West bengal Important Links

আনন্দবাজার পত্রিকা http://www.anandabazar.com/ *********এই সময় http://eisamay.indiatimes.com/ *********বর্তমানhttp://www.bartamanpatrika.com/ ********* সংবাদ প্রতিদিনhttp://www.sangbadpratidin.in/ ********* আজকালhttp://www.aajkaal.net/ ********* এবেলাhttp://www.ebela.in/
********* কর্ম সংস্থানhttp://www.karmosangsthan.com/ ********* কর্মক্ষেত্রhttp://www.ekarmakshetra.com/ ********* ফ্রেশারসওয়ার্ল্ডhttp://www.freshersworld.com/ *********টোয়েটি নাইনটিনhttp://www.twenty19.com/ ********* ভ্রমণhttp://www.bhraman.com/ ********* উইকিপিডিয়াতে বাংলাhttp://en.wikipedia.org/wiki/Bengali_language

Sunday, May 19, 2019

ফেসবুক বলে কথা


এক্সিট পোলের দায়িত্ব ফেসবুক ইংক কে কি দেওয়া উচিত? তার তো শাখাও আছে? জিরো জিরো সেভেনে একটা সিনেমায় দেখিয়েছিল, মিডিয়া ব্যারন তথ্যের মাধ্যমে পৃথিবীতে পরিবর্তন আনছে। ভাবা যায়?

আর এতো ভীষন বৃহত্তম গনতন্ত্রের জীবনীশক্তির পরিচয়। যেন, মহাসাগরের নানা অধ্যায়ের জল বার বার আছড়ে পড়ছে ভারত ভূমিতে। সঙ্গে গ্রীষ্ম + মানুষের উত্তাপের পরিচয়। এটাও পরম প্রাপ্তি। রামায়ন মহাভারতের মত  এরো কয়েক কান্ড আছে। এ নিয়েও গোপন রিপোর্ট তৈরি হবে। একটা সিদ্ধান্তে আসা যাবে। প্রতিষেধক তৈরি হবে।

যাই হোক, লগারিদিম বলে একটা ব্যাপার আছে। তাতে পছন্দ অপছন্দ আছে। আমার পোলারাইসড মাথা, ডিসকোর্স, কমেন্ট, ছবি, আচরণের মাধ্যমে ধিরে ধিরে একটা সিদ্ধান্তেও আসা সম্ভব। আর সেই মতই আমার কাছে তথ্য আস্তে শুরু করে। আমার মোবাইলে শব্দ ছবিও রেকর্ড হয়। ডেটা তৈরি হয়। বাদ দিন এসব জটিলতা।
ফিরে আসি,
বৈঞ্জানিক দৃষ্টিকোণে, ডুবে যাই জ্যোতিষ শাস্ত্রীয় এক্সীট পোল ক্যারিষ্মা তে। আর দুদে ভাতে আমি ভাবি, প্রধাণমন্ত্রী, থাকুন না, বদ্রিনাথে, অসুবিধে কই? দেশ তথা আমাদের কথাই ভাবছেন নিশ্চয়। ভোট নির্বাচন এসব তো আসবে যাবে। কিন্তু ২৩ শে মে কাশ্মীর। যদি কিছু একটা ঘটে যায় তখন?
বাদ দিন। আমি ভাবছি ওখানে দু একটা বোমা টোমা বা আল পটকা গুলি। কিস্যু এসে যায় না দেশের। আমি ভাবছি গুলির বোর নিয়ে। সাইজ নিয়ে। যদি একটু ছোট হয় মন্দ কি? বোরে ধরবে অনেক। দূরত্ব গতিবেগ টাও মন্দ হবে না?
আসলে এসবি কথার কথা। গুরুত্ত্ব দেবেন না।

আমি ভাবছি আন্তর্জাতিক মিডিয়া বলতে যে তামাম সংবাদপত্র ও চ্যানেলের যুযুধান প্রশ্নকর্তা, তাদের  কথা। তারা আমাদের কাছে কি কি প্রশ্ন ছুড়ে দেবেন? আমরা কি গুরুত্ত্ব দেব?
মানে
১. যে যে আন্তর্জাতিক সংস্থা, য্যামন হু, অাই এল ও র মত সংস্থ্যা তাদের কিথা কি ভেবে দ্যাখার নয়?
২. ভোট পরবর্তী মুদ্রাস্ফিতি, তেলে বা শেয়ারের দামে কি এক্সিট পোল প্রভাব ফেলবে? তাতে দেশের আমার তোমার কি আসে যায়?
আশা করি ইন্টেলিজেন্স ফ্যাক্টর আবারো কাজ করবে।
আসলে বাঙালী যতই না উত্তরের ডাল মিশিয়ে খেতে ভালোবাসে, তার চেয়ে মাথা না চিবোলে যেন  শান্তি নেই। মাছের মাথা। ওটি চিবিয়েই তো শতাব্দীর গল্প তরান্বিত হয়।
অনুশোচনা রইলো, ব্রেভ হার্ট সিনেমাটা বাঙলায় অাজো দেখা হলো না।
(ছবি  টি নেট থেকে)

Tuesday, May 14, 2019

বন্ধ জানালায় সন্দেহ  যাদের
ক্ষমা করে দিও, নিরাপত্তা দিও না।

 রূপ, রস গন্ধ। তাদেরই। যাদের লড়াই ভারসাম্যের জন্য।
প্রকৃতি কাউকে করেনি বঞ্চিত। যা কিছু বুকে তার সঞ্চিত, তিলে তিলে করেছে দান।
এ তাঁর অামরণ, বন্য ভালোবাসা, প্রাণের জন্য।

এসবই  কথার কথা।
আমরা, যারা  খিদে পেলে খাই। ভালোবাসা পেলেও খাই। সময় টাকে। আনন্দ হলে, হেসে,লাফিয়ে, নেচে প্রতিক্রিয়া জানাই।
এসব কেন - আজ, শুধু বন্ধু, পরিবার, আমার জন্যই সীমাবদ্ধ।
মানুষের কেন গন্ডি আছে? কেন এর বায়রে যাওয়া মানা? জানতে ইচ্ছে করে না।
আজ দুপুরে আম কেটে নুন তেল মাখিয়ে প্লাস্টিকের ঝাঝরি ঝুড়ি তে ঢেকে, রোদে শুকোতে দেওয়া হল। ভালো আচার হবে। তোমরা এসো কিন্তু।
যাই হোক, আমার একটা মাথা আছে। মন আছে। হাত, পা আছে। আর যা যা আপনি দেখতে আশা করেন। রাগ, দুঃক্ষ, অভিমান, প্রতিবাদ এসওব আছে।
মনের প্রাচ্য আছে। পাশ্চাত্ব্য, দ্বিধা, শ্রদ্ধা আছে। কিন্তু জ্ঞান নেই। কারণ কান্ড খানি মূল শুদ্ধু তুলে শিল নোড়ায় বেটে দেওয়া হয়েছে।

Friday, May 3, 2019

কোটি কোটি অশিক্ষিত আর উন্নয়নশীল দেশে, মেন্টালি এক্সপ্লোয়েট হবার প্রচুর কারণ আপনি খুঁজে পাবেন। দুঃক্ষ এটাই যে, এটা তাড়া করে বেড়াবে পরবর্তী প্রজন্ম কেও।  

Wednesday, April 24, 2019

৩৩ কোটি ভগবানের দেশে আজ ১৩৩ কোটি ভারতীয়। চমকে উঠি আরো যখন দেখি, আমেরিকা তেও জনসংখ্যা আজ ৩৩ কোটি।

