West bengal Important Links
আনন্দবাজার পত্রিকা http://www.anandabazar.com/ *********এই সময় http://eisamay.indiatimes.com/ *********বর্তমানhttp://www.bartamanpatrika.com/ ********* সংবাদ প্রতিদিনhttp://www.sangbadpratidin.in/ ********* আজকালhttp://www.aajkaal.net/ ********* এবেলাhttp://www.ebela.in/
********* কর্ম সংস্থানhttp://www.karmosangsthan.com/ ********* কর্মক্ষেত্রhttp://www.ekarmakshetra.com/ ********* ফ্রেশারসওয়ার্ল্ডhttp://www.freshersworld.com/ *********টোয়েটি নাইনটিনhttp://www.twenty19.com/ ********* ভ্রমণhttp://www.bhraman.com/ ********* উইকিপিডিয়াতে বাংলাhttp://en.wikipedia.org/wiki/Bengali_language
Wednesday, February 7, 2018
Friday, January 12, 2018
#হরিদ্বার
প্রাচীন ক্ষেত্র নিয়ে আমার একটু দুর্বলতা আছে। হরিদ্বার তো সাধু সন্ন্যাসীদের আখড়া। শুনেছি, অনেক গহীন গোপন জ্ঞানের হদিশ এদের থেকে পাওয়া যায়।
এখানেই শীলজিতের পরিচয় পেলাম। মানে শিলাজিৎ। সামান্য একটু জলে মিশিয়ে খাবার অভিজ্ঞতাও হল। গহীন জঙ্গলে পাহাড়ের গায়ে পিচের মত লেগে থাকে। ইংরেজিতে বলে মাউন্টেন টার। জলে মিশলে গলে যায়। টানলে লম্বা হয়ে যায় কালো শক্ত মাখা ময়দার মত। ঠুকলে আবার ভেঙেও যায়। শোনা যায় মুঘল আমলে এর খুব ব্যবহার ছিল। সেক্স বৃদ্ধি ছাড়াও অনেক শারীরিক কাজে এর ব্যাবহার অতি প্রাচীন।
আরেক টা জিনিস দেখলাম, কস্তুরী। হরিণের নাভির অংশ। কাপড়ের বস্তার তলায় রেখে দাও। বহুদিন মিষ্টি গন্ধ থেকে যাবে। হাতের ওপর তালুতে সামান্য ঘষে দিয়ে ছিল। সে গন্ধ দুদিন ছিল।
বাঙালী আছে অনেক অনেক। আর আছে হিন্দুস্তানি, পাঞ্জাবি, তামিল, মাড়োয়ারি নানা জাতি। আলুর পরোটা, লুচি, মিষ্টি, পেড়া, ভুজিয়া খুব চলে। এখানে পাহাড়ের মাঝ দিয়ে বরফ গলা গঙ্গার জল, যার তীব্র স্রোত। চেন ঝোলানোই আছে, ধরে ডুব দাও। সাত জন্মের পাপ মুক্তি।
এখানে নিরামিষ দাদা বৌদির খাবার হোটেলি দশটার ওপরে। নিরামিষ মাসির হোটেলও আছে। যা হোক, নিরামিষ মানিক মুখার্জির (1939) দাদা বৌদির হোটেলে, 70 টাকা মিল সিস্টেম। দেরাদুন রাইস, ডাল, বেগুনি, পঞ্চারত্ন কারী, সুক্ত, আলুপোস্ট, এচোড়, পাঁপড়, চাটনি, রসগোল্লা সবই পাবেন। তবে মাঝের কিছু আইটেম মালিক নিজে নিয়ে আসবে, আপনার না বলা সত্ত্বেও, পাকোড়া আইসক্রিম, স্পেশাল কারী। বললেই টুপ করে দিয়ে, হিসাবে আলাদা জুড়ে দেবে।
হোটেল আছে প্রচুর। আর ধর্মশালাও ভালো। গ্রূপে থাকলে খরচ কম। এখন শীত ৬-৯ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরা ফেরা করছে। রাতে ইতি উতি মোটা কাঠের আগুনে দুস্থ আগুন পোহাচ্ছে। গাঁজাও চলছে বটে। এখানে মানুষের খাবার অভাব আজো হয় না। হর-কি-পউড়ির কাছে বিকিকিনি তীব্র। গঙ্গা জলের পাত্র, প্রদীপ ফুল মায় গরিব দুস্থ দের খাওয়ানোর জন্যও মার্কেটিং চলছে। আমাকে দিয়ে পুন্য করানোর জন্য অনেকে ছাতা ধারী ব্রাহ্মন অনুরোধ করেছে। জলে পাঁচ ছয় ডুব দিলাম। নামতে পা বেশ কনকন করে উঠেছিল। পরে একটু সয়ে যায়।
