West bengal Important Links

আনন্দবাজার পত্রিকা http://www.anandabazar.com/ *********এই সময় http://eisamay.indiatimes.com/ *********বর্তমানhttp://www.bartamanpatrika.com/ ********* সংবাদ প্রতিদিনhttp://www.sangbadpratidin.in/ ********* আজকালhttp://www.aajkaal.net/ ********* এবেলাhttp://www.ebela.in/
********* কর্ম সংস্থানhttp://www.karmosangsthan.com/ ********* কর্মক্ষেত্রhttp://www.ekarmakshetra.com/ ********* ফ্রেশারসওয়ার্ল্ডhttp://www.freshersworld.com/ *********টোয়েটি নাইনটিনhttp://www.twenty19.com/ ********* ভ্রমণhttp://www.bhraman.com/ ********* উইকিপিডিয়াতে বাংলাhttp://en.wikipedia.org/wiki/Bengali_language

Sunday, February 24, 2019

জাদুর আদি উৎস অনেক প্রাচীন। আদি নাম ইন্দ্রজাল। শব্দটি এসেছে স্বর্গের দেবতা ইন্দ্র থেকে। তিনি অসুর দমনের জন্য মায়ার জাল বিস্তার করতেন। এই মায়াবিদ্যাকেই সেকালে ইন্দ্রজাল, কুহক, সম্মোহন, মোহিনীবিদ্যা, সংবদন, হস্তলাঘব কলা, কার্মণ্য যতু (জাদু) ইত্যাদি বলা হতো। ইংরেজির ম্যাজিক, হিপনোটিজম এবং মেসমেরিজমও একই ব্যাপার। তবে আজ জাদু বিদ্যা একটি উচ্চাঙ্গের শিল্পকলা ও জনপ্রিয় বিনোদন মাধ্যম।
বাংলাদেশেও জাদুবিদ্যার ইতিহাস অতি প্রাচীন। সেই তখন থেকে আজ পর্যন্ত জাদুর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে যে কজন সেরা জাদুকরের নাম করা যাবে, তাদের মধ্যে যিনি সর্বশীর্ষে, তার নাম জাদুসম্রাট প্রতুলচন্দ্র সরকার, যিনি বিশ্বের কোটি কোটি জাদুপ্রিয় মানুষের কাছে পি. সি. সরকার নামেই সমধিক পরিচিত। জাদুর ইতিহাস যিনি এক কিংবদন্তি পুরুষ।
সারাবিশ্বে শুধু জাদুর খেলা দেখিয়েই তিনি গোটা বাঙালি জাতির জন্য কুড়িয়ে এনেছেন অনেক সুনাম আর গৌরব। শুধু বাংলাদেশ বা ভারত উপমহাদেশ নয়, পৃথিবীরও বোধ হয় এমন দেশ নেই, যেখানকার শিক্ষিত মানুষেরা জাদুকর পি. সি. সরকারের নাম জানেন না।
কৃতিপুরুষ পি. সি. সরকারে জš§ বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার আশেকপুর গ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯১৩ সালে। বাবার নাম ভগবানচন্দ্র সরকার এবং মায়ের নাম কুসুমকাহিনী দেবী।
প্রতুল ছিলেন বাবা মায়ের বড় ছেলে। তারা ছিলেন দুই ভাই। তার আরেক ভাই অতুল সরকারও পরে জাদুবিদ্যায় সুনাম অর্জন করছিলেন।
টাঙ্গইলের শিবনাথ হাইস্কুলে শুরু হয় তার শিক্ষাজীবন। বাল্যকাল থেকেই জাদুখেলার প্রতি নেশা ছিল প্রতুলের। তাদের পরিবারে আগে থেকেই অনেক জাদুখেলা দেখাতেন। সেই বংশগত ঐতিহ্যই তার ওপর বেশী প্রভাব ফেলেছিল।
তিনি যখন সপ্তম/অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র, তখন থেকে মজার মজার জাদুর খেলা দেখিয়ে সবাইকে অবাক করে দিতেন। বাল্যকাল থেকেই তিনি পাঠ্যপুস্তুকের পাশাপাশি জাদুর বইও পড়তে শুরু করেন। স্কুলের লাইব্রেরিতে জাদু শেখার ওপর যত বই ছিল, সব পড়ে শেষ করেন প্রতুল।
প্রথম শ্রেণীতে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি এসে ভর্তি হন করটিয়া সাদত কলেজে। তখন কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন বিখ্যাত লেখক ও শিক্ষাবিদ ইব্রাহিম খাঁ।
কলেজে এসেও চলল জাদুর ওপর পড়াশোনা আর ম্যাজিকের চর্চা। সারা কলেজে তখন তার প্রচুর নাম ডাক। চায়ের দোকানে, খেলার মাঠে সকলের মুখে মুখে প্রতুলের অদ্ভুত জাদুর খেলার প্রশংসা।
এমন সময় একদিন সাদত কলেজ পরিদর্শন করতে এলেন কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সপেক্টর ড. হরেন মুখার্জি এবং তার সঙ্গে এলেন কোলকাতার আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মি. হার্লে। তাদের আগমন উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয়, প্রতুলের জাদু প্রদর্শনীর। প্রতুল অনুষ্ঠানে এমন সব চমৎকার জাদুখেলা দেখালেন যে, তারা দুজনেই খুবই মুগ্ধ হয়ে গেলেন।
কলেজে এসেই তিনি নিজের নাম একটু পরিবর্তন করে রেখেছিলেন পি. সি. সোরকার। সোরকার একটি ইংরেজি শব্দ, যার অর্থ জাদুকর। তিনি নিজের পদবি সরকার বাদ দিয়ে সোরকার করেছিলেন বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও ব্যাপক প্রচার লাভের জন্য। দীর্ঘদিন পর্যন্ত এই পি. সি সোরকার নামই ছিল তার। তারার যখন বিশ্বব্যাপী খ্যাতিন হয়ে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন, তখন ফিরে গিয়েছিলেন নিজের পদবিতে পি. সি. সরকার। এখনো তিনি এই নামেই পরিচিত।
তিনি ১৯২৯ সালে প্রথম বিভাগে প্রবেশিকা পাশ করেন এবং করটিয়া সাদত কলেজে ভর্তি হন।