Tuesday, April 23, 2019

স্বাধীন দেশ। আমরা স্বাধীন মানুষ। রেঁধে বেড়ে খাবো। ভোট আসলে ভোট দেব। ব্যাস, ফুরিয়ে গেল।
কিন্তু সেটি হতে দিলে তো?
ভোট আসলেই জ্ঞানের নাড়ি টনটনিয়ে ওঠে।
তাই, সবার আগে জমি চাই। মানে কচি কচি মাথা। গাট্টা মারলেই টকটক আওয়াজ হবে। সেই খালি জমি তে কর্ষন হবে।  হয়ে সব হিরে জহরত বেরোবে। তাই সবার আগে,  তিলে তিলে বোধ বুদ্ধি ঘিলু টাকে নিয়ম করে পিটিয়ে পিটিয়ে ছাতু কর। যাতে নতুন কিছু না ঢুকতে পারে। আর যা ঢোকাবো আমি ঢোকাবো। খারাপ গুলো আগে ঢোকাবো। মন গুলো কে সন্তপর্ণে এমন ভাবে বিষিয়ে তুলবো, যে বিরুদ্ধ মত, বা এর বিরুদ্ধ মানুষ দেখলে, শুনলেই যেন, ঘৃনা দলা হয়ে মনে যেন প্রতিহিংসার ভাব জেগে ওঠে।
ব্যাস বারুদ তৈরি।  তারপর ওতে কেরোসিন দিয়ে, জাস্ট একটা মাচিস।
তবে প্রথমে যেটা করতে হয়। চার ফেলতে হবে। পুকুরে যে ধরণের মাছ থাকে। চার ও তাই তফাৎ ভেদে ভিন্ন হবে।
আতাল, বেতাল, খোল করতাল, আগা পাসতলা খড় ভুষি টাইপ আকাট মার্কা কথা দিয়ে ভরিয়ে দাও। টেনে আনো স্বাধীনতার ভূত ভবিষ্যৎ। আর ছেড়ে দাও এই নিওলাইট দুনিয়ায়। তারপর রঙ্গ দেখো।
মানে, কে কত গাল দিল। কে কত টা গিলে, কথা বলছে। কার ট্যাঁকে কত দম। বা কে বেশি চেল্লালো। আর সেগুলোয় যখন কমেন্ট, লাইক, হাসি বিলোতে থাকে, তখন অলক্ষ্যে কারা যেন হাই ফাইভ দ্যায়।
এ বলে বাম্ফ্রন্ট ভালো, ও বলে কংগ্রেস, এ বলে বিজেপি, তো ও বলে তৃণমূল, এ বলে এসিউসিঅাই তো আরেক জন আরএস. পি।
সবাই ভালো। সব দল ভালো। ভীষন ভালো। আর এই এত এত ভালোর মধ্যে আসল আলো কিন্তু আপনি। বাকি টা অন্ধকার।
আরেক টা কথা হল, কোন সরকার কত খারাপ, কত ভালো। সেটা যাচাই করার যোগ্যতা আজো আমার হয় নি। এর জন্যে প্রচুর পড়াশোনা লাগে। কিন্তু সাদা চোখে যা দেখি, যা শুনি, বিশ্বাস করতে ভালো লাগে। এটুকুই। কিন্তু কিছু পরেই এমন কিছু শুনি দেখি যা ওই ভালো লাগাটায় বিষ মিশিয়ে দ্যায়। মনে খারাপ লাগে।
মাঝখানে কিন্তু এই ভূলে ভরা কথা, কোটি টাকার শ্রাদ্ধ্ব টা মিথ্যে হয়ে যায় না। মিথ্যে হয়ে যায় না, টাকা গুলো ভারত সরকারের ছাপানো। মিথ্যে হয়ে যায় না, এঁচোড়, কচুর লতি, মুরগির দামের ওঠা পড়ায়। মিথ্যে হয়ে যায় না, এই শোয়াশ কোটির দেশে কজন তা কেনে? মিথ্যে হয়ে যায় না, নিম্ন মধ্যবিত্তই তো প্রায় হাফের উপর।
তারপর আজ একজন বলছেন,
স্কুলে ভর্তি হয় ১০ লক্ষ। মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিকের আগেই তা দাঁড়ায় ২ লক্ষ। তারমানে ড্রপ আউট ৮ লক্ষ। এরাই মাটি কাটে, দিন মজুর বা টিপ বানায় বা রাখি তৈরি করে। এরপর এদের কাছে ওরা আসে। স্বপ্ন দেখায়। মানে সোজা কথায় বিন্দাস এক্সপ্লয়টেশন। চলুক।
চলুক না, কন্ট্রাডিকশন, মন্দ তো লাগছে না।
আগ্রম বাগ্রম বোম্বে বো, আসসি নব্বে পুরে স।
আমি শুধু আজকে, গুগলে সার্চ করলাম। দেশের বীর দিয়ে, পেলাম মাত্র সামাণ্য এই ক'টা ছবি। বড় করে দেখলে, কে বলতে পারে, আপনার পছন্দে মিলে যেতেই পারে। তাই ভরসা রাখুন। ভরসা করা জরুরী। বিশ্বাস করাটাও একটা পবিত্র দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।

যযৎকিঞ্চিতঃ

যদি রক্তের লাল কে বিশ্বাস কর তাহলে তুমি বামপন্থী। যদি সাম্যের দাবী আদায়ের পথে থাকো, নিরলস, অবিচল, তাহলে তুমি বামপন্থী। যদি  অন্ধবিশ্বাসের বিরুধ্বে রুখে দাঁড়াও তাহলে তুমি বামপন্থী। তুমিই সেই ভারত দেশের মুকুটে লাল পালক।
যদি দেশের ইতিহাসে আস্থা রাখো, তাহলে তুমি কংগ্রেসী। যদি দেশের স্বাধীনতা কে বিশ্বাস কর, তাহলে তুমি কংগ্রেসী। যদি গান্ধী নেতাজী প্যাটেলের পথে চলে থাকো, তাহলে তুমি কংগ্রেসী। জয় জওয়ান জয় কিষান, এই জয়ধ্বজের পতাকা যদি কাঁধে নিয়ে থাকো। তাহলে তুমি কংগ্রেসী।

আর সত্য ধর্মের ন্যায় প্রতিষ্ঠা যদি চেয়ে থাকো। তুমি বিজেপি। যদি সনাতনের আচার মেনে চলে থাকো, তুমি বিজেপি। যদি, ডিসিপ্লিন আর একাত্মবাদে নিষ্ঠা রেখে থাকো, তাহলে তুমি বিজেপি। যদি দেশ কে যারা শুষে নিয়েছে মানে, যে জাতি, তা ইংরেজ, মুঘল,  সুলতান আর বাকি যারা  সব তোমার  শত্রু হয়ে থাকে। তাহলে তুমি বিজেপি।

কিন্তু যদি বিশ্বাস করে ঠকে গিয়ে থাকো, তাহলে বিশ্বাস রেখো যে,  তুমি তৃণমূল। যদি বিশ্বাস ফের ফিরে পেয়ে থাকো। তাহলেও তুমি তৃণমূল। যদি দেশের কাজে নিজের বিসর্জন চেয়েছো। তালেও তৃণমূল। যদি উঠে দাঁড়ানোর ঘাত প্রতিঘাতে জমি ফিরে পেয়েছো, তুমি তৃণমূল। এতো সামান্য সময়ে, স্বমহিমায়,  তবু বৈচিত্রময়, নিজের প্রতিষ্ঠা অর্জন করে থাকো। তার মানে তৃণমূল।
আরো
রয়েছে এমন অনেক দলের উদাহরণ। কিন্তু উপোরের সব লেখাই দল পরষ্পরে ভীড়ে খুব যায়। প্রশ্ন, গল্প অনেক টাই থাকে যেন সেই না কাহা শুনার কথার মত।