সন্ধে বেলায় গঙ্গা তীরে সন্ধ্যারতি দেখলাম। রীনা বললো, বেনারসের টা এর চেয়ে ভালো। অনুরাধা পাড়োয়ালের গান 'অম জয় গাঙ্গে' আজো বাজছে।
Friday, December 8, 2017
বর্গভীমা, তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর
সামান্য সূত্রে সেই সুদূর শ্যামনগর থেকে এখানে আসা। নিরামিষের নিয়মিত দৌরাত্বে জিভ বিদ্রোহী হয়ে উঠে ছিল। এবার আর নয়, নিদেন পক্ষে মাছের ঝোল ভাত এবার চাই-ই চাই। পাশেই হোটেলে বলে রেখে , চললাম, মন্দির দর্শনে। ওমা, কি পরিছন্ন রে বাবা। আর নেতাজী সুভাষ, প্রেমানন্দজী মহারাজ এদের পদধূলী এখানে পড়েছে। দেখলাম নানা জনে বসে পড়েছে, ভোগ খাওয়ানো হবে। দেবী বর্গভীমার দর্শন আগেই সেরে নিয়েছি। তা আমরাই বা বাদ যাই কেন। পড়লাম বসে। এইবার নুন, লেবু, পোস্ত দিয়ে আলু ভাজা, ঘ্যাট, কপি চিংড়ী হ্যা আপনি ঠিক ই পড়ছেন। চিংড়ি, এরপর এলো গোটা গোটা বড় কাটা পোনা, তারপর ইলিশ বাপরে। আমার তো আক্কেল গুড়ুম। যা ভেবেছি। একজন বয়স্ক কালো চোপকান পরা কাছে এসে বিনীত ভাবে জিগালো: আপনারা?বরপক্ষ না কন্যাপক্ষ? নয়ন বরপক্ষ বলতে যাবে, পুরোটা বলার আগেই, আমি বলে ফেললাম, কলকাতা থেকে? বেড়াতে, উদ্দেশ্য নেহাতই ভোগ করা, মানে মানে, বুঝতেই তো পারছেন, এমন ভোগের উদ্দেশ্য নিয়ে, বসি. . .উনি কিছু একটা ভেবে, নানা ঠিক আছে ঠিক আছে। এরপর আর কি, খাবো কি? পেটে খিল ধরে আসছিলো। এ তুমি কি করলে মা? যা হোক পায়েস, চাটনী, মিস্টি খেয়ে তৃপ্তি নিয়ে উঠে এলাম। মনে মনে বর কনেকে আশীর্ব্বাদ দিতে ভুলিনি।
এখানে জনশ্রুতি আছে, যে, মায়ের দুয়ারে অতৃপ্ত মনে গেলে, তিনি তাকে তৃপ্তি দেন। এখন কথা হল, আমাদের সামান্য মৎস প্রীতি মা বর্গভিমাই কি পূর্ন করে দিলো?
প্রিয় বন্ধু, আপনার একটু মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছি।
প্রথমেই স্বীকার করে নিচ্ছি যে, আমাদের বাড়িতে আমি নিজে ইন্সপেকশন করলে, বলতাম, আপনাকে 10 দিন সময় দিলাম।
ভাবনা টা এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না
কিছুক্ষনের জন্য, যদি মরে যেতাম। অনেকেই অন্যায় ভাবে মরছে। না হয় মরে গেলাম বিশেষ কিছু ক্ষতি তো দেখতে পাচ্ছি না। আসলে খুবই লজ্জা করছে। নিজের জন্য, যখন ভাবনা গুলো কুরে কুরে খাচ্ছে। হয়তো আমাকে দিয়েই শুরু করতে হবে। charity begins at home. তবু, দেশেই তো বাস করি, জঙ্গল হলে অন্য কথা। আসলে বছর শেষ হয়ে আসছে, কি পেলাম কি দিলামের ভাবনা টা. . .
