West bengal Important Links

আনন্দবাজার পত্রিকা http://www.anandabazar.com/ *********এই সময় http://eisamay.indiatimes.com/ *********বর্তমানhttp://www.bartamanpatrika.com/ ********* সংবাদ প্রতিদিনhttp://www.sangbadpratidin.in/ ********* আজকালhttp://www.aajkaal.net/ ********* এবেলাhttp://www.ebela.in/
********* কর্ম সংস্থানhttp://www.karmosangsthan.com/ ********* কর্মক্ষেত্রhttp://www.ekarmakshetra.com/ ********* ফ্রেশারসওয়ার্ল্ডhttp://www.freshersworld.com/ *********টোয়েটি নাইনটিনhttp://www.twenty19.com/ ********* ভ্রমণhttp://www.bhraman.com/ ********* উইকিপিডিয়াতে বাংলাhttp://en.wikipedia.org/wiki/Bengali_language

Wednesday, May 30, 2018

রাজৌষধ ও বিষমনীতি


এবার মিডিয়া, রাজনীতি
এক মঞ্চে। ট্র‍্যাক প্রশ্ন হল কিভাবে আপনি তাদের এক মঞ্চে দেখবেন? মঞ্চ চাই, যেখানে এখুনের সব কির্তীমান আপনি গুলে খাবেন।  চ্যানেল খুলে, দেখালে? আপাতত এটা রাস্তা, তবে ফাইনাল নয়। মঞ্চ আপনার আমার জন্যও চাই। এই দ্যাখো, দেশের স্তম্ভ গুলার ধ্যাষটামো। আর এই হল সন্দীপ, জামাল, প্রেমজিত। আর ওই যে দেখুন স্টারআনন্দ সংগে ভিজে যাওয়া কাগজ গুলা + জি টিভি, লোকাল চ্যানেল, এন্ডিটিভি, ঈন্ডিয়া টিভি আরো অনেক ইত্যাদি সংগে আবার তোমার মুখ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য গুলা? ও  আরেক টা কথা, সরকার স্বীকৃতি দেবে তো?  স্বাধীনতার ঘন্টায় দেশের ১২ টা যেদিন বেজেছিল! জানিনা নেহেরূ জীর মাথায় কি স্ট্রাইক  করেছিল? ভেবেছিল? দেশ এখন এই ভাবেও চলতে পারে? আগামীকাল হয়ত শত আসিফা অকালেই ঝরে যাবে, হারিয়ে যাবে ভ্রূন? কালে গহ্বরে কেউ পাবে না ঠাই, আসি আর যাই, ব্রম্ভা জানেন? গোপন কম্ম নিয়ে কে ভেবে ছিল? উত্তর হয়তো জয়ন্ত শাস্ত্রী দিতে পারে। আমরা তো প্রোডাক্ট, আর জনসাধারন মানেই ভেরি ইন্টারেস্টিং সাব্জেক্ট।
প্রিয় বন্ধু ও পাঠকবন্ধু, আমি ভুল হতে পারি। কিন্তু দিদিই বলেছেন চপ ভাজতে, জ্যোতি বসু বলেছিলেন এমন টা তো বলতেই পারে, এরা বর্বর। কোথায় আমরা কোথায় ওরা? মাঝে মোদি গোদি থেকে চিৎকার শোনা যায় , ভাই পাকোড়া, পাকোড়া, তায় কি বা সন্দেহ লাগতে পারে? বাঙালী চপ নিয়ে ভাবতে পারে, তালে মোদি.. . . ঢপ নিয়ে গল্প বললেই দোষ? তেল ঝাল, নুন মষলার দাম যেখানে আগুন দাম, সেখানে টকে নোনতা জনতা এক পশলা বৃষ্টি চায়। অথচ দেখো, নেতা মন্ত্রী মিডিয়া গুলা, ঠান্ডা মেসিনে বসে, কামাতে চায়, সমাজের সম্মুখে ঝামা ঘষে শুধু কামাতে চায়।
হয়তো দেখে ফেলেছি, আজো হাজার হাজার ঘরে ঘরে পায়খানা, বিদ্যুৎ, জলের ব্যাবস্থা নেই, যেটা সরকারী নেতা রা বড় মুখে অর্ধেক মিথ্যে বলে থাকে, আজো, স্বাধীনতার ৮০ বছর পরে। আ.....শি, ভাবা যায় না মাইরি। আশি তে আসিও না, দেখেচেন? কিন্তু নেতা রা এত ভাঁট বকে কেন? আমরাই অশিক্ষিত চ্যালা গুলা এদের ফুটতে দি। জর্জরিত সমাজে কুচো কুচো নেতার জন্ম হয় শত শত, সুরভিত,বিকশিত এন্টিসেপ্টিক লিভ ফিফটিটুর মত। কেন ভূলভাল বলে যায়, বুঝে পাই না।, দেশের মানুষ কি এতোই অবুঝ আর বোকা? তাই 'লজ্জ্বা পাও দেশ,' কুর্নিষ জানাই যে লিখেছিল।
রাজনীতি কে ঢাল করে, সাধারন মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরি হয়। রাজনীতি কে ঢাল করে, যে যখন আসে, প্রশাসন কে নিজ উদ্দ্যেশ্যে কাজে লাগায়। রাজনীতি কে ঢাল করে যে যাকে যখন পারে নৃশংসতায় রাঙিয়ে দেয়। এসব আমি ভয় পাচ্ছি। ভয় পাচ্ছি গন অভুত্থানের কথা ভেবে। কারণ যা সব ইতিহাস রচিত হয়ে চলেছে, একদিন দেখবো, কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলবে না। এখুনো কি পরিমাণ ধর্মে হানাহানী, ভাষা


নিয়ে হানাহানি, সংবাদ সঞ্চালকের মুখেও প্রাদেশিকতার গন্ধ। চাকরীর বাজারে চাকরী অপ্রতুল, চারিদিকে, টিউশানি, গান, এটা ওটা করে যুবসমাজ দিশেহারা। এদের জন্য ২০ ৩০ বছর আগে প্ল্যানিং কমিশন ভাবে নি কেন? ভেবে থাকলে, তার রিপোর্ট কই? এটাও কী প্লানিং কমিশনের দায়িত্বে পড়ে না। খরচ বেড়েই চলেছে। বেসরকারি স্কুলে প্রতি বছর সিলেবাস পাল্টে যাচ্ছে। কত কত লক্ষ্য কোটি টাকার বই প্রতি বছর নষ্ট হচ্ছে। কে হিসেব রাখে? কার টাকা। ইতিহাসের সাইকেল বনবন করে ঘুরছে, একবার আগে তো একবার পেছনে।

উন্নয়ন কী? অর্থ টা ব্যাপক। তবু অর্থ কে উপযুক্ত জায়গায় কাজে লাগানো টাও কম কথা নয়। কিন্তু দেশের মানুষের লাভের গুড় যখন পিপড়ে খেতে শুরু করে, আমরা হা করে দেখি। মিডিয়া রাজনীতির অপেক্ষায় প্রশাষন, তারাও হা করে দেখে। আমি বিষ্বাস করি, দুর্নীতি দমনে রাজনীতি যদি সম্পুর্ন কড়া, শৃংখলাপরায়ন হয়, দেশ সত্যই জগতে সামনে খুশী মনে হাসবার ক্ষমতা রাখে।
ছবি গুলা INTERNET সংগৃহীত । লেখার সাযুজ্যে ব্যবহার মাত্র আর কিছু না।

Sunday, May 13, 2018

      🎆🎆🎆
তুমিই হাঁসাও, তুমিই কাঁদাও,
তুমিই দেখাও, তুমিই বলাও,
তুমিই মারো, তুমিই বাঁচাও।
🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆🎆
মানব জনম সফল তোমার
রয়ে যাবে অবদান,
দেশের আগে দশের কাছে,
নীরব  আহ্বান।
ধর্মের আগে ভাষার চেয়েও,
মানবিকতা মুল্যবান।।
কাছে এসে তুমি, বল হেসে
একবার, ভালোবাসি ভালোবাসি
বার বার তুমি,  ফিরে পাবে শশী
আর অগাধ সম্মান।।
🎆🎆🎆

Saturday, May 12, 2018

এইযে মুরগি ছানারা,
থপ থপানির পোনা,
ছটপটে আর কুটুরমুটুর
যায় না কেন গোনা?