করটিয়া কলেজে পড়ার সময়ে তিনি হিপ্লোটিজম নামে একটি বইও লিখেছিলেন। তখনকার করটিয়া কলেজ ছিল ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত। তাই ১৯৩১ সালে আইএ পাস করে ডিগ্রী পড়ার জন্য তিনি ভর্তি হন ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে এসে। এই কলেজ থেকে তিনি অংকে অনার্স নিয়ে বিএ পরীক্ষা দেন।
আনন্দমোহন কলেজে পড়ার সময় তিনি ম্যাজিক শিক্ষা নামে আরও একটি বই লেখেন। পড়াশোনা শেষ করে তিনি জাশুকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। ইতিমধ্যে তার নাম ডাক এতটাই ছড়িয়ে পড়ে যে, তিনি হলে অথবা কোথাও ম্যাজিক দেখাচ্ছেন শুনলেই দেখতে দেখতে প্রচুর দর্শক জড়ো হয়ে যেত।
১৯৩৭ সালে ২৪ বছর বয়সে তিনি সর্বপ্রথম জাপানে যান। সেখানে তিনি জাদুর খেলা দেখিয়ে প্রচুর সুনাম ও অর্থ উপার্জন করেন।
জাদুকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার পর তিনি চলে যান বড় শহরের বৃহত্তর ক্ষেত্রে। কারণ গ্রামে পড়ে থাকলে তার পসার জমবে না। তাই তিনি কোলকাতায় পাড়ি জমান। প্রথমে ওঠেন তিনি ভাড়া বাড়িতে। পরে নিজেই বাড়ি করেন কোলকাতার বালিগঞ্জে।
অল্পদিনের মধ্যেই কোলকাতা শহরে তার নাম ছড়িয়ে পড়ে। তিনি নিয়মিত জাদুর অনুষ্ঠান করতে লাগলেন, আর সেই সঙ্গে পত্রপত্রিকাতেও শুরু করলেন জাদু বিষয়ে লেখালেখি। দুদিকেই তার খ্যাতি বাড়তে লাগল।
তার জাদু নিয়ে মাঝে মধ্যে মজার মজার সব কাণ্ডও ঘটত। একবার খুবই মজার একটা কাণ্ড হয়েছিল অবিভক্ত বাংলাদেশের মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হকের সময়ে। মন্ত্রিসভার এক নৈশ ভোজসভায় আয়োজন করা হয়েছিল পি. সি. সরকারের জাদুখেলার। এই অনুষ্ঠানে পি. সি. সরকার যে জাদুটি দেখিয়েছিলেন, তার শিরোনাম ছিল বাংলার মন্ত্রিমণ্ডীর পদত্যাগ।
খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল কোলকাতার ইম্পেরিয়াল রেষ্টুরেন্টে। তিনি মুখ্যমন্ত্রী ফজলুল হকের হাতে এক টুকরো সাদা কাগজ দিয়ে কিছু লিখতে বললেন।
হক সাহেব তার কথা মতো কিছু লিখেলেন। তারপর তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা সেই লেখার নিচে স্বাক্ষর করলেন। এবং স্বাক্ষরিত পত্রটি তিনি পড়তে দিলেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত পুলিশ কমিশনার মি. কলসনের হাতে। তিনি পড়তে লাগলেন: আমরা সর্বসম্মতিক্রমে সকলে এই মুহূর্তে মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করিলাম এবং আজ হইতে জাদুকর পি. সি. সরকার বাংলার মুখ্যমন্ত্রি হইলেন।
সবাই বিস্ময়ে হতবাক। শেরে বাংলা অবাক হয়ে বললেন যে তিনি তো এমন কোন কথাই কাগজে লেখেনি। মন্ত্রিরাও বললেন তারাও যে কাগজে সই করেছেন, তাতে এমন কোন কথা ছিল না। তাহলে এমন হলো কেমন করে। এ রকমই ছিল পি. সি. সরকারের খেলা। এটা ছিল ফোর্স রাইটিং (ঋড়ৎপব ৎিরঃরহম) এর জাদু।
পরের দিনের পত্রপত্রিকায় এই রসিকতাপুর্ণ উচ্চমানের জাদুখেলার খবরটি চাপা হয়েছিল বেশ ফলাও করে।
১৯৩৭ সাল। ভারতের স্বাধীনতার সংগ্রাম তখন তুঙ্গে। এই সংগ্রামের পুর্ণ সহযোগিতা করেছিলেন পি. সি. সরকার নিজেও। স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নায়ক রাজবিহারী বসু তখন জাপানে। সেখানেই তিনি ডেকে পাঠালেন পি. সি. সরকারকে। সেই ডাকে তৎক্ষণাৎ সাড়া দিয়ে পি. সি. সরকারও রওনা হয়ে যান জাপানের পথে। কিন্তু বার্মায় এসেই তার খেলার যাবতীয় সরঞ্জাম চুরি হয়ে গেল। কিন্তু তিনি দমলেন না। খালি হাতেই গিয়ে পৌছালেন রাসবিহারী বসুর ওখানে।
এরপর খালি হাতেই তিনি খেলা দেখাতে শুরু করলেন। বলতে গেলে জাপানের মানুষ যেন পাগল হয়ে গেল তার খেলা দখার জন্য। যেখানেই তিনি যান, সেখানেই হাজার হাজার লোকের ভিড়। ফলে টিকিট বিক্রি থেকে প্রচুর টাকা আসতে লাগল হাতে। এইভাবে অর্জিত সব টাকাই তিনি দান করে ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্বার্থে।
এইভাবে জাদুর খেলা দেখিয়ে তিনি ঘুরে বেড়ালেন সারা ইউরোপ, আমেরিকা, রাশিয়া এবং জাপান থেকে শুরু করে বিশ্বের প্রায় সকল দেশ। বিশ্বের এমন কোন দেশ নেই, যেখানে তার জাদুর খেলা প্রদর্শিত হয়নি এবং যেখানেই গেছেন তিনি সেখানেই পেয়েছেন প্রাণঢালা সংবর্ধনা। তার নাম শুনলেনই হাজার হাজার লোক এসে ভেঙে পড়েছে হলে।
তিনি লাভ করেছেন বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার। স্টেজ ম্যাজিকের জন্য আমেরিকার জাদুবিদ্যার নোবেল প্রাইজ বলে খ্যাত স্ফিংস পুরস্কার পেয়েছেন যেমন তিন। তেমনি পেয়েছেন জাদুকরদের সবচেয়ে বড় জার্মান পুরস্কার সোনার লরেল মাল্য। হল্যাণ্ড থেকে দুবার পেয়েছেন ট্রিকস্ পুরস্কার।