দেশ, কাল, সময়
মনে পড়ছে, কেজরিওয়াল, মুখ্যমন্ত্রী, ওনার উপস্থিতিতেই আত্মহত্যা সংঘঠিত হল। মনে পড়ছে, দিল্লি তে, সাউথের কৃষক রা আত্মাহুতি দিচ্ছে। সন্দেহ হচ্ছে, এটাই সেই কালো শতাব্দী নয় তো?
ডিজিটাল যুগ। একে আমি রীতিমত ভয় পাচ্ছি। কত কম খরচে জিও, ফোর জি। শিশুরা সহজেই ইউটিউব খুলে কার্টুন দেখছে। আপনার অনুপস্থিতিতে আপনার অজান্তে আর কি কি দেখে ফেলছে, আর ঘটিয়ে ফেলছে। তার দায় সরকারের নয়। অশিক্ষার কারণে অপব্যাবহার ধোপেই টিকবে না। হাজার একটা application. আপনার পছন্দ, অপছন্দ, কল লিস্ট, ঠিকানা, গলার স্বর, আপনার অনুমতি ছাড়াই ছবি ইত্যাদি যে misuse হচ্ছে না, এটা কেউ গ্যারান্টি দিতে পারবে। হলেও বা কি। আপনি আমি কি করতে পারি, তার কোন সহজ উপায় আছে কি? আর যারা dark web এ ডুবে আছে, তাদের কথা তো বাদ ই দিলাম। মনে পড়ে দুমাস আগেই জার্মানী থেকে পুলিশ এসে সল্টলেক থেকে দুটো young ছোকরা কে ধরে নিয়ে গেল।
নতুন উঠেছে, লাভ জিহাদ। কি ভয়ঙ্কর! ধর্ম প্রতিষ্ঠার নামে এসব কি হচ্ছে স্যার! প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আপনি তো বিলক্ষণ জানেন, হয়তো বলবেন , খবর নিয়ে দেখছি। কিন্তু লাভ জিহাদের পক্ষে কটা যুক্তি গ্রাহ্য কারণ আছে? যার জন্য পরিষদ এ মহান বিপ্লবের সূচনা করলেন? এটাও তো এক প্রকার গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিপ্লব, তাই নয় কি? যেদিকে তাকাচ্ছি, সেদিকেই খালি ধর্ম ধর্মে খেয়া খেয়ি। আগেও তো ছিল। বাট ইতনা বড় চড় কে তো উড়ছিল না। আমি অত্যন্ত লজ্জিত, কারণ, কল্যাণ সিংহ (যিনি বাবরি মসজিদ ধূলিসাৎ এ জড়িত) কে আপনারা রাজ্যপাল বানিয়েছেন। আপনাদের পার্টি চিফ, তার আশীর্বাদ নিচ্ছেন। এসবের মানে কি। গতকাল ও একটা ভিডিও দেখলাম, প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, আসারাম বাপুর সঙ্গে ভজন গাইছে। হয়তো পুরোনো, কিন্তু এসব কান্ডকারখানা মোটেও সুখকর নয়।
আমার কেন জানি না, এরম ফিল আসছে যে, দেশের প্রত্যেক রাজ্যে যোগী আদিত্যনাথের মত মুখ্যমন্ত্রী আপনারা প্রতিষ্টিত করতে চান। হাল চাল দেখে এটাও মনে হচ্ছে যে, plenipotentiary মানে বার্চস্য মানে দেশ হবে সম্পূর্ন হিন্দু মালিকানাধীন, এমন টাই যেন উদ্দেশ্য। তারমানে ধর্ম লড়াই চলবেই। কিন্তু মানুষ মৃত্যুতেই আমার যত আপত্তি। অথচ, এড়ানোর উপায় নিয়ে ভাবছি। বাবরী মসজিদ ধূলিসাৎ আপনাদের বিবেচনায় সঠিক সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্ত নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। কিন্তু কত শত সাধারণ মানুষ এই রাজনীতি আর ধর্মীয় কারণে মরে যায়, আমার মনে পড়ছে ইন্দিরা গান্ধী কে নৃশংস হত্যার কারণে কত শত সাধারণ মারা গিয়েছিল। আমার মনে পড়ছে, তৃণমূলের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে চড় মারার জন্য, ছেলেটির পরিণতি কি হয়েছিল। তবু ভারতবর্ষ আমার সংযমী দেশ। দুঃখ প্রকাশ করে। জনসাধারণের টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ এর ব্যাবস্থা করে। ডিজিটাল হয়ে একটা সুবিধা হয়েছে, দশদিকের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তাতে একটা পসিটিভ বার্তা নিশ্চই পাই, নেতাদের অধিকাংশই সত্যি মানুষের জন্য কাজ করেন। কিন্ত অজান্তে নেহাতই ভুল ভ্রান্তি তা, তার জন্য সাধারণ কে বড় বড় গুনাগার দিতে হয়।