একসাথে বেশ মজায় আছিস,
মলমলিয়ে ডাক ছাড়চিস,
খুঁটে খাচ্ছিস, আর ছড়াচ্থিস
ছানা বলেই না ঝলমলাচ্ছিস।

বেশ চলছিল, জানেন! সত্যি বলছি।
But দেশ এদের, আজো বাঁচিয়ে রেখেছে
তারা আসোলে কারা ?
যারা মরার আগেই মড়া
যারা বলে, বোকার হদ্দো,
করবো জব্দ, কেত হবে না, ভাই?
উঠতি মুলোই যে পত্তনে চাই
সংগে পেঁয়াজ আদা

রসুন বেটে নুন হলুদে
রঙীন করে দেবো,
কড়ায় ফেলে ভেজে দিয়ে
স্বর্গ দেখিয়ে দেব।।
বলোতো সন্দে লাগে কিনা,
দেশ কী ভাবেই রাজা উজির
আর কিচির মিচির
নাকি মুরগী আগে না ডিম?
সুজির সাথে লুচি হলে চলে
নাকি ধর্মের সাথে ভীম!
মুরগী যদি ডিম
পেড়ে দেয়,
কি করবে হাকীম!
ঠিক কিনা?


Friday, May 11, 2018

গরমে হাপিত্তেশ, এসির বাইরে কি তুমি?
তালে দেখো একটিবার
ছবি চে সুন্দর এ পৃথিবীর কাশে
মেঘও ক্লান্ত সুনামী।
কেমন শান্ত ভেসে উত্তরে,
গুরুর দৈব মন্তরে
অপেক্ষার ভোর চুমি
প্রশ্নের রাত যেন ফুরোতে এখুনো বাকি।
কেন যে দক্ষিনা হাওয়ায় ভাঁটা।
ভূগোলের রং কটা, জান্তে
ভাগ্য লাগে নাকি?

তাচ্চে বরং শিয়ালের হুক্কা হুয়াই সই, এখন ওয়ে়বার্লীর পাঁচীল ডিঙিয়ে (মাঝে মাঝে মনে হয়, প্রাচীন সময়কাল) আসলে কোনো একটা ইন্দ্রিয়ের খিদে তোমায় মেটাতেই হবে। তবু এ ভেসে আসা আকুতির ডাক করুন লাগে!  অস্ত্বিত্তের ডাক,  নাকি বরুণ দেবের অনুপস্থিতি, অপারগ আমি।  উত্তরে যে চিলড্রেন পার্ক। ১২০ ফুট ওপরে তার, বাল্বের আলো, উফঃ কি শান্ত  , ভবিষ্যতে কি নাম হবে, নাম করবে কিনা, জানা নেই। বাট এখুনো চোখ বন্দ্ধ করলেই শিশুরা দাপাচ্ছে অক্লান্ত।
 পুূব দিকে ওই ওই ২৬ নম্বরের দিকে, ওয়াগনের ধাক্কা লেগে শব্দ যখন হাঁপাচ্ছে, পশ্চিমে গঙ্গা পেরিয়ে স্থির গম্ভীর আল্লাহঃ আকবর সা. . . .

আমাকে পাখি করে দাও প্রভু, কথা দিচ্ছি একটুও complain করবো না। সকাল থেকে সন্দ্ধে কিচির মিচির করে, একদিন তো টুপ করে মরেই যাবো। যা যা বেহায়া পাখি যানা. .
কিন্তু
তুমি তো ঈশ্বর, তুমি বোঝো কত,
জানে না এ নশ্বর প্রাণ।
খবর তোমার কাছে ছোটে সবার আগে।
তুমি উদ্বেলিত, কম্পন টের পাও,
শত মাত্রা অনুভব করে,
মেপে নিয়ে, পুনরায় খবর তৈরি কর।
সুতরাং
এখন তুমি ভগবান।
আমাদের মুক্তি দিও





।।

Tuesday, May 8, 2018

শত ঋণস্বীকার, বাকি এ বাংলায়।।
তবু
ঠাকুর বাড়ীর সারদীয় অঙ্গীকার
ভাগ্যবান গঙ্গায়,
বৈশাখের তুমিই ধ্রবতারা,
পূবের সিন্দ্ধু
তুমি, সে যে নবান্নের অর্ঘ।
পেয়েছো কি স্বর্গ,
সে শিশির বিন্দু,
লেখায়, অাঁকায়?
তবে কি তোমার মন অাজো ঘোরা ফেরা করে,
বাংলার মাটি তে
ঘ্রাণ নাও, বাতাসে,
দেখ এদিক পানে, মানুষের বিশ্বাসে।
এরা অাজো রবী কে প্রণাম করে।।

Saturday, April 21, 2018

Good Morning India. মুন্নাভাই MBBS ছবি তে রেডিও জকি, মনে পড়ছে? তবে ভোরে কাকুলির কলতান, আর
মিষ্টি বাতাসমিষ্টি বাতাস কে উপেক্ষা করে, মনটা হঠাৎ ই বিবাগি হয়ে পড়ছে। সত্যি। আকাশ টাকে উলটানো চাটুর মত লাগছে। মাত্র কয়েক টি ঘন্টা, তারপরেই প্রকৃতি আমাদের রুটির মত ভাজবে। সংে আজকেই উদযাপিত হবে ধরিত্রীদিবস। #Earthday

এসব কি ভাবচি বলোত, নিজেই অবাক হচ্চি।
তবে একটা কথা বেশ সত্যি। বাঙালী আবেগ প্রিয়। মনের স্থানটাই সর্বাগ্রে। তা বলে যে বাঙালীরর কামিনী কাঞ্চনের প্রতি অনীহা। এটা ভূল। বাসনার আগ্রহ মনেই বিরাজ করে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল বাস্তবে এর ভোগ করাটা নিতান্তই সাদামাটা। টাকা হলেও সে  বাঙালিই থেকে যায়। মনে কাম পেলেও একে যে বিশেষ স্পেশাল ট্রিট দিতে হবে, মোটেই না। আর দশটা গোপন বাতকর্ম তথা শারীরবৃত্তিয় কাজের মতই সে আচরন করে। প্রথম প্রথম সুন্দর অতি ভাল, তারপরেই হলে হল, না হলে, অন্য কোন দিন। মন চলো নিজ নিকেতনে। মনে পীড়া অনুভূত হলেও অস্ফুটে যদি বলে, আসছে বছর দ্যাখা যাবে, তাতেও আশ্চর্য হই না। এ থেকে এটাই বোধ হয় যে, বাঙালী প্রথম ভাগের চ্যাপ্টার ভালোই রপ্ত করেছে।
আবার এটাও ঠিক যে, বাঙালীর খাদ্য প্রীতি ও নিখাদ আড্ডার কাছে কামিনীকাঞ্চন আজো বিস্ময়বোধক চিন্হ ।

Wednesday, March 21, 2018

- এইতো আতপুরেই - (সব চরিত্র কাল্পনিক - ৫)


গংগা নদীর এপাশ টায় খালি ধু ধু করছে মাঠ।  ইতস্তত জংগল ঝোপঝাড়। কেউ কোত্থাও নেই, কারোজন্য অপেক্ষা নেই, সবি আগামীদিনের সূর্যদয়ের অপেক্ষারত। তবু রাত্রি শেষে কুয়াশাছন্ন আবহে পরিবেশ কিছুটা নিষ্প্রভ।  শীতল হাওয়ার চাদরে লেপ্টে থাকা এ পরিবেশ, আজ যেন বড় কাতর ঘুমাছন্ন। নদী তে স্রোত নেই, আকাশ নিশ্চুপ, গাছের পাতা রাও যেন speak to not.