এছাড়া ইংল্যাণ্ডের বিবিসি টেলিভিশন, অস্ট্রেলিয়া টেলিভিশন, শিকাগোর ডব্লিউ জি এ টেলিভিশনে বহুবার তার জাদুখেলা প্রদর্শিত হয়েছে।
তার জাদুখেলার কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ মায়ানমারের (বার্মা) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থাকিন নু তাকে অভিহিত করেছিলেন এশিয়ার গৌরব বলে।
১৯৬৪ সালে ভারত সরকার তাকে সম্মানসূচক পদ্মশ্রী উপাধি প্রদান করে। রাশিয়ার জাদুকররা তাকে মেনে নিয়েছেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাদুকর বলে।
তিনি ছিলেন ফ্রান্স, ইংল্যাণ্ড, জার্মানী, বেলজিয়াম এবং জাপানে ম্যাজিশিয়ান সমিতির অন্যতম সদস্য। আমেরিকার আর্ন্তজাতিক জাদুকর ভ্রাতৃ সংস্থার কোলকাতা শাখার নামকরণ হয়েছে তারই নামে। এছাড়া তিনি দেশে যে কত সরকারি বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কার পেয়েছেন তার ইয়ত্তা নেই।
১৯৫৭ সালে পি. সি. সরকার লন্ডনের বিবিসি টেলিভিশনে করাত দিয়ে এক তরুণীকে কেটে দু টুকরো করে দেখিয়ে ছিলেন। এতে বহু টেলিভিশন দর্শক অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন। পরের দিন লণ্ডনের বড় বড় পত্রিকা এই লোমহর্ষক ও বিস্ময়কর খেলার খবরের সচিত্র বিবরণ প্রকাশ করে।
এই বিস্মরকর খেলা দেখানোর পরপরই ১৯৫৭ সালের ২২ মে পি. সি. সরকারকে আমেরিকা টিভি কোম্পানিগুলো বিশেষ বিমানে করে নিয়ে যায় তাদের দেশে।
১৯৬৭ সালে তিনি আবার আমেরিকায় যাওয়ার আমন্ত্রণ লাভ করেন।
এই সময় তিনি আর্ন্তজাতিক রোটারি ক্লাবের সদস্য এবং বিলেতের রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটির আজীবন ফেলো নির্বাচিত হন।
জাদুবিদ্যার ওপর তিনি অনেকগুলো বইও লিখেছেন। ১৯৬৮ সাল নাগাদ ইংরেজি, বাংলা, ও হিন্দি ভাষা মিলিয়ে তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা মোট ২০টি।
জাদুসম্রাট পি. সি. সরকারের পারিবারিক জীবন ছিল অত্যন্ত সুশৃংখল ও শান্তিময়। ১৯৩৮ সালে তিনি টাঙ্গাইলের নামি চিকিৎসক প্রমথনাথ গুহ মজুমদারের প্রথম কন্যা বাসন্তী দেবীকে বিয়ে করেন। বাসন্তী দেবী ছিলেন একজন আদর্শ গৃহিনী। পি. সি. সরকার যখন তার জাদুর খেলা নিয়ে মগ্ন থাকতেন ঘরের বাইরে কিংবা বিদেশে তখন লক্ষ¥ীর মতো সংসার সামাল দিতেন তার স্ত্রী বাসন্তী দেবী।
পি. সি. সরকারের দুই মেয়ে এবং তিন ছেলে। বড় ছেলে প্রফুল্লচন্দ্র সরকার ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার। মেজছেলে অ্যাপ্লাইড সাইকোলজিতে মাষ্টারস করে বর্তমানে পিতার পেশায় নিয়োজত। তিনি বর্তমানে জুনিয়র পি. সি. সরকার নামে খ্যাত। ছোট ছেলে কমার্শিয়াল পাইলট।
পি. সি. সরকারের বেশ কয়েকটি বাড়ি আছে। বালিগঞ্জে দুটো। রাসবিহারী অ্যাভেনিউতেও আছে বিশাল একটি বাড়ি। নাম ইন্দ্রজাল। ফার্ন রোর্ডে আছে আরেকটি বড় বাড়ি। নাম জাদুমহল। আর বাংলাদেশের টাঙ্গাইলের বাড়ির নাম ছিল জাদুভবন।
তার জাদুবিদ্যা নিয়ে রঙিন চলচ্চিত্রও তৈরি হযেছে। হিস মাষ্টারস ভয়েস বের করেছে একটি লংপ্লেয়িং রেকর্ড। তার সম্পর্কে দেশে ও বিদেশে বই বের হয়েছে ২০টির মতো। জাদু সম্রাট তার স্মৃতিকথায় লিখেছিলেন : আগামী ১৯৭০ সালে ওসাকাতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বমেলা। এশিয়াতে আজ পর্যন্ত বিশ্বমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। এই সর্বপ্রথম হবে। আমরা ইতিমধ্যে ইন্দ্রজাল প্রদর্শনের জন্য আমন্ত্রিত হয়েছি অর্থাৎ দশমবার জাপাান আসার ব্যবস্থা হয়েই রয়েছে। আবার কত কি নতুন দেখাব। আবার জাপান কি রূপে দেখা দেবে কে জানে।
আমন্ত্রণ পেয়ে তিনি দলবল নিয়ে জাপানে এলেন। কিন্তু তার আর ফিরে যাওয়া হলো না। এই জাপানেই ১৯৭১ সালের ৬ জানুয়ারি তাবেৎসু (সাপোরো) শহরে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগকরেন।
জাদুসম্রাট পি. সি. সরকারের একটি বড় বৈশিষ্ট্য ছিল, তিনি জাদু দেখানোর সময় পরিধান করতেন ভারতীয় রাজা মহারাজাদের পোশাক। দর্শকদের মধ্যে চমক সৃষ্টি করার জন্যই তিনি এমনটা করতেন।
তার এই রাজকীয় পোশাক নিয়ে একবার এক মজার কাণ্ডও ঘটেছিল। জনৈক ব্রিটিশ জাদুকর তাকে ইচ্ছেকৃতভাবে অপমান করার জন্য বলেছিলেন Why you wear Princely costume? You are not of Royal birth.
পি. সি. সরকার মৃদু হেসে বলেছিলেন : Am I not the Prince of Magic?
কিন্তু বিশ্ববাসী স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি শুধু জাদুর রাজপুত্র নন, ছিলেন জাদুর সম্রাট। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সম্রাট। যাদুকর