তবু আমি বর্ণময় কেই চেয়েছি বেশি করে। হাসি হাসি সেকুলার মানুষের ভীড়ে কিন্তু  আমি তোমাকেই আমি খুঁজেছি।
যদি তুমি তোমার কাজ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো। মানুষ। যদি তুমি ভূল করে থাকো। ভূল কে না করেছে, এ জগতে? তবু পিঠ না ঠেকিয়ে যদি সজ্ঞানে কারো অপকার না করে উপরে উঠে থাকো। তুমি মানুষ। যদি অন্যের দুঃক্ষ তোমায় বিচলিত করে থাকে। আজকালকার দিনে যেটা একটু হলেও নাড়া দিয়ে যায়। তাহলেই মানুষ।
মানুষ অর্থ ব্যাপকভাবে।
কিন্তু যদি তুমি দেশ, কাল, সমাজ, পরিবারের হিত নিয়ে ওয়াকিবহাল থাকো, তাহলে কিন্তু তুমি একজন সফল নাগরিক। আর নাগরিক হয়ে দেশের পৌরহিত্যে বা পুজো করা মুখের কথা নয়।
স্বাধীন দেশ। আমরা স্বাধীন মানুষ। রেঁধে বেড়ে খাবো। ভোট আসলে ভোট দেব। ব্যাস, ফুরিয়ে গেল।
কিন্তু সেটি হতে দিলে তো?
ভোট আসলেই জ্ঞানের নাড়ি টনটনিয়ে ওঠে।
তাই, সবার আগে জমি চাই। মানে কচি কচি মাথা। গাট্টা মারলেই টকটক আওয়াজ হবে। সেই খালি জমি তে কর্ষন হবে।  হয়ে সব হিরে জহরত বেরোবে। তাই সবার আগে,  তিলে তিলে বোধ বুদ্ধি ঘিলু টাকে নিয়ম করে পিটিয়ে পিটিয়ে ছাতু কর। যাতে নতুন কিছু না ঢুকতে পারে। আর যা ঢোকাবো আমি ঢোকাবো। খারাপ গুলো আগে ঢোকাবো। মন গুলো কে সন্তপর্ণে এমন ভাবে বিষিয়ে তুলবো, যে বিরুদ্ধ মত, বা এর বিরুদ্ধ মানুষ দেখলে, শুনলেই যেন, ঘৃনা দলা হয়ে মনে যেন প্রতিহিংসার ভাব জেগে ওঠে।
ব্যাস বারুদ তৈরি।  তারপর ওতে কেরোসিন দিয়ে, জাস্ট একটা মাচিস।
তবে প্রথমে যেটা করতে হয়। চার ফেলতে হবে। পুকুরে যে ধরণের মাছ থাকে। চার ও তাই তফাৎ ভেদে ভিন্ন হবে।
আতাল, বেতাল, খোল করতাল, আগা পাসতলা খড় ভুষি টাইপ আকাট মার্কা কথা দিয়ে ভরিয়ে দাও। টেনে আনো স্বাধীনতার ভূত ভবিষ্যৎ। আর ছেড়ে দাও এই নিওলাইট দুনিয়ায়। তারপর রঙ্গ দেখো।
মানে, কে কত গাল দিল। কে কত টা গিলে, কথা বলছে। কার ট্যাঁকে কত দম। বা কে বেশি চেল্লালো। আর সেগুলোয় যখন কমেন্ট, লাইক, হাসি বিলোতে থাকে, তখন অলক্ষ্যে কারা যেন হাই ফাইভ দ্যায়।
এ বলে বাম্ফ্রন্ট ভালো, ও বলে কংগ্রেস, এ বলে বিজেপি, তো ও বলে তৃণমূল, এ বলে এসিউসিঅাই তো আরেক জন আরএস. পি।
সবাই ভালো। সব দল ভালো। ভীষন ভালো। আর এই এত এত ভালোর মধ্যে আসল আলো কিন্তু আপনি। বাকি টা অন্ধকার।
আরেক টা কথা হল, কোন সরকার কত খারাপ, কত ভালো। সেটা যাচাই করার যোগ্যতা আজো আমার হয় নি। এর জন্যে প্রচুর পড়াশোনা লাগে। কিন্তু সাদা চোখে যা দেখি, যা শুনি, বিশ্বাস করতে ভালো লাগে। এটুকুই। কিন্তু কিছু পরেই এমন কিছু শুনি দেখি যা ওই ভালো লাগাটায় বিষ মিশিয়ে দ্যায়। মনে খারাপ লাগে।
মাঝখানে কিন্তু এই ভূলে ভরা কথা, কোটি টাকার শ্রাদ্ধ্ব টা মিথ্যে হয়ে যায় না। মিথ্যে হয়ে যায় না, টাকা গুলো ভারত সরকারের ছাপানো। মিথ্যে হয়ে যায় না, এঁচোড়, কচুর লতি, মুরগির দামের ওঠা পড়ায়। মিথ্যে হয়ে যায় না, এই শোয়াশ কোটির দেশে কজন তা কেনে? মিথ্যে হয়ে যায় না, নিম্ন মধ্যবিত্তই তো প্রায় হাফের উপর।
তারপর আজ একজন বলছেন,
স্কুলে ভর্তি হয় ১০ লক্ষ। মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিকের আগেই তা দাঁড়ায় ২ লক্ষ। তারমানে ড্রপ আউট ৮ লক্ষ। এরাই মাটি কাটে, দিন মজুর বা টিপ বানায় বা রাখি তৈরি করে। এরপর এদের কাছে ওরা আসে। স্বপ্ন দেখায়। মানে সোজা কথায় বিন্দাস এক্সপ্লয়টেশন। চলুক।
চলুক না, কন্ট্রাডিকশন, মন্দ তো লাগছে না।
আগ্রম বাগ্রম বোম্বে বো, আসসি নব্বে পুরে স।
আমি শুধু আজকে, গুগলে সার্চ করলাম। দেশের বীর দিয়ে, পেলাম মাত্র সামাণ্য এই ক'টা ছবি। বড় করে দেখলে, কে বলতে পারে, আপনার পছন্দে মিলে যেতেই পারে। তাই ভরসা রাখুন। ভরসা করা জরুরী। বিশ্বাস করাটাও একটা পবিত্র দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।

যযৎকিঞ্চিতঃ

যদি রক্তের লাল কে বিশ্বাস কর তাহলে তুমি বামপন্থী। যদি সাম্যের দাবী আদায়ের পথে থাকো, নিরলস, অবিচল, তাহলে তুমি বামপন্থী। যদি  অন্ধবিশ্বাসের বিরুধ্বে রুখে দাঁড়াও তাহলে তুমি বামপন্থী। তুমিই সেই ভারত দেশের মুকুটে লাল পালক।
যদি দেশের ইতিহাসে আস্থা রাখো, তাহলে তুমি কংগ্রেসী। যদি দেশের স্বাধীনতা কে বিশ্বাস কর, তাহলে তুমি কংগ্রেসী। যদি গান্ধী নেতাজী প্যাটেলের পথে চলে থাকো, তাহলে তুমি কংগ্রেসী। জয় জওয়ান জয় কিষান, এই জয়ধ্বজের পতাকা যদি কাঁধে নিয়ে থাকো। তাহলে তুমি কংগ্রেসী।

আর সত্য ধর্মের ন্যায় প্রতিষ্ঠা যদি চেয়ে থাকো। তুমি বিজেপি। যদি সনাতনের আচার মেনে চলে থাকো, তুমি বিজেপি। যদি, ডিসিপ্লিন আর একাত্মবাদে নিষ্ঠা রেখে থাকো, তাহলে তুমি বিজেপি। যদি দেশ কে যারা শুষে নিয়েছে মানে, যে জাতি, তা ইংরেজ, মুঘল,  সুলতান আর বাকি যারা  সব তোমার  শত্রু হয়ে থাকে। তাহলে তুমি বিজেপি।

কিন্তু যদি বিশ্বাস করে ঠকে গিয়ে থাকো, তাহলে বিশ্বাস রেখো যে,  তুমি তৃণমূল। যদি বিশ্বাস ফের ফিরে পেয়ে থাকো। তাহলেও তুমি তৃণমূল। যদি দেশের কাজে নিজের বিসর্জন চেয়েছো। তালেও তৃণমূল। যদি উঠে দাঁড়ানোর ঘাত প্রতিঘাতে জমি ফিরে পেয়েছো, তুমি তৃণমূল। এতো সামান্য সময়ে, স্বমহিমায়,  তবু বৈচিত্রময়, নিজের প্রতিষ্ঠা অর্জন করে থাকো। তার মানে তৃণমূল।
আরো
রয়েছে এমন অনেক দলের উদাহরণ। কিন্তু উপোরের সব লেখাই দল পরষ্পরে ভীড়ে খুব যায়। প্রশ্ন, গল্প অনেক টাই থাকে যেন সেই না কাহা শুনার কথার মত।

তবু আমি বর্ণময় কেই চেয়েছি বেশি করে। হাসি হাসি সেকুলার মানুষের ভীড়ে কিন্তু  আমি তোমাকেই আমি খুঁজেছি।
যদি তুমি তোমার কাজ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো। মানুষ। যদি তুমি ভূল করে থাকো। ভূল কে না করেছে, এ জগতে? তবু পিঠ না ঠেকিয়ে যদি সজ্ঞানে কারো অপকার না করে উপরে উঠে থাকো। তুমি মানুষ। যদি অন্যের দুঃক্ষ তোমায় বিচলিত করে থাকে। আজকালকার দিনে যেটা একটু হলেও নাড়া দিয়ে যায়। তাহলেই মানুষ।
মানুষ অর্থ ব্যাপকভাবে।
কিন্তু যদি তুমি দেশ, কাল, সমাজ, পরিবারের হিত নিয়ে ওয়াকিবহাল থাকো, তাহলে কিন্তু তুমি একজন সফল নাগরিক। আর নাগরিক হয়ে দেশের পৌরহিত্যে বা পুজো করা মুখের কথা নয়।

Tuesday, April 9, 2019

মনের মত পাগল পেলাম না।

"The lamentable condition of India at present is due to England's culpable neglect of, and gross apathy to, the affairs of that Empire. England has hitherto failed,  grievously  failed - in the discharge of her sacred duties to India."
Acharya Prafulla Chandra Ray.

আমাকে দুটো কথা কড়াঘাত করে, একটা 'lamentable condition' আরেক টা 'Sacred duties.'
তাই হয়তো, এসব ভাবা।

পঞ্চম শ্রেনী থেকে দ্বাদশশ্রেণী। অতি সাধারণ ভারতীয় মানে   ৮০% ছাত্রছাত্রীর মনে বিষয়, অধ্যায়, ভূগোল, বিজ্ঞান কতটা রেখাপাত করে, তা নিয়ে গভীর সন্দেহ, আশংকা আজও রয়েই গেছে।

আচার, ব্যবহার, কথা বলায় বা আচরণেই তার বহিঃপ্রকাশ।
এক্ষেত্রে যে, শিক্ষক শিক্ষিকা শুধুই একটা অনিষ্টকর বস্তুবাদের দিকে ধাবিত, সেটা কারো কাছে ভাবনার বিষয় নাই বা হতে পারে।

কিন্তু, শিশু ভূমিষ্ঠ হবার পর থেকেই তার পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার লড়াই চলে আমৃত্যুকাল। কিন্তু মাঝের সময় টায় পরিস্থিতি, রাজনীতি, কর্মসংস্থান বা জীবন ধারণের অদ্ধ্যায় টায় মনে হয়, যেন কি প্রতিকূল অর্বাচীন বিমূর্ত বিমুখ পরিস্থিতির জাঁতাকলে, যেন প্রাণ যায় যায়।
সেখানে না আছে লেবেলের হাত পা ছোঁড়া না কোন সুনিশ্চিৎ প্রস্তুতির ভাবনা। হাতের কাজ শেখা টাও যেন ছোটলোক ছোটলোক ফিল। ভাবা যায়?
আর অভিভাবকের, এটা করিস না, ওটা করিস না তো আছেই। যেটা তাকে ভেতরে ভেতরে আড়ষ্ট করে তোলে, সেই বা কে কাকে বোঝাবে?