তবু যেন মানব সভ্যতার চাকা নিঃশব্দে ঘুরতেই থাকে। আহাতপুরের আদিবাসি মহল্লায় কয়েক জন এসময় বেরিয়ে পড়ে। শোনা কথা যে এরা নাকি এলিওট সাহেবের খপ্পর থেকে বাঁচতে এখানে আস্তানা গেড়েছে। দুর্নাম অনেক। বন্ধু সেজে নাকি রাতের অন্ধকারে রুমাল পেঁচিয়ে গলা পিশে মাটিতে পুতে দ্যায়। কই এখানে তাতো দেখছি না। তবে হ্যা গেল বার, শ্যাম নগরের কাছেই দুটো খালি নৌকা সংে ছাব্বিশ টা লাশ ভেসে উঠতে দেখা গেছে। আর লোকে তো কত কথাই বলে, তা বলে কি বেচে থাকাটা কি আটকে থাকে। খিদের জ্বালা বড় জ্বালা। বুনো শুয়োর যদি শিকেয় ছেড়ে তো ক্ষতি কি? সেই সুদুর পশ্চিম থেকে কত পথ হেটে, এই পাড়ে এসে ঠেকেছে।

যাই বলো, খাসা জাগা বটে, পুরো নিশ্ছদ্র দ্বিপের মত। ওপারে ফরাসী দের ফউজ ঘাটি গেড়েছে। মাঝে মাঝেই তাদের বিশাল বহরের নৌকা এদিক পানে ছিটকে আসে। ওরা লুকিয়ে পড়ে। আর এতো সেই গংা নয়, তখন কার গংা, অপার দেখতে হলে মাঝ বরাবর গেলে তবে না। হুগলী নদী কেন যে নাম হল কে জানে? তবে অনেক সোভাগ্য করলে নদীর কাছে বাসস্থান পাওয়া যায়।  আমরা কি সৌভাগ্যবান? নৈহাটি, ভাটপাড়া, আতপুর, শ্যামনগর, ইচ্ছাপুর পেরিয়ে এ জল বংোপ্সাগরে মিশেছে। হতে পারে আমরা সৌভাগ্যবান। নদী মোটেও নয়। এই যে নদী যায়  সাগরে.. .  কিশোরের গলায় মনে পড়ে.. . .

কাছেই পিদিমের আলোয় ছোট্ট খোকা বসে। সামনে ছোট্ট মতন জলচৌকি। অপর পারে, ভবানী চরণ। আলোটা থেকে থেকেই দুলে উঠছে। ছোট্ট খোকার বিশালকায় ছায়া ঘরের দেওয়ালে। ভবানী চরণ সন্ধ্যা হলে পর বড়জোর সাড়ে সাত টা, তারপরেই নিজ ঘরে বিশ্রাম নিতে চলে যান। আজ মন টা একটু মরমিয়া। ভোর হলে পর যাদব একেও নিয়ে চলে যাবে।
 আমি কাকে নিয়ে থাকবো, একটু ভেবে দেখতে পারতো না!
 ভালো পড়াশোনা, দেখাশুন না ছাই।
এই কাঁঠালপাড়ায় তুইও তো মানুষ হলি, বলি এতে কি তোর খুউব ক্ষতি হয়ে গেল? যাক গে যাক, তুই বাপ, তোর কথাই থাক। ভবানীচরন এসবই আন্তাব্ড়ি ভাবতে ভাবতে ঘুমে ঢলে  পড়লেন। পাঠশালার রামনাথ পন্ডিতের সংগে ভবানীর খুবই সখ্যতা, সেই বললেন, যেতে  দাও হে, যেতে দাও। তবে দেখো যেন ত্রুটি না হয়, ভবানী! তোমার এই তিন নাতিই কিন্তু কেউ কারো চে কম যায় না বুঝলে! নিয়নের আলো গুলো সিড়ি লাগিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই অদুরে গংার মলয় বাতাস, আলো ছাপিয়ে, জানালার খড়খড়ি বেয়ে শরীরে শিহরন জাগাচ্ছে।
আজকাল নদী তে দু চাট্টে বজরা ব্রিটিশ পতাকা গায়ে প্রায়শই টহল দিচ্ছে। ইলিয়ট সাহেব নোটিশ পাঠিয়েছিলেন বটে, কিন্তু কা কব কান্তা।

খুব বেশি দূরে না, এই ২০০ বছর আগের ঘটনা।
আসলে যখন রাস্তায় ল্যাম্পের আলো গুলো টুপটাপ জ্বলে ওঠে। আগে বালব ছিলো তারো আগে ছিল নিয়নের বাতি। শীতের সন্ধ্যায় সে আলো কিছুটা গিয়ে ফুরিয়ে যেত। এখন রাস্তায় এলিডির আলো। আগের থেকে বেশ ভালো। শুনেচি এতে বিদ্যুৎ এর সাশ্রয়। তাই হয়তো কল্পনার আশ্রয়, এতেও যে খরচ কম, আনন্দ বেশী।

. . 


#Athpur ##আতপুর
#শ্যামনগর #জয়দেবঘোষেরবাগান #রাজবাড়ীরমাঠ #shyamnagar
#কালীবাড়ী

#Athpur ##আতপুর
#শ্যামনগর #নৈহাটি #ভাটপাড়া #shyamnagar
#কালীবাড়ী

Monday, March 12, 2018

country india দেশ প্রেম এ আমি কেমন আমি, সংস্কারের উর্ধে  উঠি,
ভাবি যা তাইতো সত্যি,
প্রনাম তোমায় সত্য কোটি

পড়লে জানবেন, আর না জানলে কি বা এসে গেল। তবে এটাই চুড়ান্ত।

সকল ধর্মাবলম্বী ব্যাক্তি কে প্রনাম, প্রনাম এ দেশের মাটি কে, আমি গর্বিত
তাদের জন্য, যারা  ইতিহাস হয়ে দেশ কে সন্মান এনে দিয়েছেন।
এ দেশে , যে বা যারা দেশের ওতিঝ্য কে সেই উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার কল্পনা করেন, যেখানে ভারতবর্ষ নিজ রূপে, গ্যানে, আদর্শবান হবে। তাদের আমরা হ্রিদি চিত্তে সন্মান করি। গর্বিত অনুভব করি।
আর লজ্জিত যে ভারতবাসী, অঙ্গানতার অন্ধকারে যে নিমজ্জিত, সেও ভারতমাতার স্নেহ হতে বঞ্চিত হতে পারে না। তাই সকল কে সমান অধিকার দিতে আমরা ভারতবাসী বদ্ধপরিকর।
 এসো সকলে, এবার এক হও। শত্রুর কুটিল নীতি কে বিনাষের জন্য, এক হওয়াটাই শ্রেষ্ঠ ধর্ম।
মানুষ জন্মালে পর, তার শক্তি, মেধা, গ্যান, তিতিক্ষার চুড়ান্ত পরীক্ষা এখনো বাকি। আমরা ভারতবাসী সেই পরীক্ষায় সফল হতে আগ্রহী। পারবে কি, তুমি? লালসা, ব্যাক্তি প্রেম, কামনা বাসনার উর্ধে, আত্ম প্রলাপ, ধংসাত্মক উল্লাস থেকে ভারতবর্ষ তথা এ জাতি কে উদ্ধার করতে।

মুষিকের উত্থান পর্ব
আসলে ভোর হলেই এখানে শুনি, আকবর আল্লাহর কোরান বানী, যা নির্দিষ্ট, আবার ততসংে শুরু হয় হিন্দি গান, এই রাম নিয়ে তো এই হনুমান কিম্বা হঠাৎ মিরাপ্রেম রসাত্মক গান। পৃথিবীর কোন জাতি নেই যে, ভারত দেশের ইতিহাস নিয়ে টক্কর দেবে। তবু ধর্মে কোনো সাযুজ্য নেই কেন এটা মনে বড্ড বিঁধছিল। তালে তো হিন্দুদের ও একটা পরশিলীত নিয়মানুগ আচরন থাকা উচিত, তাই ভাবলাম, যদি একটা সুসংহত গান, নিয়ম পালনের কায়দা আনা যায়। কিন্তু হা হতস্মি, কোথাকার জল কোথায় দাঁড়ালো। না বিজেপি হোলো না তৃনমূল, না হোল কংগ্রেস। কাউকেই খুশী করতে পারলাম না। আর SUCI বা CPIM, বা মহান ফ্রন্ট  এদের কথা যে মাথায় নেই তা নয়, তবে দেশ যে বড্ড পুরনো, ইতিহাস, আছে যেযে জন্ম জটিলতা এটাকে বাদ দিলে যে, দেশ টাও যে অন্য যে কোন দেশের সমান। যেটা আমার মোটেই পছন্দ নয়। ভারত মানে, যে ধারে ভারে, অনন্য, ভারত মানে, ভার নিতে সক্ষম, ভারত মানে ভাত কাপড়ের সংস্থান, ভারত মানে স্বদেশে পুজ্যতে রাজা, বিদ্বান সর্বত্র পুজ্যতে।

Tuesday, March 6, 2018

- এইতো আতপুরেই - (সব চরিত্র কাল্পনিক - ৪)