http://www.samirmagicshop.com/যাদু-সম্রাট-পিসি-সরকারর-জ/
ছবি ও সুত্র নানা সাইট থেকে নেওয়া, কোন কমার্শিয়াল উদ্দেশ্য নয়, এক লপ্তে পাঠক যদি এই শিল্পীর সম্বন্ধে কিছু সামান্য জানতে চান, সেটাই উদ্দেশ্য।







































রাস্তাগলি খানাখন্দ পেরিয়ে, জুই ফুলের সুবাসে মন যখন আনচান করে। উপোরে তাকিয়ে দেখি ,  সজনে ফুলে গাছ ভরে আছে। অতৃপ্তি কিছুতেই কমে না। এদের মুসুরির ডালে বেটে মুচমুচে করে ভেজে দিতে যারা পারে, তারা যে কি নিষ্ঠুর!  যাই হোক এলোপাথাড়ি নানা কাজ অকাজের ভাবনা শেষে, ক্লান্ত হওয়া টা যেন, পরাজয় স্বীকার করে নেবার মত।

তবু ফুরোতেই হয়। 

তারপর সন্ধ্যে পেরিয়ে রাত ঘনায়। আকাশ বাতাস বুঝি ঘুম ঘুম নিঃঝুম। 
তারপরই হঠাৎ যেন দুরন্ত
 শিশুর মত আকাশ বেজে ওঠে। দপ করে জ্বলে ওঠে প্রদীপ আবার। 
এ যেন, 

গরজে দমকে হেরিছে কাহাকে?
টনক তবু না নড়িছে!
ফাঁদ পাতা এ বিশ্ব ভুবনে, 
পুষ্প কেন ফুটিছে?

তিতিরের ন্যায় ধুম্র বাদল, 
তুলিয়া নিয়া ছিড়িয়া শিকল,
বারি হয়ে কেন ঝরিছে?

বারে বারে সেই প্রত্যাঘাতে,  
পারি যেন লেখা,প্রকৃতির ক্ষাতে 
হাতে নেই কো আর,  ভালো মন্দ,
এটাই আত্মপ্রকাশ নাকী বলাকার ছন্দ?

বলতে পারো? 

শীত শেষে, গরম যখন দাপট দেখাতে শুরু করবে বলে ঠিক করেছে। ঠিক তখনি, কড়কড় কড়াৎ। মোচকায় তবু ভাঙে না। পালটায় তবু পটে না। দিন যায়, তবু থামে না। 
তবু যেন ক্ষনিকের হলেও আশা ভরসা জাগিয়েই দিতে চায়। এ যে কী আশ্চর্যকথা, কি ভয়ংকর। এই বৃষ্টি তেও  আমি রাজনীতির গন্ধ পাই। 

কল্পনা করছি, এ আঁধারে বাংলার অবয়বে, তুলতুলে কোন এক জলের ফোঁটা ধান ক্ষেতে রোপন করা নতুন কচি ডগা পাতায় চু্ঁয়ে চুঁয়ে পড়ছে। পাশে ব্যাঙে দের গ্যাঙর গ্যাং চিল চিৎকার টা গ্যাছে যেন কোথায় ফুরিয়ে। গতকাল এদের শোনা গেছিল, অতটা তবজ্জু দিই নি। আজ মশাই নিজেই হতবাক।
এগুলো যখন লিখছি বায়রে, আকাশের ঝল্মলানি সহ   তিব্র বৃষ্টি পাতে, 