তাই শিক্ষা  বিষয় টাই যেন, ঘোরতর কঠিন তম অদ্ধ্যায়। আলোচনা করি না, ভাবতে চাই না। ভাবাতেও চাই না। উল্টোপাল্টা অহেতুক পালিয়ে বাঁচলেই যেন বাপের নাম টাইপ। ভাবা যায়?
অথচ এমনো সময় গ্যাছে, পড়াশোনা না হলেও, পরিবেশের খাতিরে, ছেলেমেয়ে অবাক বিস্ময় হয়ে গ্যাছে। আর এখন দ্যাখো

এ শিক্ষা র্রীদ্ধ ত হতে তো শেখায় ই  না। এ শিক্ষা আগুন হতেও শেখায় না। এ শিক্ষা প্রশ্ন করতেও শেখায় না।
এ শিক্ষা আজ হাস্যকর এক পরিস্থিতির শিকার, সেটাও কেউ দেখায় না।
এ শিক্ষা নিয়ে কেউ কথা বলতে উঠলে, তার কথা চট জলদি ফুরিয়ে যায়। ইচ্ছে টার মৃত্যুটাই যে অবশ্যম্ভাবী, এমন টাই বাতাসে ভাসে।
বাদ দিন।
কিন্তু জগৎ টা যে ধিরে ধিরে অটোমেশনের যুগে এগোচ্ছে। কিন্তু এটা আজ নয়, ১০০ বছর আগে, প্রফুল্য চন্দ্র যা লিখচেন,
 " more than forty years ago, while a student of Edinburgh I almost dreamt, a dream that, God willing, a time would come when modern India would also be in a position to contribute her quota to the world's stock of scientific knowledge, and it has been my good fortune to see my materialise."

অথচ, প্রযুক্তির দিক থেকে আমরা কি ভয়ানক পিছিয়ে। কত সামাণ্য বুদ্ধিতে বিদেশ কত যে বিদেশী মুদ্রা ঘরে তোলে। হায়, তবু আমরা ক্লাসে এসব নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসি না।

পরিবেশের ক্লাসে ঘরের আশে পাশের অবস্থা নিয়ে ছাত্র ছাত্রী রা যে প্রোজেক্ট জমা দেবে। সে ক্লাস দেখলে হয়ত পরিবেশবীদ রাও আমাদের মত খলখলিয়ে না হেসে, আরো উন্নতি করার পরামর্শ দেবে।
 তবু আমরা এসব ক্লাসে বলতে ভালোবাসি না। বাস্লেও কাকে বোঝাচ্চি ভেবে চুপ রই। ডাক্তারি, শিক্ষকতা, ইঞ্জিনিয়ারিং জীবিকার কতশত বিভাজন ঘটে গ্যাছে তার কত টুকু খোঁজ রাখি? রাখার দরকার আছে কি? কি হবে রেখে, ভাসা ভাসা কিছু শব্দ আঁকড়ে, কত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে শুধু দায়িত্বের ভান করা দাবী রেখে? হাস্যকর লাগে আরো, চোখেও লাগে নিজের, আমি এসব ভাবচি দেখে?
 কিন্তু বিশ্বাস করুন বা নাই করুন, শিক্ষকতার নামে এই যে একটা দালালী বা কাঙালীপণা আগে ছিল না। সত্যি বলছি। কিছু ছিল, যেটা প্রকাশ্যে আস্তে দেওয়া হত না। এখন, সত্যি এযে কি বিষমরূপ! তা নিয়ে সরকারের ভাবা উচিত।

ভীরুতা, কাপুরুষতা, অতি চালাকি বা গুছিয়ে নেওয়া - এসব শিক্ষাই আজ সাধারণ ছাত্র ছাত্রীর কপালে জোটে।
নয়তো বা চুড়ান্ত একটা অবক্ষয়। নইলে কেন মনে হবে, যে হঠাৎ কুকুর/বাচ্চা কে কোলে নিয়ে বিস্কুট খাওয়ালেই মনুষ্যত্বের পরিচয় দেওয়া হল? হঠাৎ মনে হল, ১০ টাকা ফুটপাতে গুঁজে দিলাম। কিন্তু এভাবে ত চলতে পারে না। জানি না সেইন্ট জোসেফ, ডন বস্কো বা সেই হেবি স্কুল কি শেখায়? জানি না সেই শিক্ষক শিক্ষিকার সঙ্গে আমজনতার স্কুলের তফাত কোথায়?
ডিসিপ্লিন নাকি ছাত্র ছাত্রীর অবস্থা, নাহঃ।
এসব আমার ধর্তব্যেরই মধ্যে আনতে চাই না।
আম জনতার শিক্ষক শিক্ষিকা কে সেই প্রতিকূলতা তেই ঠিক করে নিতে হবে তার কর্ত্তব্য।
কিন্তু হায়।
সেই দুষ্ট, সুবিধাভোগী, নামদার শিক্ষক শিক্ষিকা। যাদের অভিযোজন কি ভয়ানক সংক্রামক নীতিভ্রষ্ট। ওরা গোনে আজও তাকে ক'টা ক্লাস নিতে হবে!

Saturday, March 23, 2019

ওরা কারা, যারা এখনো রিসার্চ করে বই লেখে? যদি ভারতবর্ষ বা পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে প্রতি বছরের খন্ড বেরতো?  লেখা থাকতো, সাধারণ মানুষের পাওয়া না পাওয়ার কথা।
লেখক কাগজ পড়তো সেই রোজ নিয়ম করে । কাটিং রাখতো। ভাবতো। এটা ওটা সেটা থেকে নিতো নোট। বা লাইব্রেরি দৌঁড়তো। বা বসতো বেশ আয়েশ করে। তারাশংকর নাই বা হোল। তারপর লিখতো নিজের মত, মাত্র, চার পাতা করে।
কি আর এমন লিখতো। শিক্ষাই হত বেশি। সেই ত গুরু।
তবু লিখত হয়তো সেই জীবন যন্ত্রণার কথা। বা ভালোবাসার কথা।  বা থাকতো তথ্যসমৃদ্ধ্য চিত্তমনোরঞ্জন। নাই বা থাকলো হাটুরের জীবন। মন মানেই তো কতো ভাবনার অবসর।
বা সেদিনের মত যদি বাধ্য হত প্রশ্ন উঠতে?
অথচ এটা সত্যি যে, ডিজিটাল যুগের অগ্রগতির সাথে এগুলোও যেন বড্ড দূরে চলে যাচ্ছে। যেন ওই তারারাও কত আলোকবর্ষ দূরে। নিষ্ঠা আর ভালো সলিড অধ্যায় গুলোও যেন যাচ্ছে ক্রমে সরে সরে।
সেই কোথায় গেল, নীরদচন্দ্র, কোথায় গুহ?কোথায় উমাপ্রসাদ? মুল্ক তুমি কোথায়? যে রাজ করে ছিলে? আর সেই সাংবাদিক ভাদুড়ী? আহা।  ও মুন্সী  তুমি বা কোথায়? আরো কত কী যে আঁকা থাকে মনে, মর্মের পাতায়।

আর এই যে, এ ডিজিটাল যুগের বয়স কত হল?
আমরা এর কত টা কাজে লাগিয়েছি? 