কোথাও জেনে ছিলাম, স্বদেশে পূজ্যতে রাজা. . . আর এখানে ঠগ বাছতে গাঁ যে উজাড় হয়ে গেল। যাদের দেওয়া হয়েছে, বৈঠা বইতে, তারা জল না কেটে আমার আপনার মাথাতেই সেই বৈঠা ভাঙতে উদ্দত। এখানে মন্ত্রী মশাই খুল্লম খুল্লা বলছেন, খাও ভাই ভাগ করে খাও। দিল খুলে টাকার হের ফের, তবু আমি ভালই আছি। নির্লজ্জের মত ঢাক পেটাচ্ছে। উৎসবে উৎসবে দেশ কাল সময়ে এই যে ফুল মার্ক্স পাবার চেষ্টা, তা হয়তো অদৃষ্টের পরীক্ষক সঠিক সময়ে সঠিক মূল্যায়ন করবে।
Friday, October 27, 2017
সরকারি/ বেসরকারি/ ব্যাবসা।
মোটামুটি ভাবে কাজের জায়গা টা এই তিনটে।
সবাই যেখানে নিজেকে বা নিজের পরিবার, বন্ধু, সে, ক্রাশ ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত। অনেকে সরকারের নেতা, নেত্রী কে কি ভুল বললো, কোথায় গোলমাল এসব নিয়েও বিন্দাস আছে। বেড়ানো, খাওয়া, অভাব, আনন্দ, অভিযোগ নানা ফন্দি ফিকির। কারণ, অকারণ। আমি তুমিও কম বেশী সামিল।
সব্বাই হয়তো নয় তবু, কম ব্যাস্ত যারা, তাদের কথা ভাবতে বসেছি। হয়তো নিজেকেই কাটা ছেড়া করছি। বাতাসে বেকারত্বের গন্ধ মম করছে। ভালোই পাচ্ছি জানো? সাক্ষাতে, ফোনে, নানা মিডিয়ায় জানচিও অনেক। তারই জন্য এ লেখা। আর এ বেকারত্ব টাকে আমি নাম দিয়েছি self made unemployment. আসে পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা যুবক/যুবতী দের তো দেখছি, ভাবছি আমিও তো তাদের মতই একজন ছিলাম। হয়তো আছি।
এই করব ওই করব, এটা শিখছি, ওটা শিখছি, আসলে কি ভাবে যেন ভেসে বেড়াচ্ছি। জানিই না কোথায় যেতে হবে। সহজ সরল গতে বাঁধা একটা প্রক্রিয়া। যে কোন একটা স্থায়ী কাজ (ব্যাস আমায় কে পায়?)পেয়ে পয়সা জমানো, বেড়ানো, এট্টু ফূর্তি, বিয়ে, সংসার:এসবের মধ্যেই valuable কিছু স্মৃতি স্মৃতি খেলা চলবে, তারপর ফুড়ুৎ করে প্রাণ বায়ু বেরিয়ে গেল।
নানা পাটেকরের মত বলতে হয়, কেন এসে ছিলাম জানা নেই, কি করছি জানা নেই, অভিভাবকহীন মনের ঘোড়া নিজের মনে ছুটে চলেছে।
খারাপ লাগছে বলতে তবু, মনে হয় দেশের ৭৫% যুবক/যুবতী জানেই না, কোনটা তার পক্ষে উপযুক্ত। মানে, জানেই না, কোন কাজ আসলে তার প্রকৃতই ভালো লাগে। কোন কাজ টা নিয়ে পড়ে থাকলে সত্যি জীবন স্বার্থক। সত্যিই জানা নেই। কাজের জায়গাটায় শুধুই ধোঁয়া। বুকে হাত দিয়ে বলার মত ধক বা গাটস কজনের আছে, যে বলবে, আমি এটাই করে ছাড়বো আমৃত্যু।
স্নাতক, এইচ এস পাস, অনেকে আবার মাস্টার ডিগ্রি, তারপর কি হবে। টিচার হব, দোকানে ঢুকব বা কিছু একটা জুটিয়ে ফেলবো। এইতো চলছে। মানে নিজেই নিজের আগামী দিনের রাস্তা টাকে ছোট করে ফেলার সহজ মূল্যবোধ। না না রুষ্ট হোয়ো না। এখানে কারোর দোষ দেখছি না। আমি বলতে চাইছি, যুবক/যুবতী নিজের সম্বন্ধে পরিষ্কার নয়, যেমন টা আমি, আসলে ভালো টা কিসে লাগবে বা লাগে, জানিই না, তাই নয় কি? কোনটা সে ক্লান্তিহীন ভাবে করতে পারে। তবু আরো সেটাই করতে চায়। কি ধরণের কাজে তার নেশা আছে?