Friday, February 15, 2019

বিশ্বাস ও কাশ্মীরঃ

আমি অনেক অনেক ভাল আছি। নিরাপদে, রসে বশে। আমি নিয়মিত পোস্ট করি। আমার পোস্টে দেখবেন, আমার সারাটা বছর আনন্দ, ফুর্তিতে কাটছে। বেড়াই। আমি ভাল গান শুনি,  আমার মন খারাপ হয় না। আমি মোটামুটি শিখে গিয়েছি কোনটা পোস্ট করতে হয়। কি লাইক দিতে হয়। কোনটা এড়ানো আমার জন্যে ভালো। কাকে যেন দেখেও দেখবো না, অভিনয় টাও।

নিজেই অবাক হই, যখন দেখি, আমি যেন সব কিছুই কত সহজ ভাবে মেনে নিতে শিখে
গিয়েছি।
ভেবে নিয়েছি, এমন টাতো হতেই পারে। আমার রাগ হয় না। আমার বিরক্তি লাগতে নেই। আসলে আমি সারাক্ষণ যেন  আনন্দেই রয়েছি, এমন একটা ব্যাপার।

আসলে কিন্তু হজম হয়ে যাচ্ছে সওব।

অতর্কিত আক্রমনে ৪০ টা সৈনিক প্রাণ হারালো। দারুন একটা বুউম শব্দ আর ধোঁয়া। তারপরি চারিদিকে ইতস্তত ছড়িয়ে ছিটিয়ে মাংস দেহের টুকরো। গন্ধ টা ফিল করতে পারছো?
ন্যাশনাল এম্বলেম লাগানো ছেড়া পোষাক রাস্তার ধুলো খাচ্ছে।

শুনলাম রাজনাথ সিং আগামীকাল প্লেনে যাবেন দেখতে। সেখান থেকে ভাষণ দেবেন।
আমি তুমি হলে নিশ্চই আজই রওনা দিতাম। দিতাম না বল? নিজের ঘরের এতো লোকের মৃত্যু।

মনে হয় যেন, রাজনৈতিক মন গুলো এগুলো দেখে দেখে এত অভ্যস্ত, যে রিয়্যাক্ট গুলো ও পুরনো মনে হয়।

আর এ মৃত্যু নতুন কোন ব্যাপার নয়। এখানে মাসের পর মাস বছরের পর বছর ঘটেই চলে। তারই মধ্যে কত শিশুর নিরীহ চোখ, আস্তে আস্তে সময়ের সাথে বদলাতে শুরু করে।

হাজার হাজার মানুষের দ্বারা নির্বাচিত একজন বিধায়ক এ বাংলায় খুন হয়ে গেল। সাড়া পড়ে গেল সারা বাংলায়। কতকন্ঠের উচ্চ দাবী তে আকাশে বাতাসে, শাস্তি চাই, বদলা চাই। অতীতের কথা বাদ ই থাক। ওখানেও তাই। কিচ্ছু বদলায় না।

আর এখানে তো ৪০ টা জওয়ান। আমি শুধু বিশ্বাস করি না, এ আমার দৃঢ় প্রত্যয়। বাংলা যদি কাশ্মীর হত। আর সেখানে যদি এখানের তৃণমূল, বামফ্রন্ট,কংগ্রেস, বিজেপি থাকলে, অবশ্যই এ বিষম মুশকিল আসান হত। এটাও একটা নিজের রাজ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসের অসম লেবেল।

সংগে সংগে আরেক ভাবনা আসে, মানে এর পিঠোপিঠি। পশ্চিমবংগে এখুনো প্রচুর মানুষ বাস করেন, যাদের আত্মীয় পরিজন বাংলাদেশে থাকেন। বাপ দাদার বাংলাদেশ নিয়ে একটা দূর্বলতা থাকাটাও কী খুব অস্বাভাবিক? ভাইস ভার্সাই তো। তাই কাশ্মীর আর পাকিস্তানের মানুষ কে, এই সুদূর পূব থেকেও মিল পাওয়া টা কী খুব দুষ্কর অসম্ভব একটা ব্যাপার। বাংলাদেশ ম্যাচ জিতলে দেখেছি, অনেকে হই হই টাও করে ফেলে। এখানে







শেখ মুজিব কেও তো জানি, অনেকে ভালবাসে।

 তাই নিচের অসত্য নয় তবু ভূল ভাবনাটা ভেবেই ফেলি। তাই হয়তো কাশ্মীর রাজ্যের কোন প্রশাসক কেই আমি সহজ মনে মেনে নিতে পারিনি। বলা কওয়াতে ই একটা ভীন্দেশি গন্ধ। পড়াশোনার জায়গা গুলো তে তো জেনে শুনে ভারতীয়তার বিরুদ্ধে কালচার। দেশের সর্বত্র পড়াশোনার সিলেবাস কবে এক হবে? আর কত দিন?  আসলে কি একটা কাঁটা যে আজো সবার গলায় বিধে, আর কেনোই বা ডাক্তার রা শুষ্রুষা করছেন না, সেটাই বোধগম্য হচ্ছে না।

ঈশ্বর ও সারা ভারতবাসী সহ সামান্য আমিও
জওয়ানদের আত্মীয় পরিজন দের জানাচ্ছি গভীরতম সমবেদনা।

Friday, September 14, 2018


when I forget all, even my mother, father even brother and sister, and concentret my own family, that is parenting. Believe it or not, its true.
Parenting can not be shown in public place or family gathering, it is rather something that is personally owned creative room. where you devoted (what is devotion?) your time to create something you love the most.