ভোরবেলায় চন্দরনগর - এঘাট হতে আতপুরে সুর্য্য-দয় বড়ই মসৃন পেলব দেখায় গো। ভালো লাগার জীবন কথায় অদৃশ্য থাকে। তবু যেন  কোথাও লেপ্টে থাকা এক মধুর মুহুর্তের আলোর ছটায় ধিরে ধিরে আকাশ ছেয়ে এ আলো - গাছ, রাস্তা, নদী, পাখি সকলের মধ্যে মিশে যেতে চায়। এই আলো ফুটছে যখন, কালি বাড়ির ঘন্টায় তখন ঢং ঢং করে শব্দ, দূর হতে বেশ মিষ্টি শোনায়। মনে চলে উথালি পাথালি। আমায় ভাসায় বি রে আহা।

শ্যামনগরের (সামনে গড়) প্রসন্ন কুমার ভট্টাচার্য  পন্ডিত লোক বটে। তবে কিনা রাগী বেজায়। বদ মেজাজি তো ছিলই। লোক তো কত কথাই বলে অত কান পাতলে, দিন যাপন বৃথা। সব লোকে কয় লালন, তবে কিনা, কলেজে একটু দেরী হলে কারো নিস্তার টি নেই গো। তাঁর সেই বাজখাঁই গলায়, সব যেন থরহরিকম্প। এইরে একটু হলেই দিলেন কানটি মুলে কিম্বা সমূলে। আক্কেলগুড়ুম আর কাকে বলে বলতো!
কালি কিংকর মিত্র তায় আবার এক কাঠি বাড়া। সরু লিকলিকে একটা বেত নিয়ে কলেজ ঘরের এক প্রান্ত থেকে শেষ বারান্দায় যখন হেটে ফিরে আসতেন, কারফিউ নেমে যেত। বিশ্ব্যেস হয় না, বেশ, তবে যাই  বল না কেন উপ্রি গাম্ভীর্যপূর্ণ আস্তরনের নিচে কোথাও যেন লুকিয়ে থাকে অকৃত্তিম বন্ধু বত্সল  দরদ  তথা সরলতা। দুপুর গড়ালে পর, তার অতি প্রিয় মিত্র আক্যান্ন্ত বলতে পারো,  বিদ্যাসাগর মহাশয় কে ঝোলা থেকে মুড়ি নারকেল কখনো বা চিড়ে গুড় শালপাতার ঠোঙায় দিতেন আর জুড়ে দিতেন নানা অকাজ কাজের গল্প। তায় আবার বিদ্যাসাগর মহাশয় গাল খুলে যখন দাঁত বের করে হাসতেন, সে এক দেখবার মত বিষয় অবিশ্যি। মুড়ি চিবুতে চিবুতেই বলতেন, আর বোলো না, কি কান্ড বলোতো হ্যাঁ। নিয়োগী পাড়ার পেছনে থাকে ওই যে  হারানের পোলাটা, সাত সকালে বলে কিনা, এ দুটি ইলিশ মাস আপুনারে নিতেই হবে। এই বলে দিলুম হ্যা। নইলে এ ঘাট থেইক্যা আমার নৌয়ার খুটা খানি খুলে ফেল্মুনি,  বলে দিলুম কত্তা। তা কালি পন্ডিত বললেন, আহা ওরা যে আপনারে স্নেহ করে। আর নিতেই বা এতো আপত্তি, কেন শুনি? সেবার আপনার বউঠান রেঁধে দিল, বলেন তো? এই বলে কালি পন্ডিত মিছে রাগ দেখায়। সাগর ও কপট কয়, আহা কালি ব্যাপার টা বুঝলে কিনা, অশুচ যে এখুনো কাটে নি হে। বাদ দাও তো অহন ওকথা। কাজের কথায় ফিরা আইসো।  আসছে বছর আবার হবে। এই বলে এক গাল হেসে দিলে। এবার উঠি কালি, কেমন! আতপুরে আবার একটা বিদ্যালয়ের উদ্বোধন আছে। পন্ডিত কে বলা আসে। দেহ ইটার লিগ্গা আবার সিল্লা মিল্লি না করে। চলি।

বিষ্টু পন্ডিত ইশ্ব্রর চন্দ্র মহাশয় কে বড়ই শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। বয়স কম তো কি, কারো ধারে ভারে থাকে না। এমন দশ বিশটা এ বাংলা পেলে. . . আহা।  অনেক ধরে বেধে তবে না। আর শুনেই যে রাজী হয়ে গেলেন। এটাও তো বটে। আর সংস্কৃত টা উঠেই যাচ্ছে বলতে গেলে। ওদিকের মহান প্রিন্স ইংরিজি, ফারসি কি সব আউড়াচ্ছেন। পাক্কা ব্যাবসায়ী বললেও কম বলা হয়। এই হাঁ ঘরের পোলাপান গুলা কোথায় যাবে কেউ ভেবে দেখেচে? এসব ভেবে বিষ্টু  পন্ডিতের মন ভিজে   ওঠে। তবু সামর্থ্য অনুযায়ী চলতে হবে যে। এত দিনে দুটো মাত্তর ঠাকুরের দেখা পেলেন। এক দর্পনারায়ণের যোগ্য সন্তান গোপি মোহন ঠাকুর। আরেক টা এই ঈশ্বর পন্ডিত। আজ পুর্নিমা। এইতো  কদিন পরেই  বোশাখ শেষে মা ব্রম্ভময়ী মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস।
চলবে.. . 


#Athpur ##আতপুর
#শ্যামনগর #জয়দেবঘোষেরবাগান #রাজবাড়ীরমাঠ #shyamnagar
এটুকুই বলবার যে, ছবি গুলো মানান সই হয়েছে কিনা তা পাঠকের হাতে, তবে তুলেছেন এই পোস্টদাতা

Sunday, March 4, 2018

- সময়ের তালে তালে - প্রসঙ্গান্তরে

বেড়াতে যারা ভালোবাসেন তাদের ভালোবাসা টাকে আমি ভালোবাসি। কেন ভালোবাসি সেটা পরে বলছি।
বেশির ভাগ ভ্রমণ পিপাসু কে দেখেছি ধার্মীক স্থান-ই আগে বেছে নেন। কেন বেছে নেন? দূর্বলতা নাকি পাপ স্খালন আবার হতে তো পারে স্বাভাবিক ভাবেই মন টানে। এ যেন মেরেছো কলসির কানা তাবলে কি প্রেম দেবো না।
বেড়ু বেড়ুর র‍্যাশনে কামাখ্যা, পুরি, মায়াপুর, তারাপিঠ সবই এদের একদম বাঁধা ধরা।
তা যেটা বলতে চাইছি, এবারে দোলে এলাকায় একদম থাকতে চাইনি। অফবিট ট্যুর টাই বেশি পছন্দ করি। তবু হয় কোথায়? এইতো, এবারেই জনঅরন্যের বাইরে যেতে গিয়ে, শুধু মাত্র তাবুর আকাল আর দু একজনের দোনোমনায় শেষতক পিছিয়ে এলাম। যে দোনোমনা, সে যাবার একদিন আগে আমতা আমতা করে বললো, 'জানো ইস্কনের মন্দিরে না, জানো, খুউব ঘটা করে দোল উৎসব হয়। (আমিও শুনে মনে মননে, আহা, রাধে) আমি না কথা দিয়েছি আর মন টাও কেন জানি বড্ড টানছে।'
(বুঝতে পারছিলাম, এর আবেগ এখন চৈতন্যময়, বাঁধ ভাঙা আনন্দে উত্তাল হবার প্রাক মুহুর্ত প্রায় যাই যাই অবস্থা, ) 'বললো জুলাই আগস্ট নাগাদ চলো না।' কি বলবো বলতে গিয়ে বলে বসলাম, আমার বার্ধ্যক্যে তুমি ই কিন্তু থাকছো, আমায় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সব দেখাবে কেমন। আর খুউব মিলেংগে তিন ওর চুটিয়ে ধার্মিক স্থান বেড়ায়েংগে ক্যামন! আরেক জনের ত বেরোবার দিন রাতে ব্যাবসার মাল ঢুকবে, ছেড়ে যেতে পারছে না। একজনের পকেট খয়ের খাঁ। শেষে আরেক জন বললো 'দুত্তেরিকা।' আর শেষে জানলাম তাঁবুও ভ্যানিশ। তাই এভাবেই আমাদের অফবিট ঘরে বসেই ফটোফিনিশ হয়ে গেল।