এ যুগ কলঙ্কিনী ডিজিটালের, এ যুগ যেন ডিজিটাল কল্লোলের। মিসালের নয়, বিশালের আধিপত্যই মূল্য দিচ্ছে যেন!
লোকে বলে, এ যুগ আজ টেক ইট ইজি উর্বষীর।

তবু বাতি দিতেই হয় অন্ধকার হলে।
বিশ্বাস যে, এ যুগেই যেন আমার অপেক্ষার অবসান। আমি গৌরব অনুভব করি তাদের দেখে, যারা অবক্ষয়ের ইতিহাস থেকে উঠে দাঁড়িয়ে প্রেরণা যোগায়। আমার ভালো লাগে সেই চিরপরিচিত মানুষের ছবি দেখতে। যার রক্ত মাংসে গড়া শরীরী অবস্থান আজো ত্যামনি আছে।

ভাবতে অবাক লাগে ডিজিটাল এই যুগের চাকরি, ব্যাবসা, গান, আনন্দ, খাদ্য সব ই যেন এর সাথে ওতপ্রতঃ ভাবে জড়িত। আর এই খানেই আমরা বড্ড পিছিয়ে। আমরা পিছিয়ে ভাষা নিয়ে। ধর্মের যদি ভালো কিছু থেকে থাকে তাকেও প্রমোট করতে যেন চুড়ান্ত ব্যার্থ তা নিয়ে।
পারি হয়তো ভালো জিফ ফাইল গড়তে। যাতে না না উৎসবের কারণে বন্ধু কে পাঠাবো। বা পারি ভালো আরো ভালো ফন্টের জন্ম দিতে। আমরা পারি কর্মসংস্থান, কর্মক্ষেত্র, employment exchange  ছেড়ে ডিজিটাল সহজ মাধ্যম। বা আমরা চেষ্টা করলেই কাজের নানা মাধ্যম ডিজিটাল মাধ্যমে তুলে ধরতে পারি। আমরা চাইলেই বাজার, কৃষি, ভ্রমণ নিয়ে প্রতি জায়গা তেই স্বপ্নের দুয়ার  খুলতে পারি।
বা প্রতি অঞ্চলেই প্রতিযোগিতার সুস্থ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারি।
পারি তো অনেক কিছুই। সব ই ভাবনা থেকে যায়। এভাবেই কত শত স্বপ্নের কথা যে সরকারি অফিসে ফাইল বন্দী। বছরের পর বছর আসে, ভাবে, লেখে, বলে কিন্তু বিধান সভা বা লোকসভায় আর পৌঁছায় না।   
বায়রে আমাদের পাড়ার কুকুরের সংে ও পাড়ার কুকুরের বড্ড চ্যাচামেচি চলছে। বাধ্য হয়ে কানে বালিশ চাপা দিই। তবু
আমি ভূলি না। ভূলতে পারি না যে আমার দেশ সেকুলার। আমার দেশ গনতান্ত্রিক। আমার দেশ সমাজ তান্ত্রিকতায় বিশ্বাসী।

ভাবাটা আসলে বাজে অধ্যায় যে সব ছাত্র ছাত্রীর (আমরা প্রত্যেকেই)
তাদের জন্যই আমার কন্যার এক বিস্ময়কর ছবি। স্মৃতি,  বলতে পারেন, আমার ভালো লেগেছে বা বেশ করেছি, পোস্ট করেছি, সেই অপর্ণা সেনের মত আরকি।
ও পাশে আম গাছে বসে, এক না দ্যাখা কোকিলের টানা চিৎকারে বাকি পাখি গুলোও চেচিয়ে উঠছে। যেন এ, না মানুষের ভোরে  তিব্র গুঞ্জন ভোর সমাজের সভায় দাবী রাখছে।

Sunday, February 24, 2019

১৯- শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯



এসো না ভাই,  একটু ওয়াইন খাই? হি হি হি। না না দোষের কিছু নেই। এটা দিশি পতঞ্জলি ওয়াইন। সংগে থাকবে স্টাফড বেকড কিছু একটা। আর হাল্কা করে চলবে চাদারিয়া, রিনি রে ঝিনি। মন মাতাল সাঝ সকাল শুধু....
মাথাটায় যা কিছু জঞ্জালাদি তে পরিপূর্ণ, সব হবে ধুয়ে মুছে সাফ। অনেক টা 'চর্ব্য-চূষ্য-লেহ্য-পেয়'  এমন টাও হয়।
আকাশ বাতাস রঙিন মনে হবে।
দেখবো কোটি কোটি টাকা উড়ছে আকাশে। যুদ্ধ বিমান উড়ছে। কথা উড়ছে। উড়ছে প্রেম আশা। ভালোবাসা। + কর্মসংস্থান উড়ছে। আবেগ উড়ছে। ফসল উড়ে যাচ্ছে। ভায়ে ভায়ে চিতপটাং খেলার সাথে সেই অনেক টা, চিড়িয়া উড়। ছলছলাইয়া মাঝি রে তোর...

কারা যেন নিয়ম করে বড় বড় সব অনুষ্ঠান, মিটিং উদ্বোধনের এর মাধ্যমে, নিজের কাজ নিয়ম করেই করে যাচ্ছেন। যা দেখে আমার শেখা উচিত।

অথচ আমাকে দেখ, বালিশ টাকে সোজা করে দাঁড় করিয়ে, শরীর হেলিয়ে সেই এক ভাবনায় ডুবে। বুঝতে পারছি না এটা কেন হচ্ছে?

এর মানে কী নাগরিক হিসেবে, ওনার থেকে আমার আবেগ বেশী? হবে হয়ত বা। ভালোবাসা প্রেম রোগ লেগেছিল আমারো।
আবার না হবার চান্স টাই বেশী। দিনকাল এটাই বলছে, অন্তত।

 কিন্তু এই আবেগ টা মিসিউস হচ্ছে নাতো? ভয় হচ্ছে, আমার মত কোটি কোটি নাগরিকের আবেগ নিয়ে দাবা খেলা চলছে, নাতো? চলছে হয়তো। 

 ১. শুধু কাশ্মীরেই? সৈন্যদের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে, তাইতো?

২. ভোট বৈতরণী পার লাগাদে, তাই নরসংহার হতেই হবে, এ আমার দেশের প্রাচীন ঐতিহ্য। তাইতো?

৩. বলছেন কী, আরো বাকী? দূর, বলছি কোথায়?

(কেউ তো আর প্রতিশ্রুতি দ্যায় নি যে আর হবে না)

৪. এযে "বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য।" কথা টা শুধু দেশের নাগরিক দের জন্য। ভিন্ন সেই রাজনীতিক দের জন্য। (বিদুষকঃ পেছন থেকে, অকর্মন্য অকর্মন্য) কী তাইতো?  তাহলে জোর সে বোলো।

৫. সুরক্ষা বলয়ের রকমারি x,y,z ক্যাটাগরি। দেশের নাগরিক দের কোন ক্যাটাগরি দেওয়া হয়? কী জানেন না?

৬. উম, আমি জানি, আপনি, গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং, ৭১ কে কাশ্মীরের সংগে এখন মিলিয়ে দেখছেন। কী? ভারি মজা না?

৭. নাঃ কাউকে খুশী করা নয়। ভয় টাও তামাদি, তাচ্চে ভারতে কিন্তু লাইন অফ কন্ট্রোল পেরিয়ে অধিকারের রাস্তায় গেলে, পৃথিবীর কেউ বাধা দেবার নেই। এত গুলো বছর তো আর কম সময় নয়? কী বন্ধু?

৮. যদিও আজো আমেরিকান সৈন্য অাবগানিস্থানে, মনে হয় ওরাও ওখানের ইস্যু মেটাতে পারেনি। যেমন টা ইস্রায়েলে চলছে।

৯. ক্ষমতা, ধর্ম আর সন্ত্রাস এই এক যায়গায় এসে দাঁড়িয়ে। এখানেও কী একটু অক্সিজেন জরূরী নয়?

১০. কিন্তু মরমিয়া বিশ্বাস টার কী করি বলুন। ভরসা টা তবু যেন ছেড়ে যেতে গিয়েও যাচ্ছে না।