Parenting, is an art to feel proud of, it is the time you visualize the system of your past. It is something, that you can have the POWER to change through your unique way.
So, I don't ask you to act accordingly, better suggesting you to be concerned & plan a better thought to apply successfully.

I know that there is still a great gap of misunderstanding between you & me. I accept the truth of great family bonding & people yet survive to prove forcefully the nature of now and days gossip  including our family, but to instill the depth of international thought & nature, where there is no bondage of  examples how could we go through the same.
By the way it is not the end of precessing or last result but a single day cloud to fly.


  

Friday, August 10, 2018


নিশ্চিন্তে বিন্দাস থাকো AND বাঁচো
ঠিক করতে গিয়ে ভূল হলে হোক, ভূল মানুষেরা পাশে দাঁড়াবেই। ওঠা পড়ার জগতে পড়ার সংখ্যা বেড়ে গেলে যাক, পড়ে যাওয়ার অভ্যেস টা অনেক শেখাবে। আর আনন্দ, শেখার মাঝে যে ফারাক,  তার ফাঁকে কিন্তু শেখাটাই প্রকৃত আলো ছড়াবে। 
আসলে বিশ্বাস জিনিশ টা বড়ই গোলমেলে বস্তু।

নতুন প্রজন্ম মানে টিন গোষ্ঠি ও ৩০ অনু্র্ধ্ব  যারা, বিশেষত: যাদের কুন্ডলিনী জাগে নি, মানে জগত, সংসার, ইহলোক, পরলোক, পার্টি, দেশ, রাজ্য, সীমান্ত, ক্ষরা, দুঃক্ষ, জাতি, বর্ন, ধর্ম, খাদ্য, বস্ত্র, ভাষা ইত্যাদি নানা প্রকারের জটিলতায় যে এ প্রজন্মের আগ্রহ কম, তারে কি ভাবে বোঝাবো যে আমারো একদিন এসবে আগ্রহ ছিল না। এখন হয়েছে। 
যাই হোক, শুধু মাত্র এ দেশের নাগরিক হয়ে বেচে থাকাটা আমি অপরাধ বলে মনে করি।
তাই সব দলের সব সংগঠনের কর্মি কে আমি শ্রদ্ধা করি। আমি ভালো দিক নিয়ে ভাবছি তাই যারা নীরবে দেশের হয়ে কাজ করে চলেছেন, সেই বিশ্বাসের কাজের মূল্যের আলাদা মর্যাদা আছে এবং থাকবে। দেখেছি তাদের ওঠা পড়া। ভাল মন্দ সময়ে দলের পাশে থেকে দল সামলে যাওয়া। যে বা যারা দল, সংগঠন ভালোবাসে, তারা ইডিওলজির কারনে নয়তো দেশের উন্নতি এরাই করতে পারে, সেই বিশ্বাসের কারনেই মূলত যোগ দেয়। কারো বা বিশ্বাসে ঘুন ধরে। যাই হোক কিন্তু অধিকাংশ নিজের আখের গোছানোর জন্যই পাশে দাঁড়ায়।  তারা সমাজের কাছে আমার কাছে ঘৃনার পাত্র। এরা চিন্হিত, কিন্তু দেশ আমি আপনি দল সর্ব্বপরি সরকার, এদের অন্যায়ের সাজা কেন দিতে পারে না। এদের কারনেই দেশ কলুষিত, দেশ কবে সেটা বুঝবে?

এমনি ভালো লাগলো তাই দিলাম এই ছবি। স্বাধীনতার প্রাক্কালে আমার দেশ যখন মুক্তি খুঁজছে। ইনি খুঁজছে অন্য কিছু তে মুক্তি,  লিখে গ্যাছেন নাংগা পর্বত অভিযানের রোমহর্ষক কাহিনী। তাই উপরের আমার লেখাটা বড্ড ক্লিশে লাগে, মনে হয় অনেক কিছু। কি করছি, কেন করছি, এমন পাগল কেন হয়ে উঠতে পারছি না।

Friday, July 20, 2018

Monday, June 4, 2018

wo ayi thi, youhi, par
dikhaye v youhi
k, bas, par chal diye
aise hi, din aur ratein kat te hai, jatein hai,
mulakatein yun reh jate hai.
ruk na fir itrana
fir chal dena
aise hi chal te rehte hai bas,
khowab sulag te rehte hai...
kabhi barish, wo bowchare
wo dhimi khushbu, wo karare
bas reh jate hai,
sulag te hue wo dhimi aanch
sa pani, dhuan jaise
khabi na khatam na hone wali
jhijhak ta pyar, jaise
khushbu mal mal sa
ruke hue srot jaise
k, wo chehra, wo badan
wo hoth aur wo khushbu
panchi v kabhi dikha
to usey sochte rehte hai...
aise hi bas
aise hi bas
chal te reh te hai....