তা যাক গে যাক।
ঐতিহাসিক স্থান, সমুদ্র, পাহাড়, জংগল, বরফ, মরুভুমি আর ধার্মিক স্থানের মধ্যেও অনেক রকম ফের আছে। সত্যই অনেক। রস, রঙ, মাধুর্য, প্রেম সে এক বেড়ানোর ১০০ রকম মহাভারত কথা। কেউ হাঁটতে ভালোবাসে তো কেউ নানা রকম খাবারের খোঁজ ন্যায়। কাউকে আবার স্রেফ পাহাড়ের এক কোনে আরাম কেদারায় বসিয়ে এক পেয়ালা চা, কফি, বা উইস্কি দিয়ে দাও। কেউ কেউ তো সারাটা   দিন জংলার ভেতরে চুপ্টি করে মশার কামড় খাচ্ছে। জীব জন্তুর ছবি তোলার অপেক্ষায়। লিস্টি আর বাড়ালাম না। যাই  হোক। আর নির্জন, নিরালা, দিকবিদিক জনমানবশূন্য প্রান্তর যা অতি মনোরম স্বাস্থ্যকর। 'আরন্যকের' মতন কিছু টা হয়তো। তবু হপ্তাখানেকই যেখানে থাকলে আগামী বেশ কয়েক মাস জনঅরন্যই ভালো লাগবে।  ত্যামন টাই বা মন্দ কি? তবু যে জংগল পাহাড় বা এই স্বাভাবিক প্রকৃতির আয়তন যে কমে আসছে তা চিন্তার বিষয়। মনে পড়ে কোথায় যেন  পড়ে ছিলাম, আজ মংগলবার, পাড়ার জংগল সাফ করার দিন। ত্যমনটাই তো। জঙ্গল পাহাড় কেটে সমাজ গড়ে উঠবে যা অবশ্যম্ভাবী। কিস্যু করার নেই। লোকসংখ্যা বাড়ছে, সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরো বেশী আয়  করার প্রতিযোগিতা।
ও হ্যাঁ যা বলার, তা হল বাংলায় ভ্রমনের উপকারিতা বলে একটা লেখা আছে না! ওটাই কিন্তু ভ্রমনের আসল। বাকি পরে জানাবো। ভালো লাগবে কথা দিলাম। ওই যে গান আছে, আমি কথা দিলাম, তুমিই আমি. . . . .
আর
ছবি টা অনেক আগের, আর কিছু হাতের কাছে পেলাম না তায় ডাউনলোডেও মন সায় দিলোনা ভাই।

- এইতো আতপুরেই - (সব চরিত্র কাল্পনিক - ২)

লোকে বলে সাদা মনে কাদা নেই। কিন্তু জমিতে তো কাদা থাকতেই পারে। এই ধরো না ঘোষেদের জমি। ওই যে তরফদার পাড়ার শেষে দুই কারখানার মাঝে হাই ড্রেন। তারপাশেই সরু রাস্তা, এঁকে বেঁকে সুন্দিয়া চলে গেছে। ড্রেন দিয়ে দুর্গন্ধ বেরোত, তাই নাম পচাগলি।

গলির আগেই ডানপাশে বিশাল পুকুর, তবে গলা জল। মাছ চাষ ভালোই হয়। তার ও পাশে ঘোষেদের জমি। মাঠ  বলাই ভালো। ওখানের কাদা মাঠে তিন বেলাই খেলা হয়। সামনেই সাথির মাঠ। তল্লাটে কেউ চেনেনা এমন নেই। ক্রিকেট, ফুটবল দুটোই জমে ক্ষীর। জমি টা একটু নিচু আর ভিজে ভিজে। তা ওতে খেলা আটকায় না। মফস্বল সাইটে ওত দেখলে আনন্দ টাই মাটি।
 সন্ধের গাঢ়ো হলে পর মাঠে আবছা কিছু জটলা হয়।
নরেন খুড়ো বলছিল, ওরা নাকি দূর জেলার হাইওয়েতে ডাকাতি ফাকাতি করে এসে, পরামর্শ, ভাগ বাটোয়ারা এসব নাকি করে। তা ব্যাপার যাই  হোক না কেন, ভদ্রলোকেরা রাত্রি হলে পর ও পথ মাড়ায় না। গোপাল মালোর শালা কে সেবার দুর্গাপূজায় দশমীর রাতে কুপিয়ে দিল। মাঠের ঘাস রক্তে কাদায় মাখামাখি। নরেন খুড়ো তখন যুবক। তার  মা এসেছিল নারকেল কুড়োতে।

জমির পাশেই তাদের ছোট্ট একচালা ঘর। সংগে গোটা চারেক নারকেল, সুপারি, বেল আর কিছু ফুল গাছ আছে। এখানে প্রায় ঘরে ঘরেই মানুষের গাছ লাগানোর অভ্যাস আজো অমলীন। ছাদে উঠে  যখন হাইরাইস বিল্ডিংের বদলে সবুজ দেখি, মনটা আপনা হতে শান্ত হয়ে আসে। মনে হয় কই কিছুই তো বদলায় নি। এলাকার মানুষ যে প্রকৃতির নিয়মেই অজান্তে প্রকৃতি রক্ষা করে চলেছে।

ধপ করে কিছু পড়ার শব্দ। সঙ্গে গোঙ্গানির শব্দ পেয়ে নরেন খুড়োর মা, বেরিয়ে এসে দেখে, ছায়া মত গোটা কয়েক লোক পচাগলি পেরিয়ে যাচ্ছে। ঘরে এসে নরেন কে ডেকে বলতে ওই বন্ধুবান্ধব দের খবর দেয়।
এভাবেই দিন যায়, বছর যায়, সামনেই কুন্ডু বাড়ির দুর্গা এখন আর তেমন ধুম ধাম করে হয় না। অবস্থা কিছুটা অন্যরকম। বাহান্নো পরিবারে যা  হয় আর কি। আর বর্তমানে বড় পরিবার চালানো মানে, রাবণের চিতায় কাঠ  জুগিয়ে যাওয়া। চলবে।. . . .
#Athpur ##আতপুর #পচাগলি #সাথিরমাঠ

Wednesday, February 28, 2018

সব চরিত্র কাল্পনিক

একটা সাক্ষাতকারে, গব্বর সিং এর ছেলে কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তোমার বাবার প্রিয় ডায়লগ কি? ছেলে বললো, উনি প্রায়শই জানতে চাইতেন হোলি কখন? আর বাবা আসলে খুনের হোলি খুব পছন্দ করতেন।
তাই তো এ মন বড় অনুপম। নিজের মত গুছিয়ে নিতে কে না চায়। ফারাক নেই তোমারও - দেশ, কাল ভেদে। এখন কি হবে কেঁদে, যখন পৃথিবী জুড়ে মিছিল বেরোত। এখন তা ইতিহাস।
সাক্ষী থাকবে বাবরি, রোহিঙ্গা, এ দেশ, সীমান্ত মৃত্যু, উত্তর কোরিয়া, এখন সিরিয়া আরো আরো হবে, হতে থাকবে।
কবে যেন বেশ পড়েছিলাম চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। উড়তে দাও, আমাকে আমার মত থাকতে দাওগো। অদ্ভুত একটা সময়, এক্কাট্টা হয়ে মিডিয়ার ঝাঁপিয়ে পড়া নেই। নেই কোন তেমন চোখে পড়ার মত হেলদোল। ধরা যাক, (ধরতেই তো বলছি)ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবারে কারো গুরুতর কিছু ঘটলো। তাহলেও আপনি জানেন যে, সিরিয়া, রোহিঙ্গা সবকিছুই দ্বিতীয় সারিতে চলে যাবে।
অথচ আপনি আমি সব্বাই বুঝি এটা ঠিক নয়। তবু হতে দিই। কেন হতে দি? মন থেকে তো মেনে নিনা। তবু যেন চুপটি করে জোড় হাত বিশ্রামে রেখে দি। মনে হয়, এ যেন, হাজার রকম ভাবনার মতই কোন একটা কিছু। অথচ পৃথিবী গ্রহ টা যেমন সবার জন্যই সমান ভাবে ঘোরে, আইনককানুন গুলোও তেমনই হওয়ার কথা। আবার মানুষ মাত্রেই যে ভুল করে, নইলে সে যে শয়তান বা ভগবানে পরিনত হত।

Wednesday, February 7, 2018

#TableMenuCard

Friday, January 12, 2018

হরির দরজা:

