি সব দিন দেখায়।

Friday, February 28, 2020

মুসাফিরঃ
তোমার গল্প,
মুছে জেতে জেতেও যে মুছে যাচ্ছে না,
দিন আসছে, তাও সে ভোর হয়ে যাচ্ছে না।
সেটাই বা ক'জন,
সেজন, ভেবে পেরেছিল?
ভাবতে পারছে না।
এশর্ত বসন্তের ছিল,
মুকুল থেকে সবুজ পাতা ডুবে ছিল।
অনুরাগে, শাহিনবাগে, আজ আর ক'জন জাগে? ক'দিন জাগে?
কোন ভাগে, সময় কে বলেছি, প্রতিশ্রুতি,
বা আকুতি
মানে, আমরা কিন্তু হারছি না,
আর হারবো বলে বলছি না,
হেরেছি বলেই যে
এ লড়াই চালাচ্ছি,
বা লড়তে হবে তাই লড়ছি না,

আসলে অভ্যাসে অধিকার, অধিকার ছাড়া পিছু হটছি না।
হঠাতে কেউ পারবে না।
ভোর হতে গিয়েও তাই হবে না।
এমন সত্যি কেউ বলবে না।
আমরা পিছু হটছি না। হটব না।
মন দষার ব্যাপার, মনন নিয়ে গল্প, শেষ টা না দেখে ছাড়ছি না।

ধর্ম রাজনীতি লোভ অার  ক্ষমতা। এমন লেবেল, যে না আছে সভ্যতা, সমতা না সাম্যতা। কিন্তু মৃত্যুর অাগে পর্যন্ত কিছুতেই ব্যালেন্সে আসে না। এরা না কেউ কাউকে ভালোবাসে না।
দরকার ছিল না।  তাও জরূরী হয়ে উঠেছিল।
কেউ বলে নি। জোর করে নি।
জোর করে তাও জোর জার,
কিম্ভূতীমাকার
করে, লোক লজ্জ্বা খুয়ে, এটা সেটা হয়ে হাস্যস্পদ হয়ে,
চলতে হয়, চলাটা দায়, এরকম নাকি হতে হয়।
ভাবা যায়।।।