হাজার হাজার কাজের সুযোগ রয়েছে, কিন্তু নিজের প্রকৃত পছন্দ টাই তো ভুলে মেরে দিয়েছি/দিয়েছে। ছোট কাজ, বড় কাজ কাজের জাত নিয়ে ভাবতে বসেছি। সবজি বিক্রেতার ছেলে উচ্চ পদে কাজ করছে বলে, উচ্চ পদের ছেলে কি আবার সবজি বিক্রি করলে ছোট হয়ে যায়। হয়তো স্নাতক হয়েও ওর বাগান তৈরি, সবজি প্রতি ওপর স্নেহ।
দুঃখ হচ্ছে বড্ড, ওপরে কি করছে সেই ভাবনাতেই কালাতিপাত। নিজের প্রিয় রং, খাদ্য, ফুল, প্রিয় অভ্যেস নিয়ে কজন ভাবে বা জানে? কি করলে নিজেকে সেরা ভালোবাসা হবে, কিরম কথা বললে নিজেকে সম্মান দেওয়া হবে, সেটাই বিচার্য।
মিডিয়কার দের এই না জানাই তুমুল সমস্যা। কিন্তু এটা কেন? এটা কি আজো বোঝা গেল না?
বেকার দের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যের সঠিক অভাব।দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সেরকম পরিকাঠামো থাকলেও উপযুক্ত পর্যাপ্ত শিক্ষক/শিক্ষিকা/অভিভাবক সম নেতার অভাব অনুভব করছি। যারা এই যুবক/যুবতী দের সঠিক দিশা দেখাবে। এবং বিস্বাস করতে বাধ্য করাবে, যে প্রত্যেকের মধ্যেই পটেনশিয়াল আছে।
#বেকার #youth #india #westbengal
Tuesday, October 24, 2017
Sunday, October 22, 2017
Thursday, October 12, 2017
সুতরাং লেখাটাও গণতান্ত্রিক, উৎসর্গ তোমায়।
শূন্যের আত্মশ্লাঘাশূন্য, গনতন্ত্র, ফিউশন
আমাকে '০' দিও।
আমি তারই মাঝে জাল বুনবো।
বুনতে বুনতে বুনতে বুনতে
ফিউশন
নয়তো জল হয়ে যাব।
তৃষ্ণা পেলে, '০' ফিরিয়ে নিও।
বরং ভুলে যেও।
নয়তো
আমাকে '০' দাও
আমি তোমায় '১' দেব।
'১০' দেশে '১০' রকম কথা হবে
অন্ধকার টাও নিতে হবে
বেঁচে থাকবে সংস্কার
দশে মিলে ফেলবো গুটি
জন্ম দেব দশাবতার।
আর '০' যখন বেসামাল
'০' -এর পাশে '০,' তার পাশে '০,' আবারো '০'
এভাবেই চলতে থাকে।
না গন্ধ, রূপ না বর্ন,
উপকথাকার ছবি আঁকে,
দাও জাতির পেছনে '০'
বাকিটা ভেজাল।
'০' -এর মজা
কোথাও কোথাও ফিসফাস,
রাখ রাখ ঢাক ঢাক না করেই
বলছে, '০' র - নাকি বুনো মাদী গন্ধ,
মাদক পাতা না পানীয়
চিবোতে হবে, না, সেবনীয়।
হয়তো স্বজাতীয়, বিজাতীয়,
হবে একটা
তোয়াক্কা না করেই
অংক কষে ফেলছে।
এটা বর্জনীয়,
'০' তাই
আঁছড়ে পড়ছে।
(আর এটা সত্যি, তাই, শূন্যের আসা যাওয়াটাও ক্ষণিকের স্বস্তি)
Wednesday, September 13, 2017
Balanced Life
ব্যালান্সড জীবন
জীবন টা কখনো ভীষণ সুন্দর। যেন পদ্ম পাতায় মুক্ত। কখনো বড় কষ্টের। সজনে আঠার মত। প্রচুর তাপ উত্তাপ না পেলে ছাড়তে চায় না। কখনো কখনো এই এত ভালো ভালো ব্যাপার পরপর ঘটতে থাকে। হৃদয় শঙ্কিত হয় এই বুঝি কি হয় কি হয়। আবার দুঃখ জিনিস টার তো এ ব্যাপারে জুড়ি মেলা ভার। একবার গ্রহণ লেগে গেল তো পূর্ণিমার আশায় কবি সুকান্ত। লেড়ো বিস্কুট ও কাঁচের বয়ামে ফিক করে হাসে।