Sunday, June 3, 2018

অকালপক্কতা কাজের জিনিশ নহে। তবে দ্রব্য গুনে মূল্য অপরিসীম। সম্রাট আকবর সিংহাসনে বসিয়া কি পরিমান পাকিয়া ছিলেন, তাহা ঐতিহাসিক রাই নির্ধারণ করিবেন। আর আপনি আমি কতটা পাকিয়া ঝুলিতেছি, তাহা, ভবিষ্যৎ বলিবে।
বাংলায় এ গৃষ্মে, অাম জাম কাঁঠাল ইত্যাদি আজো পাকিতেছে। তত্সদৃশ বালক বালিকা রা।  ঋতুর অপেক্ষায় ইহারা বসিয়া থাকে না। ছেলে পাকিলে ডেঁপো হয় বটে। মেয়ে পাকিলে অনিষ্চয়তা। এই  পাকিষ্ঠ ছেলেমেয়ে দিগের স্পর্শে  কিছু আবার কাঁচামিঠে হইয়া ওঠে। ইহা ইন্দ্রিয়কারক, সন্দেহ নাই, আবার মন্দও লাগে না।
ইহাতে পাড়া পড়শি পূর্বাহ্নের সময় টাও ভাল কাটে।সেই কড়ামিঠে আম্র শলাকা লবন লংকা যোগে, ঠোট পেরিয়ে জিহ্বায় যেই উঠলো, আঃ উঃ টাক শব্দ।

"একে দিও স্বস্তিক চিন্হ আকাশের বুকে,
শরীরে দাবানল, স্নায়ু যুদ্ধের শোকে।"

তবে, এক্ষণ, কম বেশী সকলেই মোটামুটি ভালো আছেন। গতকাল বাবা লোকনাথের ছিল জন্মদিন। খুব জাঁক হইয়াছে। লুচি, , ফলাদি, মন্ডা মিঠাই যোগে পূজাদি ভারি সুন্দর সাংগ হইলো। পালা পার্ব্বন পূজা অর্চন বাঁচিয়া থাক। বাবার আশীর্বাদে বাতাসে খুশী খুশী গন্ধ। রবিবার বলিয়া কথা।আমার বেশ লাগিয়াছে। উৎসব টা সারা বছর জুড়াইয়া চলিলে ক্ষতি নাই কিছু। কিন্তু, একটা কথা, বাজারে আগুন কেন? সব ঠিকঠাক চলিলে, মাসের মাঝেই তৈলের দাম কিছু কমিলেও কমিতে পারে। রমাদান শেষ হইবে। শুনিলাম, কল্যাণী তে আম্র উৎসবে ৫০০ গ্রাম আম পাচশত টাকায় বিকাইছে। সে আম কোহিতুর। ইহা নাকি রাজা বাদশাই খাইতো, আঁটিখানি ফুটা করিয়া ফেলিয়া দিত। তাহাতে এ আম, আম নাগরিকের হস্তের বাহিরে থাকিবে। এখন আপনিও খাইবেন। আহা র‍্যাশনে যদি বিশ টাকায় এ আম বিতরন হইতো? আমি কিনিয়া খাইতাম। ভারী মজা হইতো।

ছবিটি
http://www.presentedbyp.com থেকে
The Life and Times of Poorna Banerjee:

Wednesday, May 30, 2018

রাজৌষধ ও বিষমনীতি


এবার মিডিয়া, রাজনীতি
এক মঞ্চে। ট্র‍্যাক প্রশ্ন হল কিভাবে আপনি তাদের এক মঞ্চে দেখবেন? মঞ্চ চাই, যেখানে এখুনের সব কির্তীমান আপনি গুলে খাবেন।  চ্যানেল খুলে, দেখালে? আপাতত এটা রাস্তা, তবে ফাইনাল নয়। মঞ্চ আপনার আমার জন্যও চাই। এই দ্যাখো, দেশের স্তম্ভ গুলার ধ্যাষটামো। আর এই হল সন্দীপ, জামাল, প্রেমজিত। আর ওই যে দেখুন স্টারআনন্দ সংগে ভিজে যাওয়া কাগজ গুলা + জি টিভি, লোকাল চ্যানেল, এন্ডিটিভি, ঈন্ডিয়া টিভি আরো অনেক ইত্যাদি সংগে আবার তোমার মুখ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য গুলা? ও  আরেক টা কথা, সরকার স্বীকৃতি দেবে তো?  স্বাধীনতার ঘন্টায় দেশের ১২ টা যেদিন বেজেছিল! জানিনা নেহেরূ জীর মাথায় কি স্ট্রাইক  করেছিল? ভেবেছিল? দেশ এখন এই ভাবেও চলতে পারে? আগামীকাল হয়ত শত আসিফা অকালেই ঝরে যাবে, হারিয়ে যাবে ভ্রূন? কালে গহ্বরে কেউ পাবে না ঠাই, আসি আর যাই, ব্রম্ভা জানেন? গোপন কম্ম নিয়ে কে ভেবে ছিল? উত্তর হয়তো জয়ন্ত শাস্ত্রী দিতে পারে। আমরা তো প্রোডাক্ট, আর জনসাধারন মানেই ভেরি ইন্টারেস্টিং সাব্জেক্ট।
প্রিয় বন্ধু ও পাঠকবন্ধু, আমি ভুল হতে পারি। কিন্তু দিদিই বলেছেন চপ ভাজতে, জ্যোতি বসু বলেছিলেন এমন টা তো বলতেই পারে, এরা বর্বর। কোথায় আমরা কোথায় ওরা? মাঝে মোদি গোদি থেকে চিৎকার শোনা যায় , ভাই পাকোড়া, পাকোড়া, তায় কি বা সন্দেহ লাগতে পারে? বাঙালী চপ নিয়ে ভাবতে পারে, তালে মোদি.. . . ঢপ নিয়ে গল্প বললেই দোষ? তেল ঝাল, নুন মষলার দাম যেখানে আগুন দাম, সেখানে টকে নোনতা জনতা এক পশলা বৃষ্টি চায়। অথচ দেখো, নেতা মন্ত্রী মিডিয়া গুলা, ঠান্ডা মেসিনে বসে, কামাতে চায়, সমাজের সম্মুখে ঝামা ঘষে শুধু কামাতে চায়।
হয়তো দেখে ফেলেছি, আজো হাজার হাজার ঘরে ঘরে পায়খানা, বিদ্যুৎ, জলের ব্যাবস্থা নেই, যেটা সরকারী নেতা রা বড় মুখে অর্ধেক মিথ্যে বলে থাকে, আজো, স্বাধীনতার ৮০ বছর পরে। আ.....শি, ভাবা যায় না মাইরি। আশি তে আসিও না, দেখেচেন? কিন্তু নেতা রা এত ভাঁট বকে কেন? আমরাই অশিক্ষিত চ্যালা গুলা এদের ফুটতে দি। জর্জরিত সমাজে কুচো কুচো নেতার জন্ম হয় শত শত, সুরভিত,বিকশিত এন্টিসেপ্টিক লিভ ফিফটিটুর মত। কেন ভূলভাল বলে যায়, বুঝে পাই না।, দেশের মানুষ কি এতোই অবুঝ আর বোকা? তাই 'লজ্জ্বা পাও দেশ,' কুর্নিষ জানাই যে লিখেছিল।
রাজনীতি কে ঢাল করে, সাধারন মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরি হয়। রাজনীতি কে ঢাল করে, যে যখন আসে, প্রশাসন কে নিজ উদ্দ্যেশ্যে কাজে লাগায়। রাজনীতি কে ঢাল করে যে যাকে যখন পারে নৃশংসতায় রাঙিয়ে দেয়। এসব আমি ভয় পাচ্ছি। ভয় পাচ্ছি গন অভুত্থানের কথা ভেবে। কারণ যা সব ইতিহাস রচিত হয়ে চলেছে, একদিন দেখবো, কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলবে না। এখুনো কি পরিমাণ ধর্মে হানাহানী, ভাষা