অথচ রাজনীতি বলতে আমি, বুঝি বা কত টুকু? সেটাই বুঝে উঠতে পারছি না।
হতে পারে, অতি সামাণ্যই বুঝি। দেখেছি উলু খাগড়ার প্রাণ যেতে। এতেও কি সাধারণ মানুষ সেই হাসি হাসে? তাও মানুষ রাজনীতি ভালবাসে।
কারণ যে, বেশি করে সাধারণ মানুষের ওঠাপড়ার কথাই লেখা থাকে। থাকে ভাল মানুষের বাস্তব জীবন চটকে চ +  চটকদারের বাংলো, চাড়ুকারিতা বা উচ্ছিন্নবৃত্তি। এটা বা এগুলোই মনে লাগে। তাই এ ক্লাসে সবাই ভর্ত্তী  হয় না।
একে অজ পাড়া গাঁ। তায় ধুলো, ফুল, পুকুর মাঠ গাছের দেশ।  উপরি আছে সেই হাফ প্যান্টুলুনে ছাত্রদের জ্ঞানভান্ডার।
তবে তা থেকেই যখন রাশি রাশি তথ্য ফল্গুধারার ন্যায়। শ্রেনি কক্ষ ভেসে গেল। ভৌগলিক স্যার অফিসঘরে এসে কাতর কন্ঠে , বিষ শুধু বিষ দাও, অমৃত চাই না।।
'হেড স্যারঃ তোমরা টিফিনে আমার ঘরে আইসো।'  আসতেই, উনি হাতেকলমে সরু লিকলিকে কঞ্চির কার্যকারিতা কি। বুঝিয়ে দিলেন।  সেটা অন্য কথা।
মানে এলাস্টিসিটি নিয়ে পরে আলোচনা হবে। পদার্থ বলে কথা। তবে স্বর্নালী কথা, যাই হোক।
আর, বাড়ি আসতে রক্তিম আভা
দেখে বুঝলাম,  পশ্চাদঅগ্র ভেবে কাজ করতে হয়।
আমি কিন্তু এগুলো কে মেলাতে পারি। অনেকে এসব নিয়ে ভালই খেলেও দ্যায়। কিন্তু ঠাকুর যে বলেছিলেন, মেলাবে মিলিবে, তবেই না। কিন্তু মানায় না। সত্যি বলছি।  আমি লেখা টার কথা বলছি।
আসলে,
অনেক দিন আগে থেকে আপ সরকার দিল্লী তে প্রশাষনিক ক্ষমতার রদবদল করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। দিল্লীর দাম্গায় এবার সামাণ্য রদবদল হতেই হবে।
বা ধরুন পশ্চিমবঙ্গ কে বাংলা করতে হবে। না না, এটা এখানে বেমানান।
তবে, কলকাতার পুরো ভোট আলোচনা। আনতে পারি। আনবো না। ইচ্ছে।
এই দেখুন না,  দোতলা ট্রাম এসে গেছে। কোলা খেতে খেতে লন্ডনী হাওয়ায় সেই কাছের মানুষটার বুকে মাথা রেখে চামর দোল...  খেতে একটু কিন্তু অপেক্ষা করতেই হবে।
তা একটু খোলা মেলা হলে ভালো হত না কি? কালো কালো কাচের ভেতর ভাল করে ভেতর টা তো দেখাই যাচ্ছে না।
আপনার বাড়িতে একটা ঘরে আগুন জ্বলছে। আর আপনি আরেক টা ঘরে অতিথি সৎকার করছেন। পারবেন তো? সইতেই পারে। মহান মানুষ দের এসব কতকিছু সইতে হয়।
আর এমন টা ত হয়েই থাকে। বড় বড় দেশের কেসে অক্লেশে এসব ছোট ছোট ব্যাপার হয়েই থাকে।
আর হ্যাঁ যদি ভালো ব্যাবসা চান। পারতে আপনাকে হবেই।  আরো ভালো বড় ব্যাবসা। হ্যাঁ ব্যবসাই তো।
কিন্তু নিজের কাছের মানুষ,  দেশের মানুষের জন্যই তো শপথ নিয়েছিলেন? শপথ টা অবশ্যই ভারত মাতার জন্য। ভারত মাতার সন্তান নাগরিক দের জন্য। পৃথিবীতে ৫০% গো মাংস সরবরাহকারি সেই ভারতবর্ষের জন্য।
আচ্ছা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজের দেশে এটা হলে, অতিথি সৎকার ক্যামন হত। হত কি? একটু ভাবুন। আরো ভাবুন।
গান্ধীজীর মত লোক টোক আর বেঁচে নেই। আমরা তো আছি। জগদ্দল কাঁকিনাড়া তো আছে। এসব ভেবে কিন্তু প্লিস মস্করা করবেন না।
ভেবে দেখুন,
ফুল ফোটে, ফোটার শব্দ হয় না। শরীর থেকে রক্ত ছুটলে তার ও শব্দ নেই। মন জুড়লে ভাঙলে তারই বা শব্দ কোথায়? কিন্তু এগুলোয় অনেক কিছু এসে যায়। মন বলে বস্তুটায় দাগ হয়ে যায়।
তবে লিখে রেখে দিন। একদিন প্রধাণ আবার কাঁদবেন। যেমন টা সাফাইওলার পা মুছে দিয়েছিলেন। বা চৌকিদার হয়ে ওঠা। অনেক টা ত্যামনি। আসলে এগুলো করতে হয়। সবাই কেই করতে হয়। একটু রকম ফের। এই আর কি। সাধারণ মানুষ কঠিন বুলি বোঝে না। তাই ঝুলি থেকে নিত্যনতুন লজেন টজেন। দেখুন না গুটি কয়েক রাজ্যে হিন্দুর বাস। ওরা ওখানে সংখ্যালঘু। নাহঃ সে আলোচনা এখন থাক।বিশ্বাস টাই যখন সব। আর আমাদের সেই গৌরবময় অতীত।  যা ঠাকুমা শুনিয়েছিলেন। সেই মন কাড়া রূপকথার গল্প গুলো। আসলে, এসব অতীত বড্ড অতীত। কিন্তু একটু অনুগ্রহ করে ভাবুন,  যেগুলো  হতে দেওয়া হচ্ছে, হয়ে যাচ্ছে, তার অংশীদার কিন্তু আমরা সবাই। কোনো না কোনো ভাবে। ভাব সম্প্রসারণ  করাটা এজন্যও হয়ত শেখানো হয়েছিল।

Monday, February 24, 2020

মন মানেই সুন্দর। সুন্দর, মনেতে বাস করে। সেই একটা মাত্র মন, এখানে সে ঘর করে। তারপর সুন্দর বড় হয়। সুজন থেকে তেতুল পাতায় সহস্র জন। হায় রে মন।  একটার পর একটা মন কে ঠাঁই দিতে দিতে, মন চায়, ঘর খাঁচা পাল্লা খুলে  উড়ি।
আর উড়তে গিয়ে দেখি কত আলো। কি ভালো। 

আলো। এবার ধরুন, আপনি একমুঠো আলো মনের ভেতরে ছুড়ে দিলেন। ফিরে এলো না। আবার ছুঁড়লেন, বার বার ছুঁড়লেন, ফিরে আসছে না। 

এতে সন্দেহ জাগে। অন্ধকার সব গ্রাস করে ন্যায় নি তো? নিচ্ছে না তো? বা আলো ভেবে মনের অন্ধকারে, নিজেই বাস করছি না তো? 