এ লেখার শেষে মনে হল, কই আমাকে ত বাংলাদেশী ব্লগার মনে হচ্ছে না।

ছবি টা ফোরসিজন ওয়াইনের। খুব বেশী দাম ছিল না কিন্তু। হরেক রকমের ড্রিংক্স। ব্রিটিশ কোম্পানি দিয়গোর (স্মর্ণঅফ, জনি ওয়াকার) হাত ধরে এই উৎপাদন ইউবি গ্রুপ ভালোই শুরু করে ছিল।
এখানে লোকাল ব্যবসায়ী রাও আশা করেছিল, হয়ত রাজ্যে এর কারখানাটাও হবে। পুনে তে উৎপাদন টাও শুরু হল। কিন্তু কোথা থেকে কি যে হয়ে গেল।
দিয়েগো কোম্পানি টাই এখন চিনের হাতে। ওখানের এক কোম্পানী মন যা চায়ের হাতে ( মনতাই)। আর ইউবি গ্রুপের এত বড় রাজ্য পাট ও প্রায় অস্তমিত।
জাদুর আদি উৎস অনেক প্রাচীন। আদি নাম ইন্দ্রজাল। শব্দটি এসেছে স্বর্গের দেবতা ইন্দ্র থেকে। তিনি অসুর দমনের জন্য মায়ার জাল বিস্তার করতেন। এই মায়াবিদ্যাকেই সেকালে ইন্দ্রজাল, কুহক, সম্মোহন, মোহিনীবিদ্যা, সংবদন, হস্তলাঘব কলা, কার্মণ্য যতু (জাদু) ইত্যাদি বলা হতো। ইংরেজির ম্যাজিক, হিপনোটিজম এবং মেসমেরিজমও একই ব্যাপার। তবে আজ জাদু বিদ্যা একটি উচ্চাঙ্গের শিল্পকলা ও জনপ্রিয় বিনোদন মাধ্যম।
বাংলাদেশেও জাদুবিদ্যার ইতিহাস অতি প্রাচীন। সেই তখন থেকে আজ পর্যন্ত জাদুর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে যে কজন সেরা জাদুকরের নাম করা যাবে, তাদের মধ্যে যিনি সর্বশীর্ষে, তার নাম জাদুসম্রাট প্রতুলচন্দ্র সরকার, যিনি বিশ্বের কোটি কোটি জাদুপ্রিয় মানুষের কাছে পি. সি. সরকার নামেই সমধিক পরিচিত। জাদুর ইতিহাস যিনি এক কিংবদন্তি পুরুষ।
সারাবিশ্বে শুধু জাদুর খেলা দেখিয়েই তিনি গোটা বাঙালি জাতির জন্য কুড়িয়ে এনেছেন অনেক সুনাম আর গৌরব। শুধু বাংলাদেশ বা ভারত উপমহাদেশ নয়, পৃথিবীরও বোধ হয় এমন দেশ নেই, যেখানকার শিক্ষিত মানুষেরা জাদুকর পি. সি. সরকারের নাম জানেন না।
কৃতিপুরুষ পি. সি. সরকারে জš§ বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার আশেকপুর গ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯১৩ সালে। বাবার নাম ভগবানচন্দ্র সরকার এবং মায়ের নাম কুসুমকাহিনী দেবী।
প্রতুল ছিলেন বাবা মায়ের বড় ছেলে। তারা ছিলেন দুই ভাই। তার আরেক ভাই অতুল সরকারও পরে জাদুবিদ্যায় সুনাম অর্জন করছিলেন।
টাঙ্গইলের শিবনাথ হাইস্কুলে শুরু হয় তার শিক্ষাজীবন। বাল্যকাল থেকেই জাদুখেলার প্রতি নেশা ছিল প্রতুলের। তাদের পরিবারে আগে থেকেই অনেক জাদুখেলা দেখাতেন। সেই বংশগত ঐতিহ্যই তার ওপর বেশী প্রভাব ফেলেছিল।
তিনি যখন সপ্তম/অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র, তখন থেকে মজার মজার জাদুর খেলা দেখিয়ে সবাইকে অবাক করে দিতেন। বাল্যকাল থেকেই তিনি পাঠ্যপুস্তুকের পাশাপাশি জাদুর বইও পড়তে শুরু করেন। স্কুলের লাইব্রেরিতে জাদু শেখার ওপর যত বই ছিল, সব পড়ে শেষ করেন প্রতুল।
প্রথম শ্রেণীতে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি এসে ভর্তি হন করটিয়া সাদত কলেজে। তখন কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন বিখ্যাত লেখক ও শিক্ষাবিদ ইব্রাহিম খাঁ।
কলেজে এসেও চলল জাদুর ওপর পড়াশোনা আর ম্যাজিকের চর্চা। সারা কলেজে তখন তার প্রচুর নাম ডাক। চায়ের দোকানে, খেলার মাঠে সকলের মুখে মুখে প্রতুলের অদ্ভুত জাদুর খেলার প্রশংসা।
এমন সময় একদিন সাদত কলেজ পরিদর্শন করতে এলেন কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সপেক্টর ড. হরেন মুখার্জি এবং তার সঙ্গে এলেন কোলকাতার আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মি. হার্লে। তাদের আগমন উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয়, প্রতুলের জাদু প্রদর্শনীর। প্রতুল অনুষ্ঠানে এমন সব চমৎকার জাদুখেলা দেখালেন যে, তারা দুজনেই খুবই মুগ্ধ হয়ে গেলেন।
কলেজে এসেই তিনি নিজের নাম একটু পরিবর্তন করে রেখেছিলেন পি. সি. সোরকার। সোরকার একটি ইংরেজি শব্দ, যার অর্থ জাদুকর। তিনি নিজের পদবি সরকার বাদ দিয়ে সোরকার করেছিলেন বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও ব্যাপক প্রচার লাভের জন্য। দীর্ঘদিন পর্যন্ত এই পি. সি সোরকার নামই ছিল তার। তারার যখন বিশ্বব্যাপী খ্যাতিন হয়ে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন, তখন ফিরে গিয়েছিলেন নিজের পদবিতে পি. সি. সরকার। এখনো তিনি এই নামেই পরিচিত।
তিনি ১৯২৯ সালে প্রথম বিভাগে প্রবেশিকা পাশ করেন এবং করটিয়া সাদত কলেজে ভর্তি হন।
করটিয়া কলেজে পড়ার সময়ে তিনি হিপ্লোটিজম নামে একটি বইও লিখেছিলেন। তখনকার করটিয়া কলেজ ছিল ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত। তাই ১৯৩১ সালে আইএ পাস করে ডিগ্রী পড়ার জন্য তিনি ভর্তি হন ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে এসে। এই কলেজ থেকে তিনি অংকে অনার্স নিয়ে বিএ পরীক্ষা দেন।
আনন্দমোহন কলেজে পড়ার সময় তিনি ম্যাজিক শিক্ষা নামে আরও একটি বই লেখেন। পড়াশোনা শেষ করে তিনি জাশুকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। ইতিমধ্যে তার নাম ডাক এতটাই ছড়িয়ে পড়ে যে, তিনি হলে অথবা কোথাও ম্যাজিক দেখাচ্ছেন শুনলেই দেখতে দেখতে প্রচুর দর্শক জড়ো হয়ে যেত।
১৯৩৭ সালে ২৪ বছর বয়সে তিনি সর্বপ্রথম জাপানে যান। সেখানে তিনি জাদুর খেলা দেখিয়ে প্রচুর সুনাম ও অর্থ উপার্জন করেন।
জাদুকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার পর তিনি চলে যান বড় শহরের বৃহত্তর ক্ষেত্রে। কারণ গ্রামে পড়ে থাকলে তার পসার জমবে না। তাই তিনি কোলকাতায় পাড়ি জমান। প্রথমে ওঠেন তিনি ভাড়া বাড়িতে। পরে নিজেই বাড়ি করেন কোলকাতার বালিগঞ্জে।
অল্পদিনের মধ্যেই কোলকাতা শহরে তার নাম ছড়িয়ে পড়ে। তিনি নিয়মিত জাদুর অনুষ্ঠান করতে লাগলেন, আর সেই সঙ্গে পত্রপত্রিকাতেও শুরু করলেন জাদু বিষয়ে লেখালেখি। দুদিকেই তার খ্যাতি বাড়তে লাগল।
তার জাদু নিয়ে মাঝে মধ্যে মজার মজার সব কাণ্ডও ঘটত। একবার খুবই মজার একটা কাণ্ড হয়েছিল অবিভক্ত বাংলাদেশের মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হকের সময়ে। মন্ত্রিসভার এক নৈশ ভোজসভায় আয়োজন করা হয়েছিল পি. সি. সরকারের জাদুখেলার। এই অনুষ্ঠানে পি. সি. সরকার যে জাদুটি দেখিয়েছিলেন, তার শিরোনাম ছিল বাংলার মন্ত্রিমণ্ডীর পদত্যাগ।
খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল কোলকাতার ইম্পেরিয়াল রেষ্টুরেন্টে। তিনি মুখ্যমন্ত্রী ফজলুল হকের হাতে এক টুকরো সাদা কাগজ দিয়ে কিছু লিখতে বললেন।
হক সাহেব তার কথা মতো কিছু লিখেলেন। তারপর তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা সেই লেখার নিচে স্বাক্ষর করলেন। এবং স্বাক্ষরিত পত্রটি তিনি পড়তে দিলেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত পুলিশ কমিশনার মি. কলসনের হাতে। তিনি পড়তে লাগলেন: আমরা সর্বসম্মতিক্রমে সকলে এই মুহূর্তে মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করিলাম এবং আজ হইতে জাদুকর পি. সি. সরকার বাংলার মুখ্যমন্ত্রি হইলেন।