নিয়ে হানাহানি, সংবাদ সঞ্চালকের মুখেও প্রাদেশিকতার গন্ধ। চাকরীর বাজারে চাকরী অপ্রতুল, চারিদিকে, টিউশানি, গান, এটা ওটা করে যুবসমাজ দিশেহারা। এদের জন্য ২০ ৩০ বছর আগে প্ল্যানিং কমিশন ভাবে নি কেন? ভেবে থাকলে, তার রিপোর্ট কই? এটাও কী প্লানিং কমিশনের দায়িত্বে পড়ে না। খরচ বেড়েই চলেছে। বেসরকারি স্কুলে প্রতি বছর সিলেবাস পাল্টে যাচ্ছে। কত কত লক্ষ্য কোটি টাকার বই প্রতি বছর নষ্ট হচ্ছে। কে হিসেব রাখে? কার টাকা। ইতিহাসের সাইকেল বনবন করে ঘুরছে, একবার আগে তো একবার পেছনে।

উন্নয়ন কী? অর্থ টা ব্যাপক। তবু অর্থ কে উপযুক্ত জায়গায় কাজে লাগানো টাও কম কথা নয়। কিন্তু দেশের মানুষের লাভের গুড় যখন পিপড়ে খেতে শুরু করে, আমরা হা করে দেখি। মিডিয়া রাজনীতির অপেক্ষায় প্রশাষন, তারাও হা করে দেখে। আমি বিষ্বাস করি, দুর্নীতি দমনে রাজনীতি যদি সম্পুর্ন কড়া, শৃংখলাপরায়ন হয়, দেশ সত্যই জগতে সামনে খুশী মনে হাসবার ক্ষমতা রাখে।
ছবি গুলা INTERNET সংগৃহীত । লেখার সাযুজ্যে ব্যবহার মাত্র আর কিছু না।

Sunday, May 13, 2018

      🎆🎆🎆
তুমিই হাঁসাও, তুমিই কাঁদাও,
তুমিই দেখাও, তুমিই বলাও,
তুমিই মারো, তুমিই বাঁচাও।
🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆
মানব জনম সফল তোমার
রয়ে যাবে অবদান,
দেশের আগে দশের কাছে,
নীরব  আহ্বান।
ধর্মের আগে ভাষার চেয়েও,
মানবিকতা মুল্যবান।।
কাছে এসে তুমি, বল হেসে
একবার, ভালোবাসি ভালোবাসি
বার বার তুমি,  ফিরে পাবে শশী
আর অগাধ সম্মান।।
🎆🎆🎆

Saturday, May 12, 2018

এইযে মুরগি ছানারা,
থপ থপানির পোনা,
ছটপটে আর কুটুরমুটুর
যায় না কেন গোনা?

একসাথে বেশ মজায় আছিস,
মলমলিয়ে ডাক ছাড়চিস,
খুঁটে খাচ্ছিস, আর ছড়াচ্থিস
ছানা বলেই না ঝলমলাচ্ছিস।

বেশ চলছিল, জানেন! সত্যি বলছি।
But দেশ এদের, আজো বাঁচিয়ে রেখেছে
তারা আসোলে কারা ?
যারা মরার আগেই মড়া
যারা বলে, বোকার হদ্দো,
করবো জব্দ, কেত হবে না, ভাই?
উঠতি মুলোই যে পত্তনে চাই
সংগে পেঁয়াজ আদা

রসুন বেটে নুন হলুদে
রঙীন করে দেবো,
কড়ায় ফেলে ভেজে দিয়ে
স্বর্গ দেখিয়ে দেব।।
বলোতো সন্দে লাগে কিনা,
দেশ কী ভাবেই রাজা উজির
আর কিচির মিচির
নাকি মুরগী আগে না ডিম?
সুজির সাথে লুচি হলে চলে
নাকি ধর্মের সাথে ভীম!
মুরগী যদি ডিম
পেড়ে দেয়,
কি করবে হাকীম!
ঠিক কিনা?


Blog Archive

নিজের ডিভাইস কে ভাইরাস মুক্ত করতে

নিজের ডিভাইস কে ভাইরাস মুক্ত করতে
ক্যাসপারস্কাই