#হরিদ্বার


প্রাচীন ক্ষেত্র নিয়ে আমার একটু দুর্বলতা আছে। হরিদ্বার তো সাধু সন্ন্যাসীদের আখড়া। শুনেছি, অনেক গহীন গোপন জ্ঞানের হদিশ এদের থেকে পাওয়া যায়।
এখানেই শীলজিতের পরিচয় পেলাম। মানে শিলাজিৎ। সামান্য একটু জলে মিশিয়ে খাবার অভিজ্ঞতাও হল। গহীন জঙ্গলে পাহাড়ের গায়ে পিচের মত লেগে থাকে। ইংরেজিতে বলে মাউন্টেন টার। জলে মিশলে গলে যায়। টানলে লম্বা হয়ে যায় কালো শক্ত মাখা ময়দার মত। ঠুকলে আবার ভেঙেও যায়। শোনা যায় মুঘল আমলে এর খুব ব্যবহার ছিল। সেক্স বৃদ্ধি ছাড়াও অনেক শারীরিক কাজে এর ব্যাবহার অতি প্রাচীন।
আরেক টা জিনিস দেখলাম, কস্তুরী। হরিণের নাভির অংশ। কাপড়ের বস্তার তলায় রেখে দাও। বহুদিন মিষ্টি গন্ধ থেকে যাবে। হাতের ওপর তালুতে সামান্য ঘষে দিয়ে ছিল। সে গন্ধ দুদিন ছিল।














বাঙালী আছে অনেক অনেক। আর আছে হিন্দুস্তানি, পাঞ্জাবি, তামিল, মাড়োয়ারি নানা জাতি। আলুর পরোটা, লুচি, মিষ্টি, পেড়া, ভুজিয়া খুব চলে। এখানে পাহাড়ের মাঝ দিয়ে বরফ গলা গঙ্গার জল, যার তীব্র স্রোত। চেন ঝোলানোই আছে, ধরে ডুব দাও। সাত জন্মের পাপ মুক্তি।
এখানে নিরামিষ দাদা বৌদির খাবার হোটেলি দশটার ওপরে। নিরামিষ মাসির হোটেলও আছে।  যা হোক, নিরামিষ মানিক মুখার্জির (1939) দাদা বৌদির হোটেলে, 70 টাকা মিল সিস্টেম। দেরাদুন রাইস, ডাল, বেগুনি, পঞ্চারত্ন কারী, সুক্ত, আলুপোস্ট, এচোড়, পাঁপড়, চাটনি, রসগোল্লা সবই পাবেন। তবে মাঝের কিছু আইটেম মালিক নিজে নিয়ে আসবে, আপনার না বলা সত্ত্বেও, পাকোড়া আইসক্রিম, স্পেশাল কারী। বললেই টুপ করে দিয়ে, হিসাবে আলাদা জুড়ে দেবে।
হোটেল আছে প্রচুর। আর ধর্মশালাও ভালো। গ্রূপে থাকলে খরচ কম। এখন শীত ৬-৯ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরা ফেরা করছে। রাতে ইতি উতি মোটা কাঠের আগুনে দুস্থ আগুন পোহাচ্ছে। গাঁজাও চলছে বটে। এখানে মানুষের খাবার অভাব আজো হয় না। হর-কি-পউড়ির কাছে বিকিকিনি তীব্র। গঙ্গা জলের পাত্র, প্রদীপ ফুল মায় গরিব দুস্থ দের খাওয়ানোর জন্যও মার্কেটিং চলছে। আমাকে দিয়ে পুন্য করানোর জন্য অনেকে ছাতা ধারী ব্রাহ্মন অনুরোধ করেছে। জলে পাঁচ ছয় ডুব দিলাম। নামতে পা বেশ কনকন করে উঠেছিল। পরে একটু সয়ে যায়।
সন্ধে বেলায় গঙ্গা তীরে সন্ধ্যারতি দেখলাম। রীনা বললো, বেনারসের টা এর চেয়ে ভালো। অনুরাধা পাড়োয়ালের গান 'অম জয় গাঙ্গে' আজো বাজছে।

Friday, December 8, 2017

খাদ্য বিভ্রাট ও দেবী বর্গভিমা:
বর্গভীমাতমলুকপূর্ব মেদিনীপুর


  সামান্য সূত্রে সেই সুদূর শ্যামনগর থেকে এখানে আসা। নিরামিষের নিয়মিত দৌরাত্বে জিভ বিদ্রোহী হয়ে উঠে ছিল। এবার আর নয়, নিদেন পক্ষে মাছের ঝোল ভাত এবার চাই-ই চাই। পাশেই হোটেলে বলে রেখে , চললাম,  মন্দির দর্শনে। ওমা, কি পরিছন্ন রে বাবা। আর নেতাজী সুভাষ, প্রেমানন্দজী মহারাজ এদের পদধূলী এখানে পড়েছে। দেখলাম নানা জনে বসে পড়েছে, ভোগ খাওয়ানো হবে। দেবী বর্গভীমার দর্শন আগেই সেরে নিয়েছি। তা আমরাই বা বাদ যাই কেন। পড়লাম বসে। এইবার নুন, লেবু, পোস্ত দিয়ে আলু ভাজা, ঘ্যাট, কপি চিংড়ী হ্যা আপনি ঠিক ই পড়ছেন। চিংড়ি, এরপর এলো গোটা গোটা বড় কাটা পোনা, তারপর ইলিশ বাপরে। আমার তো আক্কেল গুড়ুম। যা ভেবেছি। একজন বয়স্ক কালো চোপকান পরা কাছে এসে বিনীত ভাবে জিগালো: আপনারা?বরপক্ষ না কন্যাপক্ষ? নয়ন বরপক্ষ বলতে যাবে, পুরোটা বলার আগেই, আমি বলে ফেললাম, কলকাতা থেকে? বেড়াতে, উদ্দেশ্য নেহাতই ভোগ করা, মানে মানে, বুঝতেই তো পারছেন, এমন ভোগের উদ্দেশ্য নিয়ে, বসি. . .উনি কিছু একটা ভেবে, নানা ঠিক আছে ঠিক আছে। এরপর আর কি, খাবো কি? পেটে খিল ধরে আসছিলো। এ তুমি কি করলে মা? যা হোক পায়েস, চাটনী, মিস্টি খেয়ে তৃপ্তি নিয়ে উঠে এলাম। মনে মনে বর কনেকে আশীর্ব্বাদ দিতে ভুলিনি।
এখানে জনশ্রুতি আছে, যে, মায়ের দুয়ারে অতৃপ্ত মনে গেলে, তিনি তাকে তৃপ্তি দেন। এখন কথা হল, আমাদের সামান্য মৎস প্রীতি মা বর্গভিমাই কি পূর্ন করে দিলো? 

প্রিয় বন্ধু, আপনার একটু মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছি।


'স্বচ্ছ ভারত'   কথাটার সঙ্গে আমরা সকলেই কম বেশী পরিচিত। এরও অনেক অনেক আগে জানতাম cleanliness is next to the godliness. অর্থাৎ পরিচ্ছন্নতা-তেই ভগবানের বাস। এটাতো খুউব জানা যে, what is 5-স্টার, 4-স্টার ইত্যাদি। সুযোগ সুবিধা পয়পরিষ্কার ইত্যাদি কারনেই হোটেলে রাঙ্কিং-এর বিচার। ভ্যালু কোয়ালিটি। এবার বলুন তো আপনি আপনার বাড়িকে নিজে রাঙ্কিংয়ে কত দেবেন? বা এমন কোন বাড়ীর কথা কি আপনি জানেন , যেটাতে রাঙ্কিংয়ে 5-স্টার দেওয়া যায়।

প্রথমেই স্বীকার করে নিচ্ছি যে, আমাদের বাড়িতে আমি নিজে ইন্সপেকশন করলে, বলতাম, আপনাকে 10 দিন সময় দিলাম। 

ভাবনা টা এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না


কিছুক্ষনের জন্য, যদি মরে যেতাম। অনেকেই  অন্যায় ভাবে মরছে। না হয় মরে গেলাম  বিশেষ কিছু ক্ষতি তো দেখতে পাচ্ছি না। আসলে খুবই লজ্জা করছে। নিজের জন্য, যখন ভাবনা গুলো কুরে কুরে খাচ্ছে। হয়তো আমাকে দিয়েই শুরু করতে হবে। charity begins at home. তবু, দেশেই তো বাস করি, জঙ্গল হলে অন্য কথা। আসলে বছর শেষ হয়ে আসছে, কি পেলাম কি দিলামের ভাবনা টা. . .
দেশ, কাল, সময়

মনে পড়ছে, কেজরিওয়াল, মুখ্যমন্ত্রী, ওনার উপস্থিতিতেই আত্মহত্যা সংঘঠিত হল। মনে পড়ছে, দিল্লি তে, সাউথের কৃষক রা আত্মাহুতি দিচ্ছে। সন্দেহ হচ্ছে, এটাই সেই কালো শতাব্দী নয় তো?