সন্দেহ হয়, আলোকপথের যাত্রী যারা, তাদের কেই অনুসরণ করছি তো? এটাও ভাবছি, অনুসরণ করা কতটা দরকার? হতেই পারে, নিজের পিছু নিতে গিয়ে, কিছু ভূল থেকেই যাচ্ছে। যা চিন্তা যোগাচ্ছে। 

আসলে, আমাদের আকাশ চির টা কাল রঙীন। রঙে রঙে মাতিয়ে দিতে চায়। ভাবনা টাও ত্যামন।
না আছে পাখির পালক। না আছে, তিষ্ঠানো। শুধুই দৌঁড়ানো। দৌঁড়তে থাকো। 


Thursday, February 13, 2020


গুগলি
হাওয়া চলছে। মনের হাওয়া।
এ হাওয়ায় কতবার কথার ফুল ফল হয়ে পেকে পুকে ধরে যে ফুরিয়ে গেল। ফুরুস ফুলের ও আসার সময় এলো।
এত মনেরই ফুল। ফুটছে যখন। ফুটুক। ফুটে টুটে ফাটকা না হয়ে প্রস্ফুটিত হয়ে উঠুক। মন্দ কি?
আর
যেমন করেই ভাবি না কেন, বলতে পারার মত বলা বা হওয়া টা যখন ঠিক, হয়ে উঠতে পারা যাচ্ছে না।
তাই হাসিও পাচ্ছে। আবার না হেসেও থাকতে পারা যাচ্ছে না।
বেদম হাসি হাসবো হাসবো করছি, কিন্তু মুখ টিপে হেসে ত ফেলছি। মানে মনে মনে হাসা টা কঠিন ব্যাপার। তাও হাসি টা চেপে রাখা যাচ্ছে না। যখন। তখন, কি করা উচিত? আরেক বার? মানে হেসে ফেলে দেওয়া কি উচিত হবে? সেটাও পারছি না। তাই না হেসে, থাকা টাও উচিত বলে মনে হচ্ছে না।
কিন্তু আজকের চোদ্দোর গদ্যে অনেক প্রেমিকের খসবে! খসা টা তারা হলে, থাক, খসা টা খসাই থেকে ইতিহাস হয়ে যাক। অসুবিধে ক্ষতি কিছু নেই। ইতিহাসেও এ নিয়ে ত্যামন কিছু বিড়ম্বনা দুঃক্ষ নেই। চালিয়ে চলতে পারাটাই সব,
NRC CAA তো হচ্ছে না। ব্যাস। তালেই হবে।
তবু কিন্তু আছে।
তাও কিন্তু লেগে থাকতে হবে। কারণ, এর আগে তো সব ভোঁ ভাঁ। নিজেকে ব্যাস্ত না রাখলে চলবে কেন?
আসলে, এত কথার মাঝখানে কোথাও যেন গোলমাল লাগছে?
দেখচি, স্কুলের পরিচালন সমিতি? স্কুলে স্কুলে ক'বার শিক্ষা মন্ত্রীর ভিসিট? বা বন্ধ কারখানায় ক'টা লেবেলের লোকে এলো। বা আমার পাড়ার মোড়? 😁😁।
www.westbengalevent.blogspot.com

Saturday, January 11, 2020

ভালো হয়ে গেছি,
ভালো টা যে ছিল,
বেঁধে মন চেপে, ফুটফুটে আগুন, 
মন ভালো করে দিল।
কথাগুলো শুনে, আসলে মনে লেগেছিল,
ঘুম খাওয়া দাওয়া আজব হয়েছিল।
ভালো যে সে বাসা, ওটাই বড় খাঁসা
গোঁসা করি মিছে, ভালো টা যে দষা।
আশা নিয়ে বাঁচি, ভুলি মশা মাছি,
বৃথা চেঁচামেঁচি, এই ভালো আছি।
ভালো হয়ে গেছি, ভালো হওয়াটা ছিল,
ভালো করে ভাবি, কি যেন বাকি ছিল?