সবাই বিস্ময়ে হতবাক। শেরে বাংলা অবাক হয়ে বললেন যে তিনি তো এমন কোন কথাই কাগজে লেখেনি। মন্ত্রিরাও বললেন তারাও যে কাগজে সই করেছেন, তাতে এমন কোন কথা ছিল না। তাহলে এমন হলো কেমন করে। এ রকমই ছিল পি. সি. সরকারের খেলা। এটা ছিল ফোর্স রাইটিং (ঋড়ৎপব ৎিরঃরহম) এর জাদু।
পরের দিনের পত্রপত্রিকায় এই রসিকতাপুর্ণ উচ্চমানের জাদুখেলার খবরটি চাপা হয়েছিল বেশ ফলাও করে।
১৯৩৭ সাল। ভারতের স্বাধীনতার সংগ্রাম তখন তুঙ্গে। এই সংগ্রামের পুর্ণ সহযোগিতা করেছিলেন পি. সি. সরকার নিজেও। স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নায়ক রাজবিহারী বসু তখন জাপানে। সেখানেই তিনি ডেকে পাঠালেন পি. সি. সরকারকে। সেই ডাকে তৎক্ষণাৎ সাড়া দিয়ে পি. সি. সরকারও রওনা হয়ে যান জাপানের পথে। কিন্তু বার্মায় এসেই তার খেলার যাবতীয় সরঞ্জাম চুরি হয়ে গেল। কিন্তু তিনি দমলেন না। খালি হাতেই গিয়ে পৌছালেন রাসবিহারী বসুর ওখানে।
এরপর খালি হাতেই তিনি খেলা দেখাতে শুরু করলেন। বলতে গেলে জাপানের মানুষ যেন পাগল হয়ে গেল তার খেলা দখার জন্য। যেখানেই তিনি যান, সেখানেই হাজার হাজার লোকের ভিড়। ফলে টিকিট বিক্রি থেকে প্রচুর টাকা আসতে লাগল হাতে। এইভাবে অর্জিত সব টাকাই তিনি দান করে ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্বার্থে।
এইভাবে জাদুর খেলা দেখিয়ে তিনি ঘুরে বেড়ালেন সারা ইউরোপ, আমেরিকা, রাশিয়া এবং জাপান থেকে শুরু করে বিশ্বের প্রায় সকল দেশ। বিশ্বের এমন কোন দেশ নেই, যেখানে তার জাদুর খেলা প্রদর্শিত হয়নি এবং যেখানেই গেছেন তিনি সেখানেই পেয়েছেন প্রাণঢালা সংবর্ধনা। তার নাম শুনলেনই হাজার হাজার লোক এসে ভেঙে পড়েছে হলে।
তিনি লাভ করেছেন বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার। স্টেজ ম্যাজিকের জন্য আমেরিকার জাদুবিদ্যার নোবেল প্রাইজ বলে খ্যাত স্ফিংস পুরস্কার পেয়েছেন যেমন তিন। তেমনি পেয়েছেন জাদুকরদের সবচেয়ে বড় জার্মান পুরস্কার সোনার লরেল মাল্য। হল্যাণ্ড থেকে দুবার পেয়েছেন ট্রিকস্ পুরস্কার।
এছাড়া ইংল্যাণ্ডের বিবিসি টেলিভিশন, অস্ট্রেলিয়া টেলিভিশন, শিকাগোর ডব্লিউ জি এ টেলিভিশনে বহুবার তার জাদুখেলা প্রদর্শিত হয়েছে।
তার জাদুখেলার কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ মায়ানমারের (বার্মা) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থাকিন নু তাকে অভিহিত করেছিলেন এশিয়ার গৌরব বলে।
১৯৬৪ সালে ভারত সরকার তাকে সম্মানসূচক পদ্মশ্রী উপাধি প্রদান করে। রাশিয়ার জাদুকররা তাকে মেনে নিয়েছেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাদুকর বলে।
তিনি ছিলেন ফ্রান্স, ইংল্যাণ্ড, জার্মানী, বেলজিয়াম এবং জাপানে ম্যাজিশিয়ান সমিতির অন্যতম সদস্য। আমেরিকার আর্ন্তজাতিক জাদুকর ভ্রাতৃ সংস্থার কোলকাতা শাখার নামকরণ হয়েছে তারই নামে। এছাড়া তিনি দেশে যে কত সরকারি বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কার পেয়েছেন তার ইয়ত্তা নেই।
১৯৫৭ সালে পি. সি. সরকার লন্ডনের বিবিসি টেলিভিশনে করাত দিয়ে এক তরুণীকে কেটে দু টুকরো করে দেখিয়ে ছিলেন। এতে বহু টেলিভিশন দর্শক অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন। পরের দিন লণ্ডনের বড় বড় পত্রিকা এই লোমহর্ষক ও বিস্ময়কর খেলার খবরের সচিত্র বিবরণ প্রকাশ করে।
এই বিস্মরকর খেলা দেখানোর পরপরই ১৯৫৭ সালের ২২ মে পি. সি. সরকারকে আমেরিকা টিভি কোম্পানিগুলো বিশেষ বিমানে করে নিয়ে যায় তাদের দেশে।
১৯৬৭ সালে তিনি আবার আমেরিকায় যাওয়ার আমন্ত্রণ লাভ করেন।
এই সময় তিনি আর্ন্তজাতিক রোটারি ক্লাবের সদস্য এবং বিলেতের রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটির আজীবন ফেলো নির্বাচিত হন।
জাদুবিদ্যার ওপর তিনি অনেকগুলো বইও লিখেছেন। ১৯৬৮ সাল নাগাদ ইংরেজি, বাংলা, ও হিন্দি ভাষা মিলিয়ে তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা মোট ২০টি।
জাদুসম্রাট পি. সি. সরকারের পারিবারিক জীবন ছিল অত্যন্ত সুশৃংখল ও শান্তিময়। ১৯৩৮ সালে তিনি টাঙ্গাইলের নামি চিকিৎসক প্রমথনাথ গুহ মজুমদারের প্রথম কন্যা বাসন্তী দেবীকে বিয়ে করেন। বাসন্তী দেবী ছিলেন একজন আদর্শ গৃহিনী। পি. সি. সরকার যখন তার জাদুর খেলা নিয়ে মগ্ন থাকতেন ঘরের বাইরে কিংবা বিদেশে তখন লক্ষ¥ীর মতো সংসার সামাল দিতেন তার স্ত্রী বাসন্তী দেবী।
পি. সি. সরকারের দুই মেয়ে এবং তিন ছেলে। বড় ছেলে প্রফুল্লচন্দ্র সরকার ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার। মেজছেলে অ্যাপ্লাইড সাইকোলজিতে মাষ্টারস করে বর্তমানে পিতার পেশায় নিয়োজত। তিনি বর্তমানে জুনিয়র পি. সি. সরকার নামে খ্যাত। ছোট ছেলে কমার্শিয়াল পাইলট।
পি. সি. সরকারের বেশ কয়েকটি বাড়ি আছে। বালিগঞ্জে দুটো। রাসবিহারী অ্যাভেনিউতেও আছে বিশাল একটি বাড়ি। নাম ইন্দ্রজাল। ফার্ন রোর্ডে আছে আরেকটি বড় বাড়ি। নাম জাদুমহল। আর বাংলাদেশের টাঙ্গাইলের বাড়ির নাম ছিল জাদুভবন।
তার জাদুবিদ্যা নিয়ে রঙিন চলচ্চিত্রও তৈরি হযেছে। হিস মাষ্টারস ভয়েস বের করেছে একটি লংপ্লেয়িং রেকর্ড। তার সম্পর্কে দেশে ও বিদেশে বই বের হয়েছে ২০টির মতো। জাদু সম্রাট তার স্মৃতিকথায় লিখেছিলেন : আগামী ১৯৭০ সালে ওসাকাতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বমেলা। এশিয়াতে আজ পর্যন্ত বিশ্বমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। এই সর্বপ্রথম হবে। আমরা ইতিমধ্যে ইন্দ্রজাল প্রদর্শনের জন্য আমন্ত্রিত হয়েছি অর্থাৎ দশমবার জাপাান আসার ব্যবস্থা হয়েই রয়েছে। আবার কত কি নতুন দেখাব। আবার জাপান কি রূপে দেখা দেবে কে জানে।
আমন্ত্রণ পেয়ে তিনি দলবল নিয়ে জাপানে এলেন। কিন্তু তার আর ফিরে যাওয়া হলো না। এই জাপানেই ১৯৭১ সালের ৬ জানুয়ারি তাবেৎসু (সাপোরো) শহরে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগকরেন।
জাদুসম্রাট পি. সি. সরকারের একটি বড় বৈশিষ্ট্য ছিল, তিনি জাদু দেখানোর সময় পরিধান করতেন ভারতীয় রাজা মহারাজাদের পোশাক। দর্শকদের মধ্যে চমক সৃষ্টি করার জন্যই তিনি এমনটা করতেন।
তার এই রাজকীয় পোশাক নিয়ে একবার এক মজার কাণ্ডও ঘটেছিল। জনৈক ব্রিটিশ জাদুকর তাকে ইচ্ছেকৃতভাবে অপমান করার জন্য বলেছিলেন Why you wear Princely costume? You are not of Royal birth.
পি. সি. সরকার মৃদু হেসে বলেছিলেন : Am I not the Prince of Magic?
কিন্তু বিশ্ববাসী স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি শুধু জাদুর রাজপুত্র নন, ছিলেন জাদুর সম্রাট। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সম্রাট। যাদুকর