ডিজিটাল যুগ। একে আমি রীতিমত ভয় পাচ্ছি। কত কম খরচে জিও, ফোর জি। শিশুরা সহজেই ইউটিউব খুলে কার্টুন দেখছে। আপনার অনুপস্থিতিতে আপনার অজান্তে আর কি কি দেখে ফেলছে, আর ঘটিয়ে ফেলছে। তার দায় সরকারের নয়। অশিক্ষার কারণে অপব্যাবহার ধোপেই টিকবে না। হাজার একটা application. আপনার পছন্দ, অপছন্দ, কল লিস্ট, ঠিকানা, গলার স্বর, আপনার অনুমতি ছাড়াই ছবি ইত্যাদি যে misuse হচ্ছে না, এটা কেউ গ্যারান্টি দিতে পারবে। হলেও বা কি। আপনি আমি কি করতে পারি, তার কোন সহজ উপায় আছে কি? আর যারা dark web এ ডুবে আছে, তাদের কথা তো বাদ ই দিলাম। মনে পড়ে দুমাস আগেই জার্মানী থেকে পুলিশ এসে সল্টলেক থেকে দুটো young ছোকরা কে ধরে নিয়ে গেল।

 নতুন উঠেছে, লাভ জিহাদ। কি ভয়ঙ্কর! ধর্ম প্রতিষ্ঠার নামে এসব কি হচ্ছে স্যার! প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আপনি তো বিলক্ষণ জানেন, হয়তো বলবেন , খবর নিয়ে দেখছি। কিন্তু লাভ জিহাদের পক্ষে কটা যুক্তি গ্রাহ্য কারণ আছে? যার জন্য পরিষদ এ মহান বিপ্লবের সূচনা করলেন? এটাও তো এক প্রকার গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিপ্লব, তাই নয় কি? যেদিকে তাকাচ্ছি, সেদিকেই খালি ধর্ম ধর্মে খেয়া খেয়ি। আগেও তো ছিল। বাট ইতনা বড় চড় কে তো উড়ছিল না। আমি অত্যন্ত লজ্জিত, কারণ, কল্যাণ সিংহ (যিনি বাবরি মসজিদ ধূলিসাৎ এ জড়িত) কে আপনারা রাজ্যপাল বানিয়েছেন। আপনাদের পার্টি চিফ, তার আশীর্বাদ নিচ্ছেন। এসবের মানে কি। গতকাল ও একটা ভিডিও দেখলাম, প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, আসারাম বাপুর সঙ্গে ভজন গাইছে। হয়তো পুরোনো, কিন্তু এসব কান্ডকারখানা মোটেও সুখকর নয়।

আমার কেন জানি না, এরম ফিল আসছে যে, দেশের প্রত্যেক রাজ্যে যোগী আদিত্যনাথের মত মুখ্যমন্ত্রী আপনারা প্রতিষ্টিত করতে চান। হাল চাল দেখে এটাও মনে হচ্ছে যে, plenipotentiary মানে বার্চস্য মানে দেশ হবে সম্পূর্ন হিন্দু মালিকানাধীন, এমন টাই যেন উদ্দেশ্য। তারমানে ধর্ম লড়াই চলবেই। কিন্তু মানুষ মৃত্যুতেই আমার যত আপত্তি। অথচ, এড়ানোর উপায় নিয়ে ভাবছি। বাবরী মসজিদ ধূলিসাৎ আপনাদের বিবেচনায় সঠিক সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্ত নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। কিন্তু কত শত সাধারণ মানুষ এই রাজনীতি আর ধর্মীয় কারণে মরে যায়, আমার মনে পড়ছে ইন্দিরা গান্ধী কে নৃশংস হত্যার কারণে কত শত সাধারণ মারা গিয়েছিল। আমার  মনে পড়ছে, তৃণমূলের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে চড় মারার জন্য, ছেলেটির পরিণতি কি হয়েছিল। তবু ভারতবর্ষ আমার সংযমী দেশ। দুঃখ প্রকাশ করে। জনসাধারণের টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ এর ব্যাবস্থা করে। ডিজিটাল হয়ে একটা সুবিধা হয়েছে, দশদিকের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তাতে একটা পসিটিভ বার্তা নিশ্চই পাই, নেতাদের অধিকাংশই সত্যি মানুষের জন্য কাজ করেন। কিন্ত অজান্তে নেহাতই ভুল ভ্রান্তি তা, তার জন্য সাধারণ কে বড় বড় গুনাগার দিতে হয়।

কোথাও জেনে ছিলাম, স্বদেশে পূজ্যতে রাজা. . . আর এখানে ঠগ বাছতে গাঁ যে উজাড় হয়ে গেল। যাদের দেওয়া হয়েছে, বৈঠা বইতে, তারা জল না কেটে আমার আপনার মাথাতেই সেই বৈঠা ভাঙতে উদ্দত। এখানে মন্ত্রী মশাই খুল্লম খুল্লা বলছেন, খাও ভাই ভাগ করে খাও। দিল খুলে টাকার হের ফের, তবু আমি ভালই আছি। নির্লজ্জের মত ঢাক পেটাচ্ছে।  উৎসবে উৎসবে দেশ কাল সময়ে এই যে ফুল মার্ক্স পাবার চেষ্টা, তা হয়তো অদৃষ্টের পরীক্ষক সঠিক সময়ে সঠিক মূল্যায়ন করবে। 

Friday, October 27, 2017

কেন লিখছি জানি, কার জন্য লিখছি জানি। শুধু কে পড়বে সেটা জানি না, যেটা বোঝাতে চাইছি, বোঝাতে পারলাম কিনা সেটাও জানি না। তীব্র  ইচ্ছে করলো তাই:

সরকারি/ বেসরকারি/ ব্যাবসা
মোটামুটি ভাবে কাজের জায়গা টা এই তিনটে।

সবাই যেখানে নিজেকে বা নিজের পরিবার, বন্ধু, সে, ক্রাশ ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত। অনেকে সরকারের নেতা, নেত্রী কে কি ভুল বললো, কোথায় গোলমাল এসব নিয়েও বিন্দাস আছে। বেড়ানো, খাওয়া, অভাব, আনন্দ, অভিযোগ নানা ফন্দি ফিকির। কারণ, অকারণ। আমি তুমিও কম বেশী সামিল।

 সব্বাই হয়তো নয় তবু, কম ব্যাস্ত যারা, তাদের কথা ভাবতে বসেছি। হয়তো নিজেকেই কাটা ছেড়া করছি।  বাতাসে বেকারত্বের গন্ধ মম করছে। ভালোই পাচ্ছি জানো? সাক্ষাতে, ফোনে, নানা মিডিয়ায় জানচিও অনেক। তারই জন্য এ লেখা। আর এ বেকারত্ব টাকে আমি নাম দিয়েছি self made unemployment. আসে পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা যুবক/যুবতী দের তো দেখছি, ভাবছি আমিও তো তাদের মতই একজন ছিলাম। হয়তো আছি।

 এই করব ওই করব, এটা শিখছি, ওটা শিখছি, আসলে কি ভাবে যেন ভেসে বেড়াচ্ছি। জানিই না কোথায় যেতে হবে। সহজ সরল গতে বাঁধা একটা প্রক্রিয়া। যে কোন একটা স্থায়ী কাজ (ব্যাস আমায় কে পায়?)পেয়ে  পয়সা জমানো, বেড়ানো, এট্টু ফূর্তি, বিয়ে, সংসার:এসবের মধ্যেই valuable কিছু স্মৃতি স্মৃতি খেলা চলবে, তারপর ফুড়ুৎ করে প্রাণ বায়ু বেরিয়ে গেল।
নানা পাটেকরের মত বলতে হয়, কেন এসে ছিলাম জানা নেই, কি করছি জানা নেই, অভিভাবকহীন মনের ঘোড়া নিজের মনে ছুটে চলেছে।

খারাপ লাগছে বলতে তবু, মনে হয় দেশের ৭৫% যুবক/যুবতী জানেই না, কোনটা তার পক্ষে উপযুক্ত। মানে, জানেই না, কোন কাজ আসলে তার প্রকৃতই ভালো লাগে। কোন কাজ টা নিয়ে পড়ে থাকলে সত্যি জীবন স্বার্থক। সত্যিই জানা নেই। কাজের জায়গাটায় শুধুই ধোঁয়া। বুকে হাত দিয়ে বলার মত ধক বা গাটস কজনের আছে, যে বলবে, আমি এটাই করে ছাড়বো আমৃত্যু।

 স্নাতক, এইচ এস পাস, অনেকে আবার মাস্টার ডিগ্রি, তারপর কি হবে। টিচার হব, দোকানে ঢুকব বা কিছু একটা জুটিয়ে ফেলবো। এইতো চলছে। মানে নিজেই নিজের আগামী দিনের রাস্তা টাকে ছোট করে ফেলার সহজ মূল্যবোধ। না না রুষ্ট হোয়ো না। এখানে কারোর দোষ দেখছি না। আমি বলতে চাইছি, যুবক/যুবতী নিজের সম্বন্ধে পরিষ্কার নয়, যেমন টা আমি, আসলে ভালো টা  কিসে লাগবে বা লাগে, জানিই না, তাই নয় কি? কোনটা সে ক্লান্তিহীন ভাবে করতে পারে। তবু আরো সেটাই করতে চায়। কি ধরণের কাজে তার নেশা আছে?