প্রত্যেকের জীবনে ভালো মন্দ খারাপ সুগন্ধ রয়েছে। থাকতেই হবে। সৌভাগ্য তাদের যারা ভালোত্ত সুগন্ধ কে সযত্নে লালন করে পরিমিত লবণের ন্যায়। আর লবণ কে এরা কখনোই বন্ধুর দরজা দেয় নি। অতিথি হিসেবেই লালিত পালিত।
মানব জীবনে লবণ আর কিছুই না। ক্ষমতা, সম্পদ, প্রতিপত্তি শত সহস্র থাকলেও তার পরিমিত যথানুচার ব্যাবহার। আর হ্যাঁ এর সঙ্গে অবশ্যই যুক্ত হবে যথোপযুক্ত শিক্ষা, আচার। আপনিও জানেন আমাদেরই আসে পাশে ছড়িয়ে রয়েছে এমনই কত শিল্পী। যাদের দেখে মনে খুশি জাগে। মনে হয় কত ব্যালান্সড জীবন। হয়তো বা সত্যি সে জীবন ব্যালান্সড।
তবু কি সে জীবন পীড়িত নয়। হতেই পারে তারা নিঃসন্তান। তবু আছে তারা তাদের মত। হতেই পারে সেন পরিবারের একমাত্র সন্তান বিকলাঙ্গ, তবু তো ঘুরে দাঁড়িয়েছে। হতে কি পারে না, পরিবারের একমাত্র আদুরে কন্যা পালিয়ে বিয়ে করেছে। আর এখন সে বাবা মায়ের কাছে মৃত। হতে অনেক কিছুই পারে। যে নিঃসন্তান সে হয়ে আজও হাসতে পারে। যে বিকলাঙ্গ সেও পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে। আবার আদুরে কন্যা তার প্রিয় বাবা মাকে হয়তো একদিন ফিরেও পেতে পারে।
কি আশ্চর্য দেখুন ব্যাক্তি জীবন কষ্ট দুঃখ আনন্দ থেকে কোথায় না এ মনের ঘোরা ফেরা। এমন তা কোথাও দেখি না। মানব জীবন ছাড়া এ বৈচিত্র অনুভব করা যায় না।
Thursday, September 7, 2017
West Bengal Events
Thursday, April 27, 2017
Get READY always. . .
Monday, February 6, 2017
How to write a good plan.
Thursday, January 26, 2017
Wednesday, January 25, 2017
Wednesday, January 11, 2017
Sunday, January 8, 2017
Wedding * Birthday * Annaprasana
Thinking of an enjoyable perhaps budget Solution for your event!
1. Chalk out a writen information of what you need in basic (think of your budget)
2. Give Priority to your card or e card.
3. Book the place.
4. Ask for catering
5. what about decoration, ask the place provider if he/she can arrange (I experience most of them can)
6.Most important : ask everyone with a sweet word condition of your requirements, even try to reconfirm and get 100% assurance to make your event the most memorable
We do if u like u may Call us to get a complete planning. We provide card n other printing materials, decoration with balloons and other with jokers, photography and videography even we manage your memorable Holiday too.










