http://www.samirmagicshop.com/যাদু-সম্রাট-পিসি-সরকারর-জ/
ছবি ও সুত্র নানা সাইট থেকে নেওয়া, কোন কমার্শিয়াল উদ্দেশ্য নয়, এক লপ্তে পাঠক যদি এই শিল্পীর সম্বন্ধে কিছু সামান্য জানতে চান, সেটাই উদ্দেশ্য।







































রাস্তাগলি খানাখন্দ পেরিয়ে, জুই ফুলের সুবাসে মন যখন আনচান করে। উপোরে তাকিয়ে দেখি ,  সজনে ফুলে গাছ ভরে আছে। অতৃপ্তি কিছুতেই কমে না। এদের মুসুরির ডালে বেটে মুচমুচে করে ভেজে দিতে যারা পারে, তারা যে কি নিষ্ঠুর!  যাই হোক এলোপাথাড়ি নানা কাজ অকাজের ভাবনা শেষে, ক্লান্ত হওয়া টা যেন, পরাজয় স্বীকার করে নেবার মত।

তবু ফুরোতেই হয়। 

তারপর সন্ধ্যে পেরিয়ে রাত ঘনায়। আকাশ বাতাস বুঝি ঘুম ঘুম নিঃঝুম। 
তারপরই হঠাৎ যেন দুরন্ত
 শিশুর মত আকাশ বেজে ওঠে। দপ করে জ্বলে ওঠে প্রদীপ আবার। 
এ যেন, 

গরজে দমকে হেরিছে কাহাকে?
টনক তবু না নড়িছে!
ফাঁদ পাতা এ বিশ্ব ভুবনে, 
পুষ্প কেন ফুটিছে?

তিতিরের ন্যায় ধুম্র বাদল, 
তুলিয়া নিয়া ছিড়িয়া শিকল,
বারি হয়ে কেন ঝরিছে?

বারে বারে সেই প্রত্যাঘাতে,  
পারি যেন লেখা,প্রকৃতির ক্ষাতে 
হাতে নেই কো আর,  ভালো মন্দ,
এটাই আত্মপ্রকাশ নাকী বলাকার ছন্দ?

বলতে পারো? 

শীত শেষে, গরম যখন দাপট দেখাতে শুরু করবে বলে ঠিক করেছে। ঠিক তখনি, কড়কড় কড়াৎ। মোচকায় তবু ভাঙে না। পালটায় তবু পটে না। দিন যায়, তবু থামে না। 
তবু যেন ক্ষনিকের হলেও আশা ভরসা জাগিয়েই দিতে চায়। এ যে কী আশ্চর্যকথা, কি ভয়ংকর। এই বৃষ্টি তেও  আমি রাজনীতির গন্ধ পাই। 

কল্পনা করছি, এ আঁধারে বাংলার অবয়বে, তুলতুলে কোন এক জলের ফোঁটা ধান ক্ষেতে রোপন করা নতুন কচি ডগা পাতায় চু্ঁয়ে চুঁয়ে পড়ছে। পাশে ব্যাঙে দের গ্যাঙর গ্যাং চিল চিৎকার টা গ্যাছে যেন কোথায় ফুরিয়ে। গতকাল এদের শোনা গেছিল, অতটা তবজ্জু দিই নি। আজ মশাই নিজেই হতবাক।
এগুলো যখন লিখছি বায়রে, আকাশের ঝল্মলানি সহ   তিব্র বৃষ্টি পাতে, 

Friday, February 15, 2019

বিশ্বাস ও কাশ্মীরঃ

আমি অনেক অনেক ভাল আছি। নিরাপদে, রসে বশে। আমি নিয়মিত পোস্ট করি। আমার পোস্টে দেখবেন, আমার সারাটা বছর আনন্দ, ফুর্তিতে কাটছে। বেড়াই। আমি ভাল গান শুনি,  আমার মন খারাপ হয় না। আমি মোটামুটি শিখে গিয়েছি কোনটা পোস্ট করতে হয়। কি লাইক দিতে হয়। কোনটা এড়ানো আমার জন্যে ভালো। কাকে যেন দেখেও দেখবো না, অভিনয় টাও।

নিজেই অবাক হই, যখন দেখি, আমি যেন সব কিছুই কত সহজ ভাবে মেনে নিতে শিখে
গিয়েছি।
ভেবে নিয়েছি, এমন টাতো হতেই পারে। আমার রাগ হয় না। আমার বিরক্তি লাগতে নেই। আসলে আমি সারাক্ষণ যেন  আনন্দেই রয়েছি, এমন একটা ব্যাপার।

আসলে কিন্তু হজম হয়ে যাচ্ছে সওব।

অতর্কিত আক্রমনে ৪০ টা সৈনিক প্রাণ হারালো। দারুন একটা বুউম শব্দ আর ধোঁয়া। তারপরি চারিদিকে ইতস্তত ছড়িয়ে ছিটিয়ে মাংস দেহের টুকরো। গন্ধ টা ফিল করতে পারছো?
ন্যাশনাল এম্বলেম লাগানো ছেড়া পোষাক রাস্তার ধুলো খাচ্ছে।

শুনলাম রাজনাথ সিং আগামীকাল প্লেনে যাবেন দেখতে। সেখান থেকে ভাষণ দেবেন।
আমি তুমি হলে নিশ্চই আজই রওনা দিতাম। দিতাম না বল? নিজের ঘরের এতো লোকের মৃত্যু।

মনে হয় যেন, রাজনৈতিক মন গুলো এগুলো দেখে দেখে এত অভ্যস্ত, যে রিয়্যাক্ট গুলো ও পুরনো মনে হয়।

আর এ মৃত্যু নতুন কোন ব্যাপার নয়। এখানে মাসের পর মাস বছরের পর বছর ঘটেই চলে। তারই মধ্যে কত শিশুর নিরীহ চোখ, আস্তে আস্তে সময়ের সাথে বদলাতে শুরু করে।

হাজার হাজার মানুষের দ্বারা নির্বাচিত একজন বিধায়ক এ বাংলায় খুন হয়ে গেল। সাড়া পড়ে গেল সারা বাংলায়। কতকন্ঠের উচ্চ দাবী তে আকাশে বাতাসে, শাস্তি চাই, বদলা চাই। অতীতের কথা বাদ ই থাক। ওখানেও তাই। কিচ্ছু বদলায় না।

আর এখানে তো ৪০ টা জওয়ান। আমি শুধু বিশ্বাস করি না, এ আমার দৃঢ় প্রত্যয়। বাংলা যদি কাশ্মীর হত। আর সেখানে যদি এখানের তৃণমূল, বামফ্রন্ট,কংগ্রেস, বিজেপি থাকলে, অবশ্যই এ বিষম মুশকিল আসান হত। এটাও একটা নিজের রাজ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসের অসম লেবেল।

সংগে সংগে আরেক ভাবনা আসে, মানে এর পিঠোপিঠি। পশ্চিমবংগে এখুনো প্রচুর মানুষ বাস করেন, যাদের আত্মীয় পরিজন বাংলাদেশে থাকেন। বাপ দাদার বাংলাদেশ নিয়ে একটা দূর্বলতা থাকাটাও কী খুব অস্বাভাবিক? ভাইস ভার্সাই তো। তাই কাশ্মীর আর পাকিস্তানের মানুষ কে, এই সুদূর পূব থেকেও মিল পাওয়া টা কী খুব দুষ্কর অসম্ভব একটা ব্যাপার। বাংলাদেশ ম্যাচ জিতলে দেখেছি, অনেকে হই হই টাও করে ফেলে। এখানে







শেখ মুজিব কেও তো জানি, অনেকে ভালবাসে।

 তাই নিচের অসত্য নয় তবু ভূল ভাবনাটা ভেবেই ফেলি। তাই হয়তো কাশ্মীর রাজ্যের কোন প্রশাসক কেই আমি সহজ মনে মেনে নিতে পারিনি। বলা কওয়াতে ই একটা ভীন্দেশি গন্ধ। পড়াশোনার জায়গা গুলো তে তো জেনে শুনে ভারতীয়তার বিরুদ্ধে কালচার। দেশের সর্বত্র পড়াশোনার সিলেবাস কবে এক হবে? আর কত দিন?  আসলে কি একটা কাঁটা যে আজো সবার গলায় বিধে, আর কেনোই বা ডাক্তার রা শুষ্রুষা করছেন না, সেটাই বোধগম্য হচ্ছে না।

ঈশ্বর ও সারা ভারতবাসী সহ সামান্য আমিও
জওয়ানদের আত্মীয় পরিজন দের জানাচ্ছি গভীরতম সমবেদনা।

Blog Archive

নিজের ডিভাইস কে ভাইরাস মুক্ত করতে

নিজের ডিভাইস কে ভাইরাস মুক্ত করতে
ক্যাসপারস্কাই