হাজার হাজার কাজের সুযোগ রয়েছে, কিন্তু নিজের প্রকৃত পছন্দ টাই তো ভুলে মেরে দিয়েছি/দিয়েছে। ছোট কাজ,  বড় কাজ কাজের জাত নিয়ে ভাবতে বসেছি। সবজি বিক্রেতার ছেলে উচ্চ পদে কাজ করছে বলে, উচ্চ পদের ছেলে কি আবার সবজি বিক্রি করলে ছোট হয়ে যায়। হয়তো স্নাতক হয়েও ওর বাগান তৈরি, সবজি প্রতি ওপর স্নেহ।
দুঃখ হচ্ছে বড্ড, ওপরে কি করছে সেই ভাবনাতেই কালাতিপাত। নিজের প্রিয় রং, খাদ্য, ফুল, প্রিয় অভ্যেস নিয়ে কজন ভাবে বা জানে? কি করলে নিজেকে সেরা ভালোবাসা হবে, কিরম কথা বললে নিজেকে সম্মান দেওয়া হবে, সেটাই বিচার্য।

 মিডিয়কার দের এই না জানাই তুমুল সমস্যা।  কিন্তু এটা কেন? এটা কি আজো বোঝা গেল না?
 বেকার দের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যের সঠিক অভাব।দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সেরকম পরিকাঠামো থাকলেও উপযুক্ত পর্যাপ্ত শিক্ষক/শিক্ষিকা/অভিভাবক সম নেতার অভাব অনুভব করছি। যারা এই যুবক/যুবতী দের সঠিক দিশা দেখাবে। এবং বিস্বাস করতে বাধ্য করাবে, যে প্রত্যেকের মধ্যেই পটেনশিয়াল আছে।

#বেকার #youth #india #westbengal

Tuesday, October 24, 2017


Sunday, October 22, 2017

শিশু সেতো যে কোনো খানের হতে পারে, পিতা মাতা বড়লোক হতে পারে, হতেই পারে নাম না জানা অনাথ শিশু, হতে অনেক কিছুই পারে। কিন্তু পারা  না পারার মাঝখানে যে ব্যাবধান সেটা কি ঘুঁচে যেতে পারে? সময় হয়তো মরমিয়া, ঋণাত্মক ভাবলে, এ লড়াই অনন্ত কালের। কাল, সীমানা, ধর্ম, ভাষার গ্রহণযোগ্যতার মাঝখানে শিশুর পথ চলতে কাঁটা বিস্তর, এ কাঁটাই দলতে হবে।  

Thursday, October 12, 2017

কে রুখবে আমায়, যদি না আঘাত করি তোমায়। আমার ইচ্ছে বলায়, তোমার ইচ্ছে জানি না।
সুতরাং লেখাটাও গণতান্ত্রিক, উৎসর্গ তোমায়।

শূন্যের আত্মশ্লাঘাশূন্য, গনতন্ত্র, ফিউশন

আমাকে '০' দিও।
আমি তারই মাঝে জাল বুনবো।
বুনতে বুনতে বুনতে বুনতে
ফিউশন
নয়তো জল হয়ে যাব।
তৃষ্ণা পেলে, '০' ফিরিয়ে নিও।
বরং ভুলে যেও।

নয়তো

আমাকে '০' দাও
আমি তোমায় '১' দেব।
'১০' দেশে '১০' রকম কথা হবে
অন্ধকার টাও নিতে হবে
বেঁচে থাকবে সংস্কার
দশে মিলে ফেলবো গুটি
জন্ম দেব দশাবতার।

আর '০' যখন বেসামাল

'০' -এর পাশে '০,' তার পাশে '০,' আবারো '০'
এভাবেই চলতে থাকে।
না গন্ধ, রূপ না বর্ন,
উপকথাকার ছবি আঁকে,
দাও জাতির পেছনে '০'
বাকিটা ভেজাল।

'০' -এর মজা

কোথাও কোথাও ফিসফাস,
রাখ রাখ ঢাক ঢাক না করেই
বলছে, '০' র - নাকি বুনো মাদী গন্ধ,
মাদক পাতা না পানীয়
চিবোতে হবে, না, সেবনীয়।
হয়তো স্বজাতীয়, বিজাতীয়,
হবে একটা
তোয়াক্কা না করেই
অংক কষে ফেলছে।
এটা বর্জনীয়,
'০' তাই
আঁছড়ে পড়ছে।

(আর এটা সত্যি, তাই, শূন্যের আসা যাওয়াটাও ক্ষণিকের স্বস্তি)

Wednesday, September 13, 2017

Balanced Life

ব্যালান্সড জীবন

জীবন টা কখনো ভীষণ সুন্দর। যেন পদ্ম পাতায় মুক্ত। কখনো বড় কষ্টের। সজনে আঠার মত। প্রচুর তাপ উত্তাপ না পেলে ছাড়তে চায় না। কখনো কখনো এই এত ভালো ভালো ব্যাপার পরপর ঘটতে থাকে। হৃদয় শঙ্কিত হয় এই বুঝি কি হয় কি হয়। আবার দুঃখ জিনিস টার তো এ ব্যাপারে জুড়ি মেলা ভার। একবার গ্রহণ লেগে গেল তো পূর্ণিমার আশায় কবি সুকান্ত। লেড়ো বিস্কুট ও কাঁচের বয়ামে ফিক করে হাসে।
প্রত্যেকের জীবনে ভালো মন্দ খারাপ সুগন্ধ রয়েছে। থাকতেই হবে। সৌভাগ্য তাদের যারা ভালোত্ত সুগন্ধ কে সযত্নে লালন করে পরিমিত লবণের ন্যায়। আর লবণ কে এরা কখনোই বন্ধুর দরজা দেয় নি। অতিথি হিসেবেই লালিত পালিত।

মানব জীবনে লবণ আর কিছুই না। ক্ষমতা, সম্পদ, প্রতিপত্তি শত সহস্র থাকলেও তার পরিমিত যথানুচার ব্যাবহার। আর হ্যাঁ এর সঙ্গে অবশ্যই যুক্ত হবে যথোপযুক্ত শিক্ষা, আচার। আপনিও জানেন আমাদেরই আসে পাশে ছড়িয়ে রয়েছে এমনই কত শিল্পী। যাদের দেখে মনে খুশি জাগে। মনে হয় কত ব্যালান্সড জীবন। হয়তো বা সত্যি সে জীবন ব্যালান্সড।
তবু কি সে জীবন পীড়িত নয়। হতেই পারে তারা নিঃসন্তান। তবু আছে তারা তাদের মত। হতেই পারে সেন পরিবারের একমাত্র সন্তান বিকলাঙ্গ, তবু তো ঘুরে দাঁড়িয়েছে। হতে কি পারে না, পরিবারের একমাত্র আদুরে কন্যা পালিয়ে বিয়ে করেছে। আর এখন সে বাবা মায়ের কাছে মৃত। হতে অনেক কিছুই পারে। যে নিঃসন্তান সে হয়ে আজও হাসতে পারে। যে বিকলাঙ্গ সেও পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে। আবার আদুরে কন্যা তার প্রিয় বাবা মাকে হয়তো একদিন ফিরেও পেতে পারে।

কি আশ্চর্য দেখুন ব্যাক্তি জীবন কষ্ট দুঃখ আনন্দ থেকে কোথায় না এ মনের ঘোরা ফেরা। এমন তা কোথাও দেখি না। মানব জীবন ছাড়া এ বৈচিত্র অনুভব করা যায় না।

Blog Archive

নিজের ডিভাইস কে ভাইরাস মুক্ত করতে

নিজের ডিভাইস কে ভাইরাস মুক্ত করতে
ক্যাসপারস্কাই