সেটা শেষ পাত্তিঃ

গরম কালে, 'একটি বিরাট প্রতিযোগিতা' নাম দিয়ে রাত দুপুরে ছোট্ট  মাঠে পিং পিং, ফুটবল খেলা হত। এখুনো হয়। ঠান্ডায় ব্যাডমিনটন। টিং টং। এটাই আসলে বড় কথা, তা কিন্তু নয়।

মাঠ বড় হলে, বিরাট প্রতিযোগিতায়
স্বপ্ন মেধার ঘোড়াও কাজে লাগানো হয়।
দৌঁড়া বেটা, ছোট কত জোরে পারিস ছোট। ভয় কি?
অভ্যাস বশতঃ ঘোড়াগুলো ছুটতে থাকে। স্বপ্নমেধার ঘোড়াগুলো অতশত বোঝে না। চোখে কি একটা লাগানো। শুধু সামনে টাই দেখা যায়। ওই যে বাতাস কেটে দৌড়, এর চে বেশি ভাবতে চায় না। ভাবতে চায় না, কে বা কারা এ নিয়ে অভ্যাসের বাজি খেলছে। ভালো করে কেশরের রঙ দেখে শাফল করে বেশ গুছিয়ে তাস ফেলছে।

কোথাও লেখা নেই যে, শেষ তাস কে ফেলবে? তাই তার আগে পর্যন্ত স্বপ্নমেধা খোর ঘোড়াগুলো কে ছুটতে হবে। বা এটাই শর্ত কিনা!
ঘোড়া গুলো একে অপরের দিকে তাকিয়ে কেশর ঝাঁকায়। লেজ আছড়ায়। আর খুব দৌঁড়ায়।
দৌড়তে হয়৷ দৌড়ানো টা মজ্জায়।
তাই।

Saturday, January 4, 2020

আজকে রবিবার। খুব ভালো দিন। দেরি করে ওঠার দিন।
অনেকের আজ ছুটি থাকে। বাজারে ভীড় বেশি হয়। অনেকে মাংস কেনে। মাছ কেনে। ডিম কেনে। গরম কচুরি খায়। কিছু বাজারের ব্যাগ থেকে পিঁয়াজকলি বেরিয়ে থাকে। শাক টাক, সজনে ডাঁটা বেরিয়ে থাকে।
গতকাল টাও ভালো দিন ছিল। আজ আকাশ মেঘলা করে আছে। পাখি ডাকছে। কা কা, পিড়িক পিড়িক। কুয়াশা খানিক আছে। ঠান্ডা মোটামুটি একরকম। জাঁকিয়ে মোটেই না।

ভজ গৌরাঙ্গর দেরি সয় না। ভোরেই গঙ্গায় ডুব দিয়ে এসেছেন। ওনাকে যেতে হবে ভট্টপাড়ায়। কীর্ত্তন আছে। উনি এখন কপালে ইংরেজি ইউ এর মত ফোঁটা টানছেন। সামনের ২৬-শে বড় পালা। নতুন বাঁধা গান গুনগুন করছেন।

রাধে তুমি আসবে বলে,
মন ফেলছো ক্যামন ফাঁদে,
নিতাই তোমায় হরি বলে,
বৈকুন্ঠ মন যে কান্দে।
সন্ধে সকাল দিন ভুলে,
মন আশায় বাঁধে ঘর,
চোখের জলে ভাসিয়ে ওগো,
কাটে কত প্রহর।

কই গো চা টা দেবে!
রান্নাঘর থেকে, এই যে যাই গো। দু'টো লুচি ভেজেই দিচ্ছি।

ভজগৌরাঙ্গর ছেলে কুশল। ওর মেজো কাকা জাপান থেকে নতুন ক্যামেরা পাঠিয়েছেন। ওটাই নিয়ে এখন ছাদে। পাখিদের দিকে তাক করলেই উড়ে যাচ্ছে।  সামনের সংক্রান্তি তে ও বন্ধুদের নিয়ে যাবে গঙ্গাসাগরে। চক্রবর্তী স্যারের একটা ওয়ার্কশপ আছে।
চক্রবর্তী স্যার কে সবাই ভালোবাসে। উনি আবার পার্টি ভালোবাসেন। উনি নতুন করে ভাবতে বলেন। উনি বলেন তিনি বেশ আছেন।

Thursday, January 2, 2020




Blog Archive

নিজের ডিভাইস কে ভাইরাস মুক্ত করতে

নিজের ডিভাইস কে ভাইরাস মুক্ত করতে
ক্যাসপারস্